বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে আজ বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সায়াদুর রহমান।
সেমিনারে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণা একে অপরের সঙ্গে জড়িত। আমাদের শিক্ষকরা যোগ্যতাসম্পন্ন হলেও শিক্ষক সংকটের কারণে গবেষণায় পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না। অনেক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককে একসঙ্গে পাঁচ-ছয়টি কোর্স নিতে হচ্ছে। এতে গবেষণার জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই শিক্ষক সংকটের এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণা নিশ্চিত করতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ৪২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্প-একাডেমিয়া বৈঠক করেছে এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেগুলোর সমাধানে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের সমস্যা ও শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে গবেষণায় সম্পৃক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, যোগ্য ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষকদের অন্যতম দায়িত্ব। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় শুধু গতানুগতিক পড়াশোনা করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যথেষ্ট নয়। কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে আজ বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সায়াদুর রহমান।
সেমিনারে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণা একে অপরের সঙ্গে জড়িত। আমাদের শিক্ষকরা যোগ্যতাসম্পন্ন হলেও শিক্ষক সংকটের কারণে গবেষণায় পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না। অনেক বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককে একসঙ্গে পাঁচ-ছয়টি কোর্স নিতে হচ্ছে। এতে গবেষণার জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই শিক্ষক সংকটের এই সমস্যার সমাধান করতে হবে এবং মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণা নিশ্চিত করতে হবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ৪২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্প-একাডেমিয়া বৈঠক করেছে এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেগুলোর সমাধানে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের সমস্যা ও শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে গবেষণায় সম্পৃক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে মানসম্মত শিক্ষাদান ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, যোগ্য ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই শিক্ষকদের অন্যতম দায়িত্ব। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় শুধু গতানুগতিক পড়াশোনা করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যথেষ্ট নয়। কর্মক্ষেত্রের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।’