আমার শহর ডেস্ক

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। জালাল আহমেদ বলেন, তাদের সব দাবি আমাদের হাতে নেই। সমিতির কমিশনের দাবির বিষয়ে আমরাও একমত। পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং রিটেইলার কমিশন ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা করার দাবি যৌক্তিক। আমরা এই বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি। বাকি যেগুলা আছে সেগুলাও সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সমিতির দাবিগুলো হলো-
১.সংকটময় পরিস্থিতিতে বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনা না করে নতুনভাবে মূল্য নির্ধারণ করে কোম্পানি, পরিবেশক এবং ভোক্তাদের চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। যেখানে সংকটই প্রধান সমস্যা, সেখানে ভোক্তার ওপর দেওয়া মূল্য নিয়ে কেন বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে এবং কেন সংকট দূর করার উপায় খুঁজে বের করা হচ্ছে না।
২. অনভিজ্ঞ ভোক্তা অধিদফতর কর্তৃক পরিচালিত অভিযানের কারণে দেশের জনগণের মধ্যে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় তাতে সংকট পরিস্থিতি আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠে; যার প্রভাবে বেশির ভাগ ব্যবসায়ী ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।
৩. সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বিইআরসির এবং কোম্পানির সমন্বয়ে আমদানির মূল সংকট দূর করে বড় কোম্পানিগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করাই ছিল এই সমস্যার সঠিক সমাধান। কিন্তু তা না করে অহেতুক পরিবেশকদের ভোক্তা অধিদফতর কর্তৃক হয়রানি করা হচ্ছে, যা একেবারেই অযৌক্তিক।
৪. বিইআরসি সরকারিভাবে মাসে একবার মূল্য ঘোষণা করলেও জ্বালানি খাতে বিভিন্ন জটিলতার কারণে কোম্পানির তরফ থেকে মাসে একাধিকবার মূল্য সমন্বয় করা হয়। যার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে পরিবেশকদের বহন করতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আমরা একাধিকবার বিইআরসির কাছে লিখিত চিঠির মাধ্যমে সাক্ষাৎ প্রত্যাশী হলেও বিইআরসি আমাদের সেই সুযোগ দেয়নি। আমরা এই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান চাই। আমরা চাই জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বিইআরসি, লোয়াব এবং পরিবেশকদের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক এবং পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং রিটেইলার কমিশন ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা করে মোট কমিশন ১৫০ টাকায় উন্নীত করা হোক।
৫. বাংলাদেশে প্রায় ২৭টি কোম্পানির ৫ কোটি ৫০ লাখ সিলিন্ডার বাজারজাত করা হয়েছে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, এই মুহূর্তে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিল হচ্ছে; যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। মোট চাহিদার ৬০ ভাগ খালি থাকার কারণে পরিবেশকদের ৪০ ভাগের ওপর মোট খরচ বহন করতে হচ্ছে; যা মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।
৬. বেশির ভাগ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, সেসব কোম্পানির পরিবেশকদের সিলিন্ডার রিফিল করতে না পারার কারণে আজ দেউলিয়ার পথে। সরকারের মাধ্যমে সেসব নিষ্ক্রিয় সিলিন্ডারের ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে দেশজুড়ে অভিযান ও জরিমানার প্রেক্ষাপটে সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল সমিতি। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে কমিশন বৃদ্ধি, বিইআরসির একতরফা দাম ঘোষণা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় তারা।

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। জালাল আহমেদ বলেন, তাদের সব দাবি আমাদের হাতে নেই। সমিতির কমিশনের দাবির বিষয়ে আমরাও একমত। পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং রিটেইলার কমিশন ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা করার দাবি যৌক্তিক। আমরা এই বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি। বাকি যেগুলা আছে সেগুলাও সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সমিতির দাবিগুলো হলো-
১.সংকটময় পরিস্থিতিতে বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনা না করে নতুনভাবে মূল্য নির্ধারণ করে কোম্পানি, পরিবেশক এবং ভোক্তাদের চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। যেখানে সংকটই প্রধান সমস্যা, সেখানে ভোক্তার ওপর দেওয়া মূল্য নিয়ে কেন বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে এবং কেন সংকট দূর করার উপায় খুঁজে বের করা হচ্ছে না।
২. অনভিজ্ঞ ভোক্তা অধিদফতর কর্তৃক পরিচালিত অভিযানের কারণে দেশের জনগণের মধ্যে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় তাতে সংকট পরিস্থিতি আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠে; যার প্রভাবে বেশির ভাগ ব্যবসায়ী ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছে।
৩. সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বিইআরসির এবং কোম্পানির সমন্বয়ে আমদানির মূল সংকট দূর করে বড় কোম্পানিগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করাই ছিল এই সমস্যার সঠিক সমাধান। কিন্তু তা না করে অহেতুক পরিবেশকদের ভোক্তা অধিদফতর কর্তৃক হয়রানি করা হচ্ছে, যা একেবারেই অযৌক্তিক।
৪. বিইআরসি সরকারিভাবে মাসে একবার মূল্য ঘোষণা করলেও জ্বালানি খাতে বিভিন্ন জটিলতার কারণে কোম্পানির তরফ থেকে মাসে একাধিকবার মূল্য সমন্বয় করা হয়। যার দায়ভার সম্পূর্ণভাবে পরিবেশকদের বহন করতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আমরা একাধিকবার বিইআরসির কাছে লিখিত চিঠির মাধ্যমে সাক্ষাৎ প্রত্যাশী হলেও বিইআরসি আমাদের সেই সুযোগ দেয়নি। আমরা এই সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান চাই। আমরা চাই জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বিইআরসি, লোয়াব এবং পরিবেশকদের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক এবং পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় এবং রিটেইলার কমিশন ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা করে মোট কমিশন ১৫০ টাকায় উন্নীত করা হোক।
৫. বাংলাদেশে প্রায় ২৭টি কোম্পানির ৫ কোটি ৫০ লাখ সিলিন্ডার বাজারজাত করা হয়েছে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে, এই মুহূর্তে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিল হচ্ছে; যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। মোট চাহিদার ৬০ ভাগ খালি থাকার কারণে পরিবেশকদের ৪০ ভাগের ওপর মোট খরচ বহন করতে হচ্ছে; যা মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।
৬. বেশির ভাগ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, সেসব কোম্পানির পরিবেশকদের সিলিন্ডার রিফিল করতে না পারার কারণে আজ দেউলিয়ার পথে। সরকারের মাধ্যমে সেসব নিষ্ক্রিয় সিলিন্ডারের ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে দেশজুড়ে অভিযান ও জরিমানার প্রেক্ষাপটে সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল সমিতি। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে কমিশন বৃদ্ধি, বিইআরসির একতরফা দাম ঘোষণা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় তারা।