সোহানা শারমিন

সাড়ে তিন বছর পর আবারও প্রধান শিক্ষিকা পদে নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ফিরেছেন রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। আজ মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় তিনি বিদ্যালয়ে আসেন।
এরপর এ বিদ্যালয়ের বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের রেওয়াজ মোতাবেক, গার্ল গাইডের সদস্যরা বিদ্যালয় ফটকে তাঁকে সালাম দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় ছাত্রীরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, ফুল ছিটিয়ে তাঁকে বরণ করে প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে পৌঁছে দেন।

পরে বিদ্যালয়ের প্রভাতি ও দিবা শাখার শিক্ষকদের নিয়ে সম্মেলন কক্ষে বৈঠক করেন।
বৈঠকে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন, নিয়মিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সবাইকে কাজ করার আহবান জানান।
কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষীপুর অঞ্চলের একমাত্র নারী প্রধান শিক্ষক তিনি। ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দ এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়।
রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার ২০০৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। এর আগে ২০০৫ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির তিনজন ছাত্রী বলেন, সাড়ে তিন বছর পর তিনি ফিরেছেন। তখন আমরা ক্লাস সিক্সে ছিলাম। তিনি আপোষহীন প্রধান শিক্ষিকা। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন না। ভেতরে বাইরে এক তিনি। সরাসরি কথা বলেন। মাতৃস্নেহে পড়ান। তাঁকে ফিরে পেয়ে আমরা ধন্য।
এর আগে গত ২৮ জুলাই তাঁকে কুমিল্লার গভর্মেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল থেকে বদলি করা হয় নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার বলেন, সবাইকে নিয়ে বিদ্যালয়কে সাজাব।

সাড়ে তিন বছর পর আবারও প্রধান শিক্ষিকা পদে নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ফিরেছেন রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার। আজ মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় তিনি বিদ্যালয়ে আসেন।
এরপর এ বিদ্যালয়ের বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানের রেওয়াজ মোতাবেক, গার্ল গাইডের সদস্যরা বিদ্যালয় ফটকে তাঁকে সালাম দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় ছাত্রীরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে, ফুল ছিটিয়ে তাঁকে বরণ করে প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে পৌঁছে দেন।

পরে বিদ্যালয়ের প্রভাতি ও দিবা শাখার শিক্ষকদের নিয়ে সম্মেলন কক্ষে বৈঠক করেন।
বৈঠকে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন, নিয়মিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সবাইকে কাজ করার আহবান জানান।
কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষীপুর অঞ্চলের একমাত্র নারী প্রধান শিক্ষক তিনি। ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দ এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়।
রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার ২০০৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। এর আগে ২০০৫ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি এ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির তিনজন ছাত্রী বলেন, সাড়ে তিন বছর পর তিনি ফিরেছেন। তখন আমরা ক্লাস সিক্সে ছিলাম। তিনি আপোষহীন প্রধান শিক্ষিকা। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন না। ভেতরে বাইরে এক তিনি। সরাসরি কথা বলেন। মাতৃস্নেহে পড়ান। তাঁকে ফিরে পেয়ে আমরা ধন্য।
এর আগে গত ২৮ জুলাই তাঁকে কুমিল্লার গভর্মেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল থেকে বদলি করা হয় নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার বলেন, সবাইকে নিয়ে বিদ্যালয়কে সাজাব।