আমার শহর ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অঙ্গসংগঠন শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয়েছে। আজ সোমবার পৌনে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এনসিপির খুলনা মহানগরের সংগঠক সাইফ নেওয়াজ বলেন, মোতালেব শিকদার এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক। কিছু দিনের মধ্যে খুলনায় দলের একটি বিভাগীয় শ্রমিক সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। সেটা নিয়ে তিনি কাজ করছিলেন।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল বলেন, মোতালেব নামে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ও হাসপাতাল পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, খুলনায় এনসিপি নেতাকে গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িতরা যাতে কোনোভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে সেব্যাপারে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে যশোর ৪৯ বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বাহিনীর সদস্যরা। তল্লাশি কাজে ডগস্কোয়াডকেও ব্যবহার করা হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবির পরিচালক অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, ওই গুলিবর্ষণের ঘটনার পরপরই যশোর সীমান্তে বিজিবি ব্যাপক নজরদারি জারি করেছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবির প্রতিটি সদস্য। সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একইসাথে শুরু করা হয়েছে তল্লাশি কার্যক্রম।
তিনি বলেন, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। এছাড়াও, যে সকল সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই সেই সকল সীমান্ত সিলগালা করা হয়েছে ।
লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী আরও বলেন, এভাবে সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসীদের ভারতে যাওয়া আবা আসার সুযোগ বন্ধ করা হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীকে গুলিবর্ষণের পর পরই যশোর সীমান্তে একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল যশোর ৪৯ বিজিবি। সে সময় সীমান্তে যাওয়া-আসার প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়েছিল। সন্দেহভাজনদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ছিল গোয়েন্দা নজরদারিও। সে সময় সীমান্তের তারকাঁটাবিহীন অঞ্চলগুলোকেও সিলগালা করে সুরক্ষিত করেছিল যশোর ৪৯ বিজিবি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অঙ্গসংগঠন শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয়েছে। আজ সোমবার পৌনে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এনসিপির খুলনা মহানগরের সংগঠক সাইফ নেওয়াজ বলেন, মোতালেব শিকদার এনসিপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও খুলনা বিভাগীয় আহ্বায়ক। কিছু দিনের মধ্যে খুলনায় দলের একটি বিভাগীয় শ্রমিক সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। সেটা নিয়ে তিনি কাজ করছিলেন।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল বলেন, মোতালেব নামে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ও হাসপাতাল পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, খুলনায় এনসিপি নেতাকে গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িতরা যাতে কোনোভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে সেব্যাপারে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে যশোর ৪৯ বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি নজরদারি ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বাহিনীর সদস্যরা। তল্লাশি কাজে ডগস্কোয়াডকেও ব্যবহার করা হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবির পরিচালক অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, ওই গুলিবর্ষণের ঘটনার পরপরই যশোর সীমান্তে বিজিবি ব্যাপক নজরদারি জারি করেছে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবির প্রতিটি সদস্য। সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একইসাথে শুরু করা হয়েছে তল্লাশি কার্যক্রম।
তিনি বলেন, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। এছাড়াও, যে সকল সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই সেই সকল সীমান্ত সিলগালা করা হয়েছে ।
লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী আরও বলেন, এভাবে সীমান্তের প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসীদের ভারতে যাওয়া আবা আসার সুযোগ বন্ধ করা হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীকে গুলিবর্ষণের পর পরই যশোর সীমান্তে একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল যশোর ৪৯ বিজিবি। সে সময় সীমান্তে যাওয়া-আসার প্রতিটি পয়েন্টে তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়েছিল। সন্দেহভাজনদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ছিল গোয়েন্দা নজরদারিও। সে সময় সীমান্তের তারকাঁটাবিহীন অঞ্চলগুলোকেও সিলগালা করে সুরক্ষিত করেছিল যশোর ৪৯ বিজিবি।