আমার শহর ডেস্ক

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হলেও প্রয়োজনে চোখে চোখ রেখে কথা বলার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, কোনো দেশের আচরণে বাংলাদেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হলে সরকার অবশ্যই প্রতিক্রিয়া জানাবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং ক্রিকেট ইস্যুতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নাকি চোখে চোখ রেখে সম্পর্ক আসলে আমরা কীভাবে সম্পর্কটা চাচ্ছি? এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যার সঙ্গে আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজনে তার সঙ্গে চোখে চোখ রেখে তো কথা বলা যায়। সেটা বিষয় না, বিষয়টা হচ্ছে ইন জেনারেল আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সকলের সাথে বন্ধুত্ব। আর ভারত হচ্ছে আমাদের বৃহত্তম প্রতিবেশী। তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময়ই বন্ধুত্বপূর্ণ থাকবে। এটাই আমরা চাই।
তিনি বলেন, যখন দেখি কোনো দেশের আচরণে আমাদের দেশের মর্যাদা হানিকর হচ্ছে বা নাগরিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন রেসপন্স (প্রতিক্রিয়া) করার অধিকার আমরা রাখি। আমরা অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমেই তা করেছি। একটি জায়গায় প্রতিক্রিয়া দেখানোর মানে এই নয় যে, সব জায়গায় আমরা একই মনোভাব পোষণ করব।
এ সময় বিসিবি ও সরকারের ক্রিকেট বিষয়ক সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নিজের দেশের মর্যাদার স্বার্থে এবং পররাষ্ট্রনীতির গাম্ভীর্য তুলে ধরতে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ তার অবস্থান পরিষ্কার করবে। নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, যদি কোনো প্রার্থী বা দল প্রমাণ দিতে পারেন যে কোনো রিটার্নিং অফিসার পক্ষপাতিত্ব করেছেন বা দ্বিমুখী আচরণ (ডাবল স্ট্যান্ডার্ড) গ্রহণ করেছেন, তবে নির্বাচন কমিশন সেটি দেখবে।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হলে এবং যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ থাকলে, সরকারও তা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করবে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হলেও প্রয়োজনে চোখে চোখ রেখে কথা বলার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, কোনো দেশের আচরণে বাংলাদেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হলে সরকার অবশ্যই প্রতিক্রিয়া জানাবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারতের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং ক্রিকেট ইস্যুতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নাকি চোখে চোখ রেখে সম্পর্ক আসলে আমরা কীভাবে সম্পর্কটা চাচ্ছি? এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যার সঙ্গে আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজনে তার সঙ্গে চোখে চোখ রেখে তো কথা বলা যায়। সেটা বিষয় না, বিষয়টা হচ্ছে ইন জেনারেল আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে সকলের সাথে বন্ধুত্ব। আর ভারত হচ্ছে আমাদের বৃহত্তম প্রতিবেশী। তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময়ই বন্ধুত্বপূর্ণ থাকবে। এটাই আমরা চাই।
তিনি বলেন, যখন দেখি কোনো দেশের আচরণে আমাদের দেশের মর্যাদা হানিকর হচ্ছে বা নাগরিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তখন রেসপন্স (প্রতিক্রিয়া) করার অধিকার আমরা রাখি। আমরা অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমেই তা করেছি। একটি জায়গায় প্রতিক্রিয়া দেখানোর মানে এই নয় যে, সব জায়গায় আমরা একই মনোভাব পোষণ করব।
এ সময় বিসিবি ও সরকারের ক্রিকেট বিষয়ক সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নিজের দেশের মর্যাদার স্বার্থে এবং পররাষ্ট্রনীতির গাম্ভীর্য তুলে ধরতে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ তার অবস্থান পরিষ্কার করবে। নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, যদি কোনো প্রার্থী বা দল প্রমাণ দিতে পারেন যে কোনো রিটার্নিং অফিসার পক্ষপাতিত্ব করেছেন বা দ্বিমুখী আচরণ (ডাবল স্ট্যান্ডার্ড) গ্রহণ করেছেন, তবে নির্বাচন কমিশন সেটি দেখবে।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হলে এবং যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ থাকলে, সরকারও তা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করবে।