নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি এখন তাদের কাছ থেকে যুদ্ধের দীক্ষা নিতে হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখের।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মারক উৎসবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশ গড়ার প্রশ্নে বলতে চাই আরেকটু ধৈর্য ধরতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের যুগের মানুষ নয়, তিনি তোমাদেরই যুগের। তোমাদের ব্যথা তিনি বুঝেন। তিনি নিজেই নির্যাতিত, নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাঁর মা নির্যাতিত ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে আমরা ততোটাই বিশ্বাস করি যতোটা বিশ্বাস করি কালিমা তাইয়্যবোকে। তোমরা ধৈর্য ধারন করো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখো। তারেক রহমানের হাতে এদেশ পথ হারাবে না। দলে যোগ দিতে হবে না, দেশের প্রশ্নে, স্বাধীনতার প্রশ্নে তোমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে থেকো।

তিনি আরও বলেন, দেশ যেখানে, মানুষ যেখানে, মুক্তি যেখানে- আমি সেখানে। তোমরা মেধাবী, সুবক্তা, আমরা অতটা মেধাবী ও সুবক্তা না। তোমাদের নেতৃত্বে থাকলে এদেশ সঠিক নেতৃত্বে থাকবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, দেশ বাঁচানোর পাশাপাশি আসো সবাই কুমিল্লাকে বাঁচাই। কুমিল্লা পচে গেছে। আমি যাত্রা শরু করেছি। কিছুটা সফলতার পথে আছি। তার কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সব্যসাচী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। সবার আগে বাংলাদেশ, আমার কাছে সবার কাছে সবার আগে বাংলাদেশের পাশাপাশি সবার আগে কুমিল্লা।
‘জুলাই ৩৫ শে কুমিল্লার’ আয়োজনে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে তিনি বলেন, যারা শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিতে জীবন দিয়েছে, চোখ হারিয়েছে, যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাদের আজ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
গণতান্ত্রিক কোন দেশে এমন কোন নজির নাই যেখানে ১ মাসে কোন শাসক হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে, হাজার হাজার মানুষকে পঙ্গুত্ব বরণ করিয়েছিলো। খুনি হাসিনা তাই করেছে। এক বর্বর বাংলাদেশ থেকে আপনাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ নতুন বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান সবান আগে বাংলাদেশ। আমি বলি সবার আগে বাংলাদেশের পাশাপাশি, সবার আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সবার আগে মুক্তিযুদ্ধ, সবার আগে জুলাই শহীদদের স্মরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লার শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীরা বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে। ১১ জুলাই সর্বপ্রথম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর নির্মমভাবে হামলা করেছে। কুমিল্লা যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে লড়াই করে।
আমাদের নানা মত, নানা আদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু শেখ হাসিনার প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে আমরা এক ও অভিন্ন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মো. আখতার হোসাইন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দীন, শহীদ হামিদুর রহমান সাদমানের মা কাজী শারমিন, শহীদ মাসুমের পিতা শাহীন মিয়া। ছাত্রশক্তি কুমিল্লা মহানগের আহ্বায়ক মোস্তাফা জিহান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়র আহ্বায়ক নাঈম ভুঁইয়া, সমন্বয়ক ত্বোহা আলমসহ নেতা-কর্মী।

কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি এখন তাদের কাছ থেকে যুদ্ধের দীক্ষা নিতে হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখের।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মারক উৎসবের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশ গড়ার প্রশ্নে বলতে চাই আরেকটু ধৈর্য ধরতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের যুগের মানুষ নয়, তিনি তোমাদেরই যুগের। তোমাদের ব্যথা তিনি বুঝেন। তিনি নিজেই নির্যাতিত, নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাঁর মা নির্যাতিত ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে আমরা ততোটাই বিশ্বাস করি যতোটা বিশ্বাস করি কালিমা তাইয়্যবোকে। তোমরা ধৈর্য ধারন করো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখো। তারেক রহমানের হাতে এদেশ পথ হারাবে না। দলে যোগ দিতে হবে না, দেশের প্রশ্নে, স্বাধীনতার প্রশ্নে তোমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে থেকো।

তিনি আরও বলেন, দেশ যেখানে, মানুষ যেখানে, মুক্তি যেখানে- আমি সেখানে। তোমরা মেধাবী, সুবক্তা, আমরা অতটা মেধাবী ও সুবক্তা না। তোমাদের নেতৃত্বে থাকলে এদেশ সঠিক নেতৃত্বে থাকবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, দেশ বাঁচানোর পাশাপাশি আসো সবাই কুমিল্লাকে বাঁচাই। কুমিল্লা পচে গেছে। আমি যাত্রা শরু করেছি। কিছুটা সফলতার পথে আছি। তার কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সব্যসাচী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। সবার আগে বাংলাদেশ, আমার কাছে সবার কাছে সবার আগে বাংলাদেশের পাশাপাশি সবার আগে কুমিল্লা।
‘জুলাই ৩৫ শে কুমিল্লার’ আয়োজনে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান।
বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে তিনি বলেন, যারা শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিতে জীবন দিয়েছে, চোখ হারিয়েছে, যারা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাদের আজ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
গণতান্ত্রিক কোন দেশে এমন কোন নজির নাই যেখানে ১ মাসে কোন শাসক হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে, হাজার হাজার মানুষকে পঙ্গুত্ব বরণ করিয়েছিলো। খুনি হাসিনা তাই করেছে। এক বর্বর বাংলাদেশ থেকে আপনাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ নতুন বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান সবান আগে বাংলাদেশ। আমি বলি সবার আগে বাংলাদেশের পাশাপাশি, সবার আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সবার আগে মুক্তিযুদ্ধ, সবার আগে জুলাই শহীদদের স্মরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লার শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীরা বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে। ১১ জুলাই সর্বপ্রথম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর নির্মমভাবে হামলা করেছে। কুমিল্লা যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে লড়াই করে।
আমাদের নানা মত, নানা আদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু শেখ হাসিনার প্রশ্ন, আওয়ামী লীগের প্রশ্নে আমরা এক ও অভিন্ন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মো. আখতার হোসাইন, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দীন, শহীদ হামিদুর রহমান সাদমানের মা কাজী শারমিন, শহীদ মাসুমের পিতা শাহীন মিয়া। ছাত্রশক্তি কুমিল্লা মহানগের আহ্বায়ক মোস্তাফা জিহান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়র আহ্বায়ক নাঈম ভুঁইয়া, সমন্বয়ক ত্বোহা আলমসহ নেতা-কর্মী।