নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে নগরের উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনঃখনন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ শতভাগ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার এসব প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকলেও ছোট ছোট জটিলতার কারণে জনগণ পুরো সুফল পাচ্ছে না। এসব ‘বটলনেক’ দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, ওয়াসার সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাদের অংশের কাজ শেষ করার আশ্বাস পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ফ্লাইওভারের র্যাম্পের কাজ ডিসেম্বরের পরিবর্তে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং চলতি বর্ষাতেই নগরবাসী এর সুফল পেতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিডিএ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সমন্বিত কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সিডিএ বড় খালগুলোর কাজ করছে, অন্যদিকে চসিক ছোট খালগুলো নিয়ে কাজ করছে। কোথাও কোনো ত্রুটি বা ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত সমাধান করা হবে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বকেয়া রয়েছে, তাদের লিখিতভাবে অবহিত করা হচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ৩৬টি খালের খনন কাজ করছে। পরবর্তীতে এসব খাল চসিকের কাছে হস্তান্তর করা হলে কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নির্বাহ করা হবে এবং কী ধরনের ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নগরের বাকি ২১টি খাল পুনঃখননের জন্যও প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে চসিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীন এবং মহানগর বিএনপির সদস্য কামরুল ইসলাম।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে নগরের উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনঃখনন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ শতভাগ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার এসব প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকলেও ছোট ছোট জটিলতার কারণে জনগণ পুরো সুফল পাচ্ছে না। এসব ‘বটলনেক’ দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, ওয়াসার সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাদের অংশের কাজ শেষ করার আশ্বাস পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ফ্লাইওভারের র্যাম্পের কাজ ডিসেম্বরের পরিবর্তে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং চলতি বর্ষাতেই নগরবাসী এর সুফল পেতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিডিএ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সমন্বিত কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সিডিএ বড় খালগুলোর কাজ করছে, অন্যদিকে চসিক ছোট খালগুলো নিয়ে কাজ করছে। কোথাও কোনো ত্রুটি বা ঘাটতি থাকলে তা দ্রুত সমাধান করা হবে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বকেয়া রয়েছে, তাদের লিখিতভাবে অবহিত করা হচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ৩৬টি খালের খনন কাজ করছে। পরবর্তীতে এসব খাল চসিকের কাছে হস্তান্তর করা হলে কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নির্বাহ করা হবে এবং কী ধরনের ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নগরের বাকি ২১টি খাল পুনঃখননের জন্যও প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে চসিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীন এবং মহানগর বিএনপির সদস্য কামরুল ইসলাম।