নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ছিনতাইবিরোধী অভিযানে ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় জেলা ও ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান পরিচালনা করে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন স্থানে এবং প্রতিটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে। সেসব স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে পুলিশের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ১৪০ জনকে মুচলেকায় জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।
এই পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ৪ নভেম্বর (গতকাল বুধবার) পর্যন্ত ছয় হাজার ৮৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে। যার মধ্যে মুচলেকায় তিন হাজার ৯৬৪ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় এবং দুই হাজার ৮৯৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ছিনতাইবিরোধী অভিযানে ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় জেলা ও ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান পরিচালনা করে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন স্থানে এবং প্রতিটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে। সেসব স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে পুলিশের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে ২৯৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং ১৪০ জনকে মুচলেকায় জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।
এই পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ৪ নভেম্বর (গতকাল বুধবার) পর্যন্ত ছয় হাজার ৮৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে। যার মধ্যে মুচলেকায় তিন হাজার ৯৬৪ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় এবং দুই হাজার ৮৯৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।