• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা
> আদর্শ সদর

২০ বছর পর জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২০: ৫৭
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২০: ৫৯
logo

২০ বছর পর জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২০: ৫৭
Photo

কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি আলোচিত মামলার প্রায় ২০ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে দুই আসামিকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুন নেছা এ রায় ঘোষণা করেন। কুমিল্লা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. ছাদেকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নওগাঁ জেলার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুর থানার চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানী।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের মার্চে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন বিষ্ণুপুর এলাকায় র‌্যাব-৭ এর একটি অভিযান পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং বোমা তৈরিতে ব্যবহারের অভিযোগে বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধারের কথা মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, র‌্যাবের তৎকালীন কর্মকর্তা ও সদস্যরা বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। তল্লাশির সময় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ উদ্ধারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রিক ডেটোনেটর, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক তার, সার্কিট, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, টেস্ট টিউবসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দের কথা বলা হয়েছে।

মামলার নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, তৎকালীন র‌্যাবের হেফাজতে থাকা শায়খ আবদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় আদালত মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ দুরুল হুদাকে প্রত্যেককে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রিজন ভ্যানযোগে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

Thumbnail image

কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি আলোচিত মামলার প্রায় ২০ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে দুই আসামিকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক নারী আসামিকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুন নেছা এ রায় ঘোষণা করেন। কুমিল্লা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. ছাদেকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নওগাঁ জেলার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু ওরফে সামাদ ওরফে রাজীব এবং গাজীপুরের শ্রীপুর থানার চকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানী।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের মার্চে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন বিষ্ণুপুর এলাকায় র‌্যাব-৭ এর একটি অভিযান পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং বোমা তৈরিতে ব্যবহারের অভিযোগে বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধারের কথা মামলার এজাহার ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, র‌্যাবের তৎকালীন কর্মকর্তা ও সদস্যরা বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। তল্লাশির সময় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ উদ্ধারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রিক ডেটোনেটর, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক তার, সার্কিট, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, টেস্ট টিউবসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দের কথা বলা হয়েছে।

মামলার নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, তৎকালীন র‌্যাবের হেফাজতে থাকা শায়খ আবদুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষ্ণুপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় আদালত মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ দুরুল হুদাকে প্রত্যেককে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে দুরুল হুদার স্ত্রী খালেদা আক্তার রানীকে ৮ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রিজন ভ্যানযোগে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

বরুড়ায় রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন ইউএনও

২

২০ বছর পর জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

৩

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে সেমিনার

৪

দাখিল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫

দেবীদ্বারে ৭ মাদক সেবীকে মোবাইল কোর্টে সাজা

সম্পর্কিত

বরুড়ায় রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন ইউএনও

বরুড়ায় রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন ইউএনও

১৭ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে সেমিনার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে সেমিনার

১৯ ঘণ্টা আগে
দাখিল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দাখিল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৯ ঘণ্টা আগে
দেবীদ্বারে ৭ মাদক সেবীকে মোবাইল কোর্টে সাজা

দেবীদ্বারে ৭ মাদক সেবীকে মোবাইল কোর্টে সাজা

১৯ ঘণ্টা আগে