কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কাজী নজরুল হল
মোহাম্মদ শরীফ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ কাজী নজরুল হলের ছাদের পলেস্তরা খসে শিক্ষার্থীর মশারির ওপর পড়ার ঘটনা ঘটেছে । মশারি থাকায় আঘাত থেকে বেঁচে যান ওই শিক্ষার্থী। গত রোববার রাত আড়াইটার দিকে হলের তৃতীয় তলায় ৩৪৫ নম্বর কক্ষে ওই ঘটনা ঘটে। সে কক্ষে থাকা শিক্ষার্থী ছিলেন মেহরাব হোসেন আলিফ।
এ ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে হলের শিক্ষার্থীদের মাঝে। নজরুল হলে ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ওমর ফারুক মানিক বলেন, ‘কাজী নজরুল হলের এই চিত্র সত্যিই উদ্বেগজনক। আবাসিক হলের এমন ভাঙাচোরা অবস্থা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবন যাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। আমাদের স্পষ্ট দাবি, কাজী নজরুল ইসলাম হলের সার্বিক অবস্থা দ্রুত পরিদর্শন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার ভূঁইয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা সকালেই পরিদর্শনে গিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীর খোঁজ নিয়েছি। এটি দেওয়ালের পাশে হওয়ার কারণে সরাসরি শিক্ষার্থীর ওপর পড়ে নাই। এখানে কাজ করেছি আমরা কিছুদিন আগে। একটা জায়গাতে সমস্যা পেয়েছি। এটি কাজ করার জন্য বলে দিয়েছি। আগামীকাল (আজ) এই কাজ শুরু করা হবে। কাজী নজরুল হলটি সম্পূর্ণ সংস্কারের জন্য আমরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাহিদা পাঠিয়েছি।
প্রসঙ্গত, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠা হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি শাখার কাজী নজরুল হলটি। এর কয়েক বছর পর থেকে সংস্কারের অভাবে নানা সংকটে ভুগতে থাকা হলটি। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি কক্ষে ফাটল ধরেছে। এর আগেও হলটিতে একাধিকবার পলেস্তরা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। কোনোবারই হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও যেকোনো মুহূর্তে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে শিক্ষার্থীরা।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ কাজী নজরুল হলের ছাদের পলেস্তরা খসে শিক্ষার্থীর মশারির ওপর পড়ার ঘটনা ঘটেছে । মশারি থাকায় আঘাত থেকে বেঁচে যান ওই শিক্ষার্থী। গত রোববার রাত আড়াইটার দিকে হলের তৃতীয় তলায় ৩৪৫ নম্বর কক্ষে ওই ঘটনা ঘটে। সে কক্ষে থাকা শিক্ষার্থী ছিলেন মেহরাব হোসেন আলিফ।
এ ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে হলের শিক্ষার্থীদের মাঝে। নজরুল হলে ছাদের পলেস্তরা খসে পড়ার ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ওমর ফারুক মানিক বলেন, ‘কাজী নজরুল হলের এই চিত্র সত্যিই উদ্বেগজনক। আবাসিক হলের এমন ভাঙাচোরা অবস্থা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবন যাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়। আমাদের স্পষ্ট দাবি, কাজী নজরুল ইসলাম হলের সার্বিক অবস্থা দ্রুত পরিদর্শন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার ভূঁইয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা সকালেই পরিদর্শনে গিয়েছি। ওই শিক্ষার্থীর খোঁজ নিয়েছি। এটি দেওয়ালের পাশে হওয়ার কারণে সরাসরি শিক্ষার্থীর ওপর পড়ে নাই। এখানে কাজ করেছি আমরা কিছুদিন আগে। একটা জায়গাতে সমস্যা পেয়েছি। এটি কাজ করার জন্য বলে দিয়েছি। আগামীকাল (আজ) এই কাজ শুরু করা হবে। কাজী নজরুল হলটি সম্পূর্ণ সংস্কারের জন্য আমরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাহিদা পাঠিয়েছি।
প্রসঙ্গত, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠা হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি শাখার কাজী নজরুল হলটি। এর কয়েক বছর পর থেকে সংস্কারের অভাবে নানা সংকটে ভুগতে থাকা হলটি। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি কক্ষে ফাটল ধরেছে। এর আগেও হলটিতে একাধিকবার পলেস্তরা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। কোনোবারই হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও যেকোনো মুহূর্তে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে শিক্ষার্থীরা।