• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাসস
প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৯
logo

সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাসস

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৫৯
Photo

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মানুষকে সেবা দিয়ে, জনগণের আস্থা অর্জন করে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

মন্ত্রী আজ সকালে রাজশাহী জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ)-এর ৬ মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেবাপ্রত্যাশী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সেবাদানে পুলিশকে হতে হবে আরও আন্তরিক। সকল প্রকার ভয়-ভীতি, পক্ষপাতিত্বকে উপক্ষো করে জনমানুষকে আইনি সেবা ও সুরক্ষা দিতে হবে।

বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার কথা পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভঙ্গুর পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠিত করে একটি দক্ষ, আধুনিক ও মানবিক সেবামুখী বাহিনীতে রূপান্তর করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন, জনবল বৃদ্ধি, যানবাহন ক্রয়, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো নির্মাণ ও লজিস্টিক সরবরাহে কাজ চলছে।

নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের প্রতীক্ষা, আইনি প্রক্রিয়া এবং নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে এই ব্যাচের সদস্যরা দেশসেবার মহান পেশায় যোগ দিয়েছেন। নিজেদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে কোনো প্রকার বৈষম্য ও অন্যায়ের চর্চা না করার জন্য তিনি তাদের নির্দেশ দেন। পুলিশের পোশাক ও অর্পিত দায়িত্বকে কেবল সাধারণ চাকরির গণ্ডিতে আবদ্ধ না রেখে জনগণের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার এক মহান অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অপরাধের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, অনলাইন জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা, মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলা পুলিশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব জটিল অপরাধ দমনে প্রথাগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বৈজ্ঞানিক তদন্ত, তথ্য বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল ফরেনসিকের ওপর জোর দেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুর্ব্যবহার, পক্ষপাতিত্ব ও পেশিশক্তির পরিবর্তে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা এবং মানবিক পুলিশিং চর্চা করতে হবে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ পুলিশের বিভিন্ন স্পেশালাইজড ইউনিটে কাজের অবারিত সুযোগ রয়েছে। তবে কর্তব্যে অবহেলা, নৈতিকতা বিরোধী কাজ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধানও বলবৎ থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. মাইনুল হাসান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল আলম সরকার, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন করেন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) থেকে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এএসপি প্রবেশনার মো. মাহবুব হোসেন প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য, এবারের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্টের মধ্যে বেস্ট সার্জেন্ট হিসেবে ওমর ফারুক, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হিসেবে সাইফুল ইসলাম এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে আসাদুজ্জামান গৌরব অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) থেকে বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে মো. বোরহানুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হিসেবে দেওয়ান গোলাম রসুল এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে মো. কামাল গনি পুরস্কার অর্জন করেন।

২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) ১৬২ জনসহ ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করলেন।

Thumbnail image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মানুষকে সেবা দিয়ে, জনগণের আস্থা অর্জন করে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

মন্ত্রী আজ সকালে রাজশাহী জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ)-এর ৬ মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেবাপ্রত্যাশী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সেবাদানে পুলিশকে হতে হবে আরও আন্তরিক। সকল প্রকার ভয়-ভীতি, পক্ষপাতিত্বকে উপক্ষো করে জনমানুষকে আইনি সেবা ও সুরক্ষা দিতে হবে।

বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার কথা পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভঙ্গুর পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠিত করে একটি দক্ষ, আধুনিক ও মানবিক সেবামুখী বাহিনীতে রূপান্তর করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন, জনবল বৃদ্ধি, যানবাহন ক্রয়, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো নির্মাণ ও লজিস্টিক সরবরাহে কাজ চলছে।

নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের প্রতীক্ষা, আইনি প্রক্রিয়া এবং নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে এই ব্যাচের সদস্যরা দেশসেবার মহান পেশায় যোগ দিয়েছেন। নিজেদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে কোনো প্রকার বৈষম্য ও অন্যায়ের চর্চা না করার জন্য তিনি তাদের নির্দেশ দেন। পুলিশের পোশাক ও অর্পিত দায়িত্বকে কেবল সাধারণ চাকরির গণ্ডিতে আবদ্ধ না রেখে জনগণের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার এক মহান অঙ্গীকার হিসেবে গ্রহণের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অপরাধের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, অনলাইন জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা, মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলা পুলিশের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব জটিল অপরাধ দমনে প্রথাগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বৈজ্ঞানিক তদন্ত, তথ্য বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল ফরেনসিকের ওপর জোর দেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুর্ব্যবহার, পক্ষপাতিত্ব ও পেশিশক্তির পরিবর্তে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা এবং মানবিক পুলিশিং চর্চা করতে হবে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ পুলিশের বিভিন্ন স্পেশালাইজড ইউনিটে কাজের অবারিত সুযোগ রয়েছে। তবে কর্তব্যে অবহেলা, নৈতিকতা বিরোধী কাজ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধানও বলবৎ থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. মাইনুল হাসান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল আলম সরকার, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন করেন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। তিনি ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) থেকে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এএসপি প্রবেশনার মো. মাহবুব হোসেন প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য, এবারের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্টের মধ্যে বেস্ট সার্জেন্ট হিসেবে ওমর ফারুক, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হিসেবে সাইফুল ইসলাম এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে আসাদুজ্জামান গৌরব অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) থেকে বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে মো. বোরহানুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হিসেবে দেওয়ান গোলাম রসুল এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে মো. কামাল গনি পুরস্কার অর্জন করেন।

২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) ১৬২ জনসহ ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করলেন।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

২

মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

৩

সেবার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪

দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৫

আজ থেকে ট্রেনে কক্সবাজার যেতে পারবেন কুমিল্লার যাত্রীরা

সম্পর্কিত

জাপান সফর শেষে দেশে  ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

৪ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অপর তিন আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

১ দিন আগে
দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৩ দিন আগে
আজ থেকে ট্রেনে কক্সবাজার যেতে পারবেন কুমিল্লার যাত্রীরা

আজ থেকে ট্রেনে কক্সবাজার যেতে পারবেন কুমিল্লার যাত্রীরা

৪ দিন আগে