আমার শহর ডেস্ক

বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস, বিডিএস কোর্সে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ শতাংশ মেধাবী ও অসচ্ছল কোটা চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন আজ বৃহস্পতিবার সকালে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জানতে চান, দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং ডেন্টাল কলেজগুলোয় শিক্ষা ব্যয়বহুল, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভের সুযোগ পায় না।
এ ক্ষেত্রে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থাসহ এই সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যয়ভার কমানোর জন্য আপনার মন্ত্রণালয় কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা? জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা ও নার্সিং শিক্ষা সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও গুণগত মানোন্নয়ন এবং সর্বস্তরে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সে আলোকে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ শতাংশ মেধাবী ও অসচ্ছল কোটা চালু রয়েছে। এ বছর পাঁচ শতাংশ হারে মোট ৩৯৪ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে মেধাবী ও অসচ্ছল কোটায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে: এদিকে, দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন প্রশ্নে জানতে চান, দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে সত্য কিনা? সত্য হলে, দেশে জীবাণু শনাক্তকরণ কীট তৈরির কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কি-না; করলে তা কী? জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হ্যাঁ, এটি সত্য যে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে এই সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ
১) জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন এএমআর) বাস্তবায়ন এবং ওয়ান হেলথ (ওয়ান গেল্থ) পদ্ধতির মাধ্যমে মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা;
২) জাতীয় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সার্ভেইলেন্স (নজরদারি) কার্যক্রম পরিচালনা ও স¤প্রসারণ;
৩) দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও উন্নয়ন, যার মধ্যে রয়েছে-জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষা (কালচার অ্যান্ড সেনসিটিভিটি টেস্ট) পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি; পরীক্ষাগারে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহ; ল্যাবরেটরি জনবলের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ (অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ) কর্মসূচি বাস্তবায়ন। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রবণতা, ঝুঁকির কারণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিরূপণের জন্য সরকার বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মন্ত্রী জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা তৈরির কার্যক্রম চলমান আছে। কার্যক্রমসমূহের মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী জীবাণুর শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস, বিডিএস কোর্সে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ শতাংশ মেধাবী ও অসচ্ছল কোটা চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিন আজ বৃহস্পতিবার সকালে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জানতে চান, দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং ডেন্টাল কলেজগুলোয় শিক্ষা ব্যয়বহুল, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভের সুযোগ পায় না।
এ ক্ষেত্রে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে দরিদ্র মেধাবীদের জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থাসহ এই সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যয়ভার কমানোর জন্য আপনার মন্ত্রণালয় কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা? জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা ও নার্সিং শিক্ষা সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও গুণগত মানোন্নয়ন এবং সর্বস্তরে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সে আলোকে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ৫ শতাংশ মেধাবী ও অসচ্ছল কোটা চালু রয়েছে। এ বছর পাঁচ শতাংশ হারে মোট ৩৯৪ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে মেধাবী ও অসচ্ছল কোটায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে: এদিকে, দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন প্রশ্নে জানতে চান, দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে সত্য কিনা? সত্য হলে, দেশে জীবাণু শনাক্তকরণ কীট তৈরির কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কি-না; করলে তা কী? জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হ্যাঁ, এটি সত্য যে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে এই সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ
১) জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন এএমআর) বাস্তবায়ন এবং ওয়ান হেলথ (ওয়ান গেল্থ) পদ্ধতির মাধ্যমে মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা;
২) জাতীয় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সার্ভেইলেন্স (নজরদারি) কার্যক্রম পরিচালনা ও স¤প্রসারণ;
৩) দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও উন্নয়ন, যার মধ্যে রয়েছে-জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষা (কালচার অ্যান্ড সেনসিটিভিটি টেস্ট) পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি; পরীক্ষাগারে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহ; ল্যাবরেটরি জনবলের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ (অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ) কর্মসূচি বাস্তবায়ন। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রবণতা, ঝুঁকির কারণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিরূপণের জন্য সরকার বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মন্ত্রী জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা তৈরির কার্যক্রম চলমান আছে। কার্যক্রমসমূহের মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী জীবাণুর শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।