মোহাম্মদ শরীফ

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সেবা নিতে আসা এক প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে নির্বাচন কর্মকর্তার কক্ষে ওই প্রবাসীকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে কর্মকর্তারা বলছেন, ভুয়া কাগজ দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে আসা ওই যুবককে অরিজিনাল কাগজ নিয়ে আসতে বলায় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন তিনি। মারধরের শিকার যুবক রবিউল ইসলাম রবিন। তিনি আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবীর প্রয়াত আবদুল মান্নানের ছেলে।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলামের কক্ষে কয়েকজন কর্মচারী রবিউল ইসলামকে ঝাপটে ধরেছেন। কেউ কেউ আঘাত করছেন। একজন গলায় চেপে ধরেছেন। এতে শোরগোল তৈরি হয়। পরে তাঁকে কর্মচারীরা টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিউল অভিযোগ করেছেন, তাঁকে ভেতরে দরজা বন্ধ করে মারধর করা হয়। পরে দরজা খুলে বের করে দেওয়া হয়।
ঘটনা শুনে নির্বাচন কর্মকর্তার অফিসে যান স্থানীয় কিছু নেতাকর্মীরা। পরে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন তাঁরা। এছাড়া কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার পুলিশও এসে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।
আহত যুবক রবিউল ইসলাম রবিন বলেন তিনি একজন সৌদি প্রবাসী। তাঁর বোন সুমাইয়া আক্তার স্বপ্নার জাতীয় পরিচয়পত্র করতে বেশ কয়েকবার আসেন এই নির্বাচন অফিসে। প্রতিবারই তাঁকে নানা সমস্যা দেখিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। আজ (গতকাল) নির্বাচন অফিসের একজন কর্মচারী তাঁর কাছে ৩-৪ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। বলেছে, টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে। তিনি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানায় ও প্রতিবাদ করে। এতে তাঁকে মারধর করা হয়।
আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম বলেন, রবিউল ইসলাম যে কাগজ এনেছেন, সেবা দিতে তাতে ব্যাপক অসঙ্গতি আছে। রবিউলের বাবা দুই বিয়ে করেছেন, সেটি তিনি ওয়ারিশ সনদে লুকিয়েছেন। এছাড়া তাঁর বোন স্বপ্নার জন্ম ২০০২ সালে। কিন্তু তিনি সনদে দেখিয়েছেন ১৯৭৫ সালে। এটি সংশোধন করে নিয়ে আসতে বলি আমি। তিনি আমাকে গালাগালি করতে থাকেন এবং উত্তেজিত হয়ে ফোন ভিডিও ধারণ করতে থাকেন। বলেন, 'পায়ে ধরে তুই জাতীয় পরিচয়পত্র করে দিবি'। তার ভুল কাগজটি সংশোধন করতে আমি সাথে সাথে পাঁচথুবী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলি। তিনি বিষয়টি দেখে জানাবেন বলেছেন। কিন্তু রবিউল উত্তেজিত হয়ে গালিগালি করতে থাকলে ওনাকে শান্ত হতে বলি। কর্মচারীরা ওনাকে চেয়ারে বসতে বললে ওনি মুহুর্তে পরিস্থিতি উত্তেজিত করে তুলেন। যার কারনে ভিডিওতে উত্তেজিত চিত্র দেখতে পেয়েছেন। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেন, 'ভুয়া কাগজ দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে এসেছেন বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তবে কর্মকর্তার অফিসে এমন পরিস্থিতি কাম্য নয়। পুরো বিষয়টি আমরা খোঁজ নিচ্ছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সেবা নিতে আসা এক প্রবাসীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে নির্বাচন কর্মকর্তার কক্ষে ওই প্রবাসীকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে কর্মকর্তারা বলছেন, ভুয়া কাগজ দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে আসা ওই যুবককে অরিজিনাল কাগজ নিয়ে আসতে বলায় বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন তিনি। মারধরের শিকার যুবক রবিউল ইসলাম রবিন। তিনি আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবীর প্রয়াত আবদুল মান্নানের ছেলে।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলামের কক্ষে কয়েকজন কর্মচারী রবিউল ইসলামকে ঝাপটে ধরেছেন। কেউ কেউ আঘাত করছেন। একজন গলায় চেপে ধরেছেন। এতে শোরগোল তৈরি হয়। পরে তাঁকে কর্মচারীরা টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিউল অভিযোগ করেছেন, তাঁকে ভেতরে দরজা বন্ধ করে মারধর করা হয়। পরে দরজা খুলে বের করে দেওয়া হয়।
ঘটনা শুনে নির্বাচন কর্মকর্তার অফিসে যান স্থানীয় কিছু নেতাকর্মীরা। পরে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন তাঁরা। এছাড়া কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার পুলিশও এসে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।
আহত যুবক রবিউল ইসলাম রবিন বলেন তিনি একজন সৌদি প্রবাসী। তাঁর বোন সুমাইয়া আক্তার স্বপ্নার জাতীয় পরিচয়পত্র করতে বেশ কয়েকবার আসেন এই নির্বাচন অফিসে। প্রতিবারই তাঁকে নানা সমস্যা দেখিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। আজ (গতকাল) নির্বাচন অফিসের একজন কর্মচারী তাঁর কাছে ৩-৪ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। বলেছে, টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে। তিনি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানায় ও প্রতিবাদ করে। এতে তাঁকে মারধর করা হয়।
আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম বলেন, রবিউল ইসলাম যে কাগজ এনেছেন, সেবা দিতে তাতে ব্যাপক অসঙ্গতি আছে। রবিউলের বাবা দুই বিয়ে করেছেন, সেটি তিনি ওয়ারিশ সনদে লুকিয়েছেন। এছাড়া তাঁর বোন স্বপ্নার জন্ম ২০০২ সালে। কিন্তু তিনি সনদে দেখিয়েছেন ১৯৭৫ সালে। এটি সংশোধন করে নিয়ে আসতে বলি আমি। তিনি আমাকে গালাগালি করতে থাকেন এবং উত্তেজিত হয়ে ফোন ভিডিও ধারণ করতে থাকেন। বলেন, 'পায়ে ধরে তুই জাতীয় পরিচয়পত্র করে দিবি'। তার ভুল কাগজটি সংশোধন করতে আমি সাথে সাথে পাঁচথুবী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলি। তিনি বিষয়টি দেখে জানাবেন বলেছেন। কিন্তু রবিউল উত্তেজিত হয়ে গালিগালি করতে থাকলে ওনাকে শান্ত হতে বলি। কর্মচারীরা ওনাকে চেয়ারে বসতে বললে ওনি মুহুর্তে পরিস্থিতি উত্তেজিত করে তুলেন। যার কারনে ভিডিওতে উত্তেজিত চিত্র দেখতে পেয়েছেন। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেন, 'ভুয়া কাগজ দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে এসেছেন বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তবে কর্মকর্তার অফিসে এমন পরিস্থিতি কাম্য নয়। পুরো বিষয়টি আমরা খোঁজ নিচ্ছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।