• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

নূরজাহান বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ২২: ০৯
logo

নূরজাহান বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ২২: ০৯
Photo

উপমহাদেশের প্রথম নারী সাংবাদিক নূরজাহান বেগম। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ মে এই মহীয়সী নারীর জীবন অবসান হয়। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূরজাহান বেগম নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত, বিখ্যাত ‘বেগম’ পত্রিকার সম্পাদক।

১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের ৪ জুন চাঁদপুরের চালিতাতলি গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর বাবা ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন এবং মা ফাতেমা খাতুন।

নূরজাহান বেগমের ডাক নাম ছিল নূরী এবং অফিসিয়াল নাম ছিল নুরুন নাহার। পরে তার নানির ইচ্ছায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় নুরজাহান বেগম। তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে নারীদের লেখাপড়ার প্রতি অনাগ্রহ এবং মায়ের প্রবল আপত্তি সত্তে¡ও প্রগতিশীল বাবার হাত ধরে তিনি বিহার রাজ্যের ভাগলপুর জেলার বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হন। এই বিদ্যালয়ে এক বছর অধ্যয়নের পর বেলতলা হাইস্কুলে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন করে পুনরায় ফিরে আসেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলে। এই বিদ্যালয় থেকে ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

কলকাতায় নূরজাহান বেগম থাকতেন ১১ নম্বর ওয়েলেসলি স্ট্রিটের দোতলা বাড়িতে। দোতলার একদিকে ছিল ‘সওগাত’ পত্রিকার অফিস। নিচতলায় ছিল ‘ক্যালকাটা আর্ট প্রিন্টার্স’ প্রেস আর অন্যদিকে থাকা-খাওয়ার ঘর। নূরজাহান বেগম হারমোনিয়াম ও অর্গান বাজিয়ে গান গাইতেন। স্কুলের অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য, নাটকে অংশ নিতেন। তিনি লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে রান্না, সেলাই, ছবি আঁকা সবই শেখেন। কলেজ জীবনে তিনি ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটকটির নাট্যরূপ দেন ও পরিচালনা করেন এবং তাতে নাম ভ‚মিকায় অভিনয় করেন। ‘মেঘদূত’ নাটকে নাচের মাধ্যমে মেঘের গতিবিধি তুলে ধরে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখা দিলে অন্যান্যদের সঙ্গে তার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় ‘মুসলিম অরফ্যানেজ ও উইমেনস হোম’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলেন। দুস্থদের সাহায্য করার জন্য নূরজাহান বেগমের পরিচালনায় ওয়াইএমসিএতে রবীন্দ্রনাথের ‘সামান্য ক্ষতি’ নামে নাটক মঞ্চস্থ হয়। তখন তিনি থাকতেন দরগাহ রোডের ৫৯ নম্বর বাড়িতে।

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ২০ জুলাই (রোববার, ৩ শ্রাবণ ১৩৫৪ বঙ্গাব্দ) প্রথম সচিত্র সাপ্তাহিক ‘বেগম’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ছবি স্থান পায়। প্রথম দিকে নূরজাহান বেগম ‘বেগমে’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এর মূল্য ছিল প্রতি সংখ্যা চার আনা, বার্ষিক মূল্য ১২ টাকা। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় প্রথম ঈদ সংখ্যা ‘বেগম’ প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে ‘বিশ্বনবী সংখ্যা বেগম’ প্রকাশিত হয়। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে বাবার সঙ্গে নূরজাহান বেগম ঢাকা চলে আসেন। ঢাকায় এসে ৩৮ নম্বর শরৎগুপ্তের বাড়িতে ‘বেগম’-এর কাজকর্ম শুরু হয়। ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে ঈদসংখ্যা প্রকাশিত হয়। এই সংখ্যায় ৬২ জন নারী লেখকের লেখা ছাপা হয়। এর মূল্য ছিল ২ টাকা।

১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ডিসেম্বর ‘বেগম ক্লাব’ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেক্রেটারি নির্বাচিত হন নূরজাহান বেগম। এর প্রাথমিক সদস্যসংখ্যা ছিল ৬৪। তবে ১৯৬৯-এর অসহযোগ আন্দোলনের পর বেগম ক্লাবের কর্মকাÐ বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার কচিকাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক রোকনুজ্জামান খানের সঙ্গে নূরজাহান বেগম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ওয়ারী মহিলা সমিতি, নিখিল পাকিস্তান সমিতি এবং গেÐারিয়া মহিলা সমিতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নারিন্দা মহিলা সমিতি গঠন করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও তিনি আপওয়া, জোনটা ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ, মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তিনি তার কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ রোকেয়া পদক (১৯৯০), নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র সম্মাননা (১৯৯৬), গেÐারিয়া মহিলা সমিতি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট (১৯৯৯), অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার (২০০৩) নারীপক্ষ দুর্বার নেটওয়ার্ক (২০০৩), কন্যা শিশু দিবস সংবর্ধনা (২০০৫), ইনার হুইল সম্মাননা (২০১০), একুশে পদক (২০১১) অর্জন করেন। এ ছাড়াও কাজী মাহবুবউল্লাহ-জেবুন্নেছা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম, রোটারি ক্লাব কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্বর্ণপদক এবং সম্মানসূচক সংবর্ধনা অর্জন করেন।

Thumbnail image

উপমহাদেশের প্রথম নারী সাংবাদিক নূরজাহান বেগম। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ মে এই মহীয়সী নারীর জীবন অবসান হয়। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূরজাহান বেগম নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত, বিখ্যাত ‘বেগম’ পত্রিকার সম্পাদক।

১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের ৪ জুন চাঁদপুরের চালিতাতলি গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর বাবা ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন এবং মা ফাতেমা খাতুন।

নূরজাহান বেগমের ডাক নাম ছিল নূরী এবং অফিসিয়াল নাম ছিল নুরুন নাহার। পরে তার নানির ইচ্ছায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় নুরজাহান বেগম। তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে নারীদের লেখাপড়ার প্রতি অনাগ্রহ এবং মায়ের প্রবল আপত্তি সত্তে¡ও প্রগতিশীল বাবার হাত ধরে তিনি বিহার রাজ্যের ভাগলপুর জেলার বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হন। এই বিদ্যালয়ে এক বছর অধ্যয়নের পর বেলতলা হাইস্কুলে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন করে পুনরায় ফিরে আসেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলে। এই বিদ্যালয় থেকে ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

কলকাতায় নূরজাহান বেগম থাকতেন ১১ নম্বর ওয়েলেসলি স্ট্রিটের দোতলা বাড়িতে। দোতলার একদিকে ছিল ‘সওগাত’ পত্রিকার অফিস। নিচতলায় ছিল ‘ক্যালকাটা আর্ট প্রিন্টার্স’ প্রেস আর অন্যদিকে থাকা-খাওয়ার ঘর। নূরজাহান বেগম হারমোনিয়াম ও অর্গান বাজিয়ে গান গাইতেন। স্কুলের অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য, নাটকে অংশ নিতেন। তিনি লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে রান্না, সেলাই, ছবি আঁকা সবই শেখেন। কলেজ জীবনে তিনি ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটকটির নাট্যরূপ দেন ও পরিচালনা করেন এবং তাতে নাম ভ‚মিকায় অভিনয় করেন। ‘মেঘদূত’ নাটকে নাচের মাধ্যমে মেঘের গতিবিধি তুলে ধরে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখা দিলে অন্যান্যদের সঙ্গে তার উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় ‘মুসলিম অরফ্যানেজ ও উইমেনস হোম’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলেন। দুস্থদের সাহায্য করার জন্য নূরজাহান বেগমের পরিচালনায় ওয়াইএমসিএতে রবীন্দ্রনাথের ‘সামান্য ক্ষতি’ নামে নাটক মঞ্চস্থ হয়। তখন তিনি থাকতেন দরগাহ রোডের ৫৯ নম্বর বাড়িতে।

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ২০ জুলাই (রোববার, ৩ শ্রাবণ ১৩৫৪ বঙ্গাব্দ) প্রথম সচিত্র সাপ্তাহিক ‘বেগম’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ছবি স্থান পায়। প্রথম দিকে নূরজাহান বেগম ‘বেগমে’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এর মূল্য ছিল প্রতি সংখ্যা চার আনা, বার্ষিক মূল্য ১২ টাকা। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় প্রথম ঈদ সংখ্যা ‘বেগম’ প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে ‘বিশ্বনবী সংখ্যা বেগম’ প্রকাশিত হয়। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে বাবার সঙ্গে নূরজাহান বেগম ঢাকা চলে আসেন। ঢাকায় এসে ৩৮ নম্বর শরৎগুপ্তের বাড়িতে ‘বেগম’-এর কাজকর্ম শুরু হয়। ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে ঈদসংখ্যা প্রকাশিত হয়। এই সংখ্যায় ৬২ জন নারী লেখকের লেখা ছাপা হয়। এর মূল্য ছিল ২ টাকা।

১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ডিসেম্বর ‘বেগম ক্লাব’ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেক্রেটারি নির্বাচিত হন নূরজাহান বেগম। এর প্রাথমিক সদস্যসংখ্যা ছিল ৬৪। তবে ১৯৬৯-এর অসহযোগ আন্দোলনের পর বেগম ক্লাবের কর্মকাÐ বন্ধ হয়ে যায়।

১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার কচিকাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক রোকনুজ্জামান খানের সঙ্গে নূরজাহান বেগম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ওয়ারী মহিলা সমিতি, নিখিল পাকিস্তান সমিতি এবং গেÐারিয়া মহিলা সমিতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি নারিন্দা মহিলা সমিতি গঠন করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও তিনি আপওয়া, জোনটা ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ, মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তিনি তার কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ রোকেয়া পদক (১৯৯০), নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্র সম্মাননা (১৯৯৬), গেÐারিয়া মহিলা সমিতি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট (১৯৯৯), অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার (২০০৩) নারীপক্ষ দুর্বার নেটওয়ার্ক (২০০৩), কন্যা শিশু দিবস সংবর্ধনা (২০০৫), ইনার হুইল সম্মাননা (২০১০), একুশে পদক (২০১১) অর্জন করেন। এ ছাড়াও কাজী মাহবুবউল্লাহ-জেবুন্নেছা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম, রোটারি ক্লাব কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্বর্ণপদক এবং সম্মানসূচক সংবর্ধনা অর্জন করেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

নূরজাহান বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

২

বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা: প্রধানমন্ত্রী

৩

শিল্প যদি সংকটে থাকে, তাহলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না: বস্ত্রমন্ত্রী

৪

মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ইভি উৎপাদনে সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৫

আজ ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা: প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে
শিল্প যদি সংকটে থাকে, তাহলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না: বস্ত্রমন্ত্রী

শিল্প যদি সংকটে থাকে, তাহলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না: বস্ত্রমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে
মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ইভি উৎপাদনে সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে ইভি উৎপাদনে সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে
আজ ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আজ ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে