নিজস্ব প্রতিবেদক

ভালো মরিচের সঙ্গে নষ্ট মরিচ মেশানো, নিষিদ্ধ সিঁদুর রং ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার দায়ে ‘আরমান মসলার মিল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে একলাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুরের বারপাড়া এলাকায় অভিযানকালে এ জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘আরমান মসলার মিল’-এ অভিযানকালে ভালো মরিচের সঙ্গে নষ্ট মরিচ মেশানো, নিষিদ্ধ সিঁদুর রং ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুসারে একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় রং মেশানো মরিচের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে এবং নষ্ট ও পোকায় খাওয়া মরিচ ডোবায় ফেলে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি, মার্কেট কমিটিকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় দুর্গাপুর ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভালো মরিচের সঙ্গে নষ্ট মরিচ মেশানো, নিষিদ্ধ সিঁদুর রং ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার দায়ে ‘আরমান মসলার মিল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে একলাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুরের বারপাড়া এলাকায় অভিযানকালে এ জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘আরমান মসলার মিল’-এ অভিযানকালে ভালো মরিচের সঙ্গে নষ্ট মরিচ মেশানো, নিষিদ্ধ সিঁদুর রং ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুসারে একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় রং মেশানো মরিচের গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে এবং নষ্ট ও পোকায় খাওয়া মরিচ ডোবায় ফেলে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি, মার্কেট কমিটিকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ সময় দুর্গাপুর ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।