আমার শহর ডেস্ক

বিসিএসসহ অন্যান্য সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রচলিত মুখস্থনির্ভর সিলেবাসের পরিবর্তে স্কিল-বেজড বা দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
তিনি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মবাজার এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পরিবর্তনের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাজবাড়ী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনের সকালে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিসিএসসহ অন্যান্য সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রচলিত মুখস্থনির্ভর সিলেবাসের পরিবর্তে স্কিল-বেজড বা দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তন করা বর্তমান কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি জানান, এ লক্ষ্যে কমিশন বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন-সংযোজনের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার সিলেবাস পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেবে। মৌখিক পরীক্ষায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই যোগ্যতাভিত্তিক সাক্ষাৎকার পদ্ধতি চালু করা হবে, যেখানে প্রার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও মনোভাব মূল্যায়ন করা হবে। তিনি আরও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৫০তম বিসিএসের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তির সময়ই পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে বর্তমান কমিশন গঠনের পর ইতোমধ্যে ৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম বিসিএস এবং ৪৮ ও ৪৯ (বিশেষ) বিসিএসের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে মেধাকোটা অনুসরণ করা হচ্ছে: প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগে কোটা অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে মেধাকোটা ৯৩ শতাংশ থাকবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন আজ বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলের সদস্য (জামায়াতে ইসলামী) মো. নূরুল ইসলামের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এদিন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোটাগুলো হলো- মেধা ভিত্তিক ৯৩ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ১ শতাংশ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ ১ শতাংশ।
ওএসডি সংস্কৃতি আগের মতোই থাকবে কিনা সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এ প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ বিনির্মাণে মেধা, সততা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষকণ, বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে যোগ্যতই একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কেউ যেন অন্যায়ভাবে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করবে সরকার। এতে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ হবে।

বিসিএসসহ অন্যান্য সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রচলিত মুখস্থনির্ভর সিলেবাসের পরিবর্তে স্কিল-বেজড বা দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
তিনি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মবাজার এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পরিবর্তনের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে রাজবাড়ী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনের সকালে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিসিএসসহ অন্যান্য সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রচলিত মুখস্থনির্ভর সিলেবাসের পরিবর্তে স্কিল-বেজড বা দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তন করা বর্তমান কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি জানান, এ লক্ষ্যে কমিশন বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন-সংযোজনের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার সিলেবাস পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেবে। মৌখিক পরীক্ষায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই যোগ্যতাভিত্তিক সাক্ষাৎকার পদ্ধতি চালু করা হবে, যেখানে প্রার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা ও মনোভাব মূল্যায়ন করা হবে। তিনি আরও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৫০তম বিসিএসের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তির সময়ই পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে বর্তমান কমিশন গঠনের পর ইতোমধ্যে ৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম বিসিএস এবং ৪৮ ও ৪৯ (বিশেষ) বিসিএসের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে মেধাকোটা অনুসরণ করা হচ্ছে: প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগে কোটা অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে মেধাকোটা ৯৩ শতাংশ থাকবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন আজ বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলের সদস্য (জামায়াতে ইসলামী) মো. নূরুল ইসলামের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এদিন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোটাগুলো হলো- মেধা ভিত্তিক ৯৩ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ১ শতাংশ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ ১ শতাংশ।
ওএসডি সংস্কৃতি আগের মতোই থাকবে কিনা সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এ প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, ‘মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ বিনির্মাণে মেধা, সততা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষকণ, বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসনে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে যোগ্যতই একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কেউ যেন অন্যায়ভাবে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করবে সরকার। এতে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ হবে।