নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, একজন পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করেন, ডিসি জেলার সামগ্রিক বিষয় দেখেন। কিন্তু আগামীর বাংলাদেশ গড়বেন শিক্ষকরা।
আজ শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় নকল শুরু করেছিল শিক্ষকরা, বন্ধও করেছিল শিক্ষকরা। আবার হাসিনা সরকার আসার পর দেশে নকলে সয়লাব হয়ে গেছে। এখন থেকে নকল করে পরীক্ষা আর চলবে না। সেক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার প্রতি আস্থা রেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আমাকে দিয়েছে। এই মন্ত্রণালয় আমার জন্য এবাদতখানা। আপনারা শিক্ষকরা যদি একজন ছাত্রকে মানুষ বানাতে পারেন সেটা আপনার জন্য সদকায়ে জারিয়া। এজন্য আপনাদের জন্য এটা এবাদতখানা।
নকল বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী আমলের মতো পরীক্ষা এ দেশে আর হবে না। তখন শিক্ষকদের হাতে ২টা কলম থাকত। ১টা কালো, আরেকটা লাল। কালো কলম দিয়ে শিক্ষকরা ছাত্রদের খাতায় লিখে দিত। শিক্ষকরা নকল সরবরাহ করত। এখন থেকে তা বন্ধ। আগামী পরীক্ষা হবে নকলমুক্ত পরীক্ষা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামনে এসএসসি পরীক্ষা। প্রতিটা কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শুধু পরীক্ষার সময়ই না, সর্বদা প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শামসুল ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল বাসার ভূঁইয়া, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়াসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।
পরবর্তীতে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় করেন।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, একজন পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করেন, ডিসি জেলার সামগ্রিক বিষয় দেখেন। কিন্তু আগামীর বাংলাদেশ গড়বেন শিক্ষকরা।
আজ শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় নকল শুরু করেছিল শিক্ষকরা, বন্ধও করেছিল শিক্ষকরা। আবার হাসিনা সরকার আসার পর দেশে নকলে সয়লাব হয়ে গেছে। এখন থেকে নকল করে পরীক্ষা আর চলবে না। সেক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার প্রতি আস্থা রেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আমাকে দিয়েছে। এই মন্ত্রণালয় আমার জন্য এবাদতখানা। আপনারা শিক্ষকরা যদি একজন ছাত্রকে মানুষ বানাতে পারেন সেটা আপনার জন্য সদকায়ে জারিয়া। এজন্য আপনাদের জন্য এটা এবাদতখানা।
নকল বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী আমলের মতো পরীক্ষা এ দেশে আর হবে না। তখন শিক্ষকদের হাতে ২টা কলম থাকত। ১টা কালো, আরেকটা লাল। কালো কলম দিয়ে শিক্ষকরা ছাত্রদের খাতায় লিখে দিত। শিক্ষকরা নকল সরবরাহ করত। এখন থেকে তা বন্ধ। আগামী পরীক্ষা হবে নকলমুক্ত পরীক্ষা।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামনে এসএসসি পরীক্ষা। প্রতিটা কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শুধু পরীক্ষার সময়ই না, সর্বদা প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শামসুল ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল বাসার ভূঁইয়া, জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়াসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।
পরবর্তীতে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় করেন।