নিজস্ব প্রতিবেদক

'হ্যাচা কথাডা কই, এই যে আপনাদের লগে আগে কতো কাছের থাইক্যা কতা কইতে পারতাম, অহন আঁই কাছে যাইতাম পারি না। পুলিশ, ডিবি কিতা কিতা লাইগ্যা থাহে। আপনাদের কাছেও ভিড়তে পারি না। আমার কিন্তু ভাল্লাগেনাও। এইডা (স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় মাথায় দেওয়া ফাতলা) পাইলাম একজনে দিলো, আমি খামারে যাবো, রোদ ডার তুন বাঁচতে অইব।'
গতকাল শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা বিবিরবাজার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'শেষ পর্যন্ত বলে দেই, আমি ইয়াছিন মন্ত্রী হই আর যা-ই হই, আমি ইয়াছিন আপনাদের ইয়াছিন ভাই ছিলাম। আমি ইয়াছিন আপনাদের ইয়াছিন ভাই আছি। ইনশাআল্লাহ মৃত্যু পর্যন্ত আমি ইয়াছিন আপনাদের ইয়াছিন ভাই-ই।' এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁর আঞ্চলিক বক্তৃতা শুনে করতালি দেন।

'হ্যাচা কথাডা কই, এই যে আপনাদের লগে আগে কতো কাছের থাইক্যা কতা কইতে পারতাম, অহন আঁই কাছে যাইতাম পারি না। পুলিশ, ডিবি কিতা কিতা লাইগ্যা থাহে। আপনাদের কাছেও ভিড়তে পারি না। আমার কিন্তু ভাল্লাগেনাও। এইডা (স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় মাথায় দেওয়া ফাতলা) পাইলাম একজনে দিলো, আমি খামারে যাবো, রোদ ডার তুন বাঁচতে অইব।'
গতকাল শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা বিবিরবাজার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'শেষ পর্যন্ত বলে দেই, আমি ইয়াছিন মন্ত্রী হই আর যা-ই হই, আমি ইয়াছিন আপনাদের ইয়াছিন ভাই ছিলাম। আমি ইয়াছিন আপনাদের ইয়াছিন ভাই আছি। ইনশাআল্লাহ মৃত্যু পর্যন্ত আমি ইয়াছিন আপনাদের ইয়াছিন ভাই-ই।' এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁর আঞ্চলিক বক্তৃতা শুনে করতালি দেন।