• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> বাংলাদেশ

ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ১৮: ১৯
logo

ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আমার শহর ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ১৮: ১৯
Photo

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকের ফি মওকুফ ও অন্যান্য সহায়তার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা ছাড়াও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোর বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কোনও রোগীর পরীক্ষার খরচ ১০ হাজার টাকা হলে তার মধ্যে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গুসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসা পরিস্থিতি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর বিস্তারিত বিশ্লেষণ বা ‘ডেথ রিভিউ’ নিয়মিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হলেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় হয়নি। এক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়িয়ে সঠিক ও নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত কয়েকজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই ডেঙ্গু শূন্যের কোঠায় থাকুক। কী হবে তা আগেভাগে বলা যায় না, তবে প্রতিদিন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগীয় পরিচালক, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ের প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হচ্ছে। সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়েও সমন্বয় সভা করা হবে। চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিতে পেশাজীবী সংগঠনগুলো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

মশা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশকের কার্যকারিতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিষয়ে আলাদা বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহৃত কীটনাশকের নমুনা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তার দাবি, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও উচ্চমানের ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ে স্প্রে কার্যক্রমে কিছু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে স্বীকার করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোথাও কোথাও স্প্রে করার সময় ওষুধের সঙ্গে অতিরিক্ত কেরোসিন মেশানোর মতো ঘটনা ঘটতে পারে। একারণে সিটি করপোরেশনগুলোকে তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আগামী শনিবার থেকে দেশব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে একযোগে সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাইকিং, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা, উঠান বৈঠক, কমিউনিটি সভা এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হবে। মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এটি একটি সামাজিক লড়াই। শনিবার থেকে আগামী তিন মাস দেশব্যাপী সচেতনতামূলক আন্দোলন চালানো হবে।

এদিকে, ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন এখন দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ভ্যাকসিন দিচ্ছি না। এই ভ্যাকসিন বিশ্বের কিছু কিছু দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ডসহ অল্প কয়টা দেশে দিচ্ছে। কিন্তু অল ওভার দা ওয়ার্ল্ড এটা এখনও সার্বজনীন ভ্যাকসিন হয়নি। কাজে আমরা একটা এলডিসি কান্ট্রি হিসেবে হঠাৎ করে ভ্যাকসিনটা দেওয়া শুরু করতে পারি না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খোদা নাখাস্তা যদি একটাও অ্যাকসিডেন্ট হয়, তার টোটাল বেøইম আমাদের ওপর এসে পড়বে। সবাই বলবে- উইদাউট এক্সামিনেশন আমরা এটা করছি। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করবো। ইউনিসেফের সঙ্গেও কথা বলবো।

আমরা আন্তর্জাতিক মহলে কথা বলে ইফ গেট পারমিশন এবং ওনারা যদি এটাকে ভায়াবল মনে করেন, হেলদি মনে করেন, হার্মফুল মনে না করেন, ইন দ্যাট কেস আমরা এটাকে কালেক্ট করার চেষ্টা করবো। কিন্তু এট দিজ মোমেন্ট উই আর নট গোইং টু ডু ভ্যাক্সিনেশন। কারণ এটা সার্বজনিন ভ্যাকসিন না, এটা আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলে দিলাম।

Thumbnail image

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকের ফি মওকুফ ও অন্যান্য সহায়তার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও গাইডলাইন বিষয়ক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা ছাড়াও বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানোর বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কোনও রোগীর পরীক্ষার খরচ ১০ হাজার টাকা হলে তার মধ্যে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গুসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসা পরিস্থিতি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুর বিস্তারিত বিশ্লেষণ বা ‘ডেথ রিভিউ’ নিয়মিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হলেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় হয়নি। এক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়িয়ে সঠিক ও নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত কয়েকজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই ডেঙ্গু শূন্যের কোঠায় থাকুক। কী হবে তা আগেভাগে বলা যায় না, তবে প্রতিদিন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগীয় পরিচালক, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ের প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হচ্ছে। সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়েও সমন্বয় সভা করা হবে। চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিতে পেশাজীবী সংগঠনগুলো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

মশা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশকের কার্যকারিতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিষয়ে আলাদা বৈঠক হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহৃত কীটনাশকের নমুনা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তার দাবি, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও উচ্চমানের ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ে স্প্রে কার্যক্রমে কিছু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে স্বীকার করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোথাও কোথাও স্প্রে করার সময় ওষুধের সঙ্গে অতিরিক্ত কেরোসিন মেশানোর মতো ঘটনা ঘটতে পারে। একারণে সিটি করপোরেশনগুলোকে তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আগামী শনিবার থেকে দেশব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে একযোগে সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাইকিং, গণসচেতনতামূলক প্রচারণা, উঠান বৈঠক, কমিউনিটি সভা এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হবে। মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এটি একটি সামাজিক লড়াই। শনিবার থেকে আগামী তিন মাস দেশব্যাপী সচেতনতামূলক আন্দোলন চালানো হবে।

এদিকে, ডেঙ্গুর ভ্যাকসিন এখন দেওয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ভ্যাকসিন দিচ্ছি না। এই ভ্যাকসিন বিশ্বের কিছু কিছু দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ডসহ অল্প কয়টা দেশে দিচ্ছে। কিন্তু অল ওভার দা ওয়ার্ল্ড এটা এখনও সার্বজনীন ভ্যাকসিন হয়নি। কাজে আমরা একটা এলডিসি কান্ট্রি হিসেবে হঠাৎ করে ভ্যাকসিনটা দেওয়া শুরু করতে পারি না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খোদা নাখাস্তা যদি একটাও অ্যাকসিডেন্ট হয়, তার টোটাল বেøইম আমাদের ওপর এসে পড়বে। সবাই বলবে- উইদাউট এক্সামিনেশন আমরা এটা করছি। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করবো। ইউনিসেফের সঙ্গেও কথা বলবো।

আমরা আন্তর্জাতিক মহলে কথা বলে ইফ গেট পারমিশন এবং ওনারা যদি এটাকে ভায়াবল মনে করেন, হেলদি মনে করেন, হার্মফুল মনে না করেন, ইন দ্যাট কেস আমরা এটাকে কালেক্ট করার চেষ্টা করবো। কিন্তু এট দিজ মোমেন্ট উই আর নট গোইং টু ডু ভ্যাক্সিনেশন। কারণ এটা সার্বজনিন ভ্যাকসিন না, এটা আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলে দিলাম।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর

২

ডেঙ্গু রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষার খরচে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভোলায় সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন

৪

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের আরও জোরালো ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫

প্রবাসী কার্ড হলে বিএমইটি কার্ড থাকবে না: মন্ত্রী

সম্পর্কিত

প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর

প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর

৩ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভোলায় সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভোলায় সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন

৫ ঘণ্টা আগে
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের আরও জোরালো ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নরওয়ের আরও জোরালো ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে
প্রবাসী কার্ড হলে বিএমইটি কার্ড থাকবে না: মন্ত্রী

প্রবাসী কার্ড হলে বিএমইটি কার্ড থাকবে না: মন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে