নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে যেসব বিষয়ে পাঠ্যক্রম ও বিষয়বস্তু অভিন্ন, সেসব বিষয়েও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষায় কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গতকাল সোমবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠান হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডের অধিভুক্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার ১৯৩ জন কেন্দ্র সচিব (অধ্যক্ষ), মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদেরও সেখানে নেওয়া হয়। এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে মতবিনিময় করতেই নোয়াখালীতে নেওয়া হয় অধ্যক্ষদের।
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৪৬৪টি কলেজ থেকে ৯৫ হাজার ৭০২ জন এইচএসসি পরীক্ষা দেবে। ১৯৩টি কেন্দ্রে ওই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছেন, তাই এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের মতবিনিময় সভা সেখানে হয় বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারব বলে আশা করছি। তিনি মাদ্রাসা শিক্ষকদের মে ও জুন মাসের বেতন না পাওয়ার নিয়েও দুঃখ প্রকাশ করেন।
নোবিপ্রবির ২০ বছর: এদিকে নোবিপ্রবির ২০ বছর উপলক্ষে শিক্ষামন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
শিক্ষামন্ত্রী কেক কেটে, পায়রা উড়িয়ে এবং বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫১ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার ও অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে যেসব বিষয়ে পাঠ্যক্রম ও বিষয়বস্তু অভিন্ন, সেসব বিষয়েও একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষায় কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
গতকাল সোমবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অডিটোরিয়ামে ওই অনুষ্ঠান হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডের অধিভুক্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিল্লা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার ১৯৩ জন কেন্দ্র সচিব (অধ্যক্ষ), মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদেরও সেখানে নেওয়া হয়। এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে মতবিনিময় করতেই নোয়াখালীতে নেওয়া হয় অধ্যক্ষদের।
বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ৪৬৪টি কলেজ থেকে ৯৫ হাজার ৭০২ জন এইচএসসি পরীক্ষা দেবে। ১৯৩টি কেন্দ্রে ওই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ে গেছেন, তাই এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের মতবিনিময় সভা সেখানে হয় বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারব বলে আশা করছি। তিনি মাদ্রাসা শিক্ষকদের মে ও জুন মাসের বেতন না পাওয়ার নিয়েও দুঃখ প্রকাশ করেন।
নোবিপ্রবির ২০ বছর: এদিকে নোবিপ্রবির ২০ বছর উপলক্ষে শিক্ষামন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
শিক্ষামন্ত্রী কেক কেটে, পায়রা উড়িয়ে এবং বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫১ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার ও অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।