নিজস্ব প্রতিবেদক

কেনাকাটার টাকা ভাগাভাগিতে অভিযে-াগ উঠা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে এবার অধ্যক্ষ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব দুর-রে-শাহনেওয়াজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে পদায়নকৃত
কর্মস্থলে যোগদানের শর্ত দেওয়া হয় ড্যাবের অন্তত ১০ জন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রতি পদে পদে অনিয়ম, দুর্নীতি, নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান এখন অধ্যক্ষ হয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য, সরকারের একজন মন্ত্রী ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় এক নেতার ছত্রচ্ছায়ায় মাসুম বর্তমান অধ্যক্ষকে সরিয়ে নিজে অধ্যক্ষ হন। তাঁর অধ্যক্ষ হওয়ার কথা ছিল আরও আগে। কিন্তু ড্যাবের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের ব্যথার কারণে অধ্যক্ষ হতে তাঁর বিলম্ব হয়। মাসুম হাছানের বিরুদ্ধে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠে।
এতে মাসুম হাছান সোয়া দুই কোটি টাকা ভাগাভাগি করেন বলে ড্যাবের কুমিল্লা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. আরিফ হায়নার অভিযোগ করেন। ডা. মাসুম হাছানের সামনেই ড্যাবের সভায় প্রকাশ্যে আরিফ হায়দার পদায়নকৃত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে টাকা ভাগাভাগির বিশদ বর্ণনা দেন। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি এর সত্যতাও পায়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মাসুম হাছানের বিরুদ্ধে। উল্টো তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ করা হয়।
এর আগে গত জুন মাসে নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করা হয় মাসুম হাহানকে। ২১ সদস্যবিশিষ্ট হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে তাঁর নাম সাত নম্বরে রয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে নীতিমালায় বলা আছে, অধ্যাপক/কনসালটেন্টদের ছারা নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হবেন। কিন্তু তখন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ও কনসালটেন্টের নির্বাচন ছাড়া মাসুম হাছানের নাম কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তাঁর চেয়ে কলেজে তখন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ছিলেন ১৭ জন। সহযোগী অধ্যাপক আছেন ২৩ জন। ৪০ জনকে ডিভিয়ে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ২৫ তম ব্যাচের মাসুমকে কমিটিতে সদস্য করা হয়।
জানা গেছে, গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আমার শহরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সোয়া দুই কোটি টাকা ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে ভাগাভাগি করা হয় বলে ড্যাবের নেতারা জানিয়েছেন।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ড্যাব কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও কলেজ শাখার কমিটি স্থগিত করে। এ নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। ড্যাবের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ড্যাবের জেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে কেনাকাটার কাজের ভাগাভাগিতে জড়িত ছিলেন। মাসুম হাছানের সামনেই রাজসাক্ষী দিয়েছেন মহানগর ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. আরিফ হায়দার। ব্যক্তি মাসুমের অনিয়মের কারণেই কুমিল্লায় ড্যাবের তিনটি শাখার কমিটি এখনো স্থগিত রয়েছে। ড্যাব কমিটি স্থগিত করে তাঁকে তিরস্কার করলেও, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাঁকে অধ্যক্ষ করে পুরস্কার দেয়।
ড্যাবের অন্তত পাঁচজন সদস্য জানান, ডা. মাসুমের বিরুদ্ধে সবার আগে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করারও দাবি জানান।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম ও টাকা ভাগাভািগিতে জড়িত থাকায় মাসুমের ড্যাবের জেলা সভাপতির পদও তখন ভূগিত করে কেন্দ্রীয় ড্যাব। এরপর ড্যাব তাঁকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তবর্তী সরকারের সময়ে তদন্ত কমিটি হয়। কমিটি অনিয়মের সত্যতা পায়।
এদিকে গত ২৫ মে দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। ওই সময়ে একজন টেলিভিশন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজকে ওএসডি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান সরকার কোন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে না। কিন্তু অনিয়ে মর অভিযোগ উঠা ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকেই অধ্যক্ষ করা হয়।
তবে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

কেনাকাটার টাকা ভাগাভাগিতে অভিযে-াগ উঠা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকে এবার অধ্যক্ষ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব দুর-রে-শাহনেওয়াজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে পদায়নকৃত
কর্মস্থলে যোগদানের শর্ত দেওয়া হয় ড্যাবের অন্তত ১০ জন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রতি পদে পদে অনিয়ম, দুর্নীতি, নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান এখন অধ্যক্ষ হয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য, সরকারের একজন মন্ত্রী ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় এক নেতার ছত্রচ্ছায়ায় মাসুম বর্তমান অধ্যক্ষকে সরিয়ে নিজে অধ্যক্ষ হন। তাঁর অধ্যক্ষ হওয়ার কথা ছিল আরও আগে। কিন্তু ড্যাবের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের ব্যথার কারণে অধ্যক্ষ হতে তাঁর বিলম্ব হয়। মাসুম হাছানের বিরুদ্ধে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ উঠে।
এতে মাসুম হাছান সোয়া দুই কোটি টাকা ভাগাভাগি করেন বলে ড্যাবের কুমিল্লা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. আরিফ হায়নার অভিযোগ করেন। ডা. মাসুম হাছানের সামনেই ড্যাবের সভায় প্রকাশ্যে আরিফ হায়দার পদায়নকৃত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে টাকা ভাগাভাগির বিশদ বর্ণনা দেন। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি এর সত্যতাও পায়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মাসুম হাছানের বিরুদ্ধে। উল্টো তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ করা হয়।
এর আগে গত জুন মাসে নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য করা হয় মাসুম হাহানকে। ২১ সদস্যবিশিষ্ট হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে তাঁর নাম সাত নম্বরে রয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে নীতিমালায় বলা আছে, অধ্যাপক/কনসালটেন্টদের ছারা নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হবেন। কিন্তু তখন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ও কনসালটেন্টের নির্বাচন ছাড়া মাসুম হাছানের নাম কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তাঁর চেয়ে কলেজে তখন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ছিলেন ১৭ জন। সহযোগী অধ্যাপক আছেন ২৩ জন। ৪০ জনকে ডিভিয়ে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ২৫ তম ব্যাচের মাসুমকে কমিটিতে সদস্য করা হয়।
জানা গেছে, গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আমার শহরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে সোয়া দুই কোটি টাকা ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে ভাগাভাগি করা হয় বলে ড্যাবের নেতারা জানিয়েছেন।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ড্যাব কুমিল্লা জেলা, মহানগর ও কলেজ শাখার কমিটি স্থগিত করে। এ নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। ড্যাবের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান ড্যাবের জেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে কেনাকাটার কাজের ভাগাভাগিতে জড়িত ছিলেন। মাসুম হাছানের সামনেই রাজসাক্ষী দিয়েছেন মহানগর ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. আরিফ হায়দার। ব্যক্তি মাসুমের অনিয়মের কারণেই কুমিল্লায় ড্যাবের তিনটি শাখার কমিটি এখনো স্থগিত রয়েছে। ড্যাব কমিটি স্থগিত করে তাঁকে তিরস্কার করলেও, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাঁকে অধ্যক্ষ করে পুরস্কার দেয়।
ড্যাবের অন্তত পাঁচজন সদস্য জানান, ডা. মাসুমের বিরুদ্ধে সবার আগে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করারও দাবি জানান।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম ও টাকা ভাগাভািগিতে জড়িত থাকায় মাসুমের ড্যাবের জেলা সভাপতির পদও তখন ভূগিত করে কেন্দ্রীয় ড্যাব। এরপর ড্যাব তাঁকে ঢাকায় ডেকে নিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তবর্তী সরকারের সময়ে তদন্ত কমিটি হয়। কমিটি অনিয়মের সত্যতা পায়।
এদিকে গত ২৫ মে দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। ওই সময়ে একজন টেলিভিশন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মাসুদ পারভেজকে ওএসডি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান সরকার কোন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবে না। কিন্তু অনিয়ে মর অভিযোগ উঠা ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছানকেই অধ্যক্ষ করা হয়।
তবে ডা. মোহাম্মদ মাসুম হাছান শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।