দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌরসভার ভোষনা গ্রামে বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে হামলা, মামলার অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে ও একই ঘটনায় প্রতিপক্ষের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
আজ সকাল সাড়ে ১০টায় দেবীদ্বার নিউ মার্কেট এলাকার স্বাধীনতা স্তম্ভের পাদদেশে ভুক্তভোগী পরিবার ও ভোষনা গ্রামবাসীর আয়োজনে ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাজী লোকমান, মো. আউয়াল খাঁন, মোঃ শাহজালাল, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ভুক্তভোগী পরিবারের আব্দুল আজিজ, আহতের স্ত্রী শাহিনা বেগম, কামরুল হাসান প্রমুখ।
জানা গেছে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভোষনা গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে মো. শুভ (১৮) মাছ ধরছিলেন। এ সময় ওই বাড়ির প্রয়াত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ট্রাক্টর চালক নবী নেওয়াজ(৩৮) মাছ ধরতে যায় , এসময় শুভ ও নবী নেওয়াজের মধ্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
একইদিন বিকেলে নবী নেওয়াজ ৬টি সিএনজি যোগে অন্তত ৩০ জন বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে শুভদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর কুপিয়ে ভাঙচুর করে। শুভদের পরিবারের লোকদের বেধরক কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে শুভ (১৮) ও তাঁর পিতা আক্তার হোসেন (৩৮)কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং ৩ টি দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। তাছাড়া শুভ'র মা শাহিনা বেগম ও তার প্রতিবন্ধী বোনকেও বেধরক মারধর করে।
মানববন্ধনে গুরুতর আহত আক্তার হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম বলেন, সন্ত্রাসীদের বাবা বলে, হাতে পায়ে ধরেও প্রাণ ভিক্ষা চেয়েও রক্ষা পায়নি। এদিকে গ্রামবাসী খবর পেয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে। পরে উপজেলার ধামতী গ্রামের আব্দুল কাদের নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করে রাখে। সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক সন্ত্রাসী আ. কাদের(৪০)কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঘটনার পর দিন ২১ সেপ্টেম্বর আহত আক্তারের ছোট ভাই আল আমিন বাদী হয়ে নবী নেওয়াজ ও হামলাকারীদের নেতা আব্দুল কাদেরসহ ৬জনকে এজহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা অনেককে দেখিয়ে থানায় মামলা করেন।
অপরদিকে অভিযুক্ত নবী নেওয়াজও তাকে মারধরের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র থানায় দায়ের করেন।
গত ৬ অক্টোবর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা অজয় চক্রবর্তী মামলা তদন্তে ভূষণা গ্রামে যান। সেখানে আসামির বাড়িতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে। তাদের পক্ষ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি ধমকি ও বয়স হলে দাঁত এমনি পরে যায় বলে। উচ্চস্বরে কথা বললে বাদীর মা’ হাসনা বেগম ছেলেকে গ্রেপ্তারের ভয়ে স্ট্রোক করে, ৩দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, মাছ ধরা নিয়ে হাতাহাতি ও বাকবিতন্ডায় বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে একটি দরিদ্র পরিবারকে মারধর, হামলা ও ঘরবাড়ি ভাংচুর এবং লুটপাট করে নিঃস্ব করে দিয়েছে নবী নেওয়াজ ও তাহার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা।
এবিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার এজাহার ওনারা লিখে এনেছেন। আমরা মামলা রেকর্ড পূর্বক আসামি আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছি।

কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌরসভার ভোষনা গ্রামে বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে হামলা, মামলার অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে ও একই ঘটনায় প্রতিপক্ষের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
আজ সকাল সাড়ে ১০টায় দেবীদ্বার নিউ মার্কেট এলাকার স্বাধীনতা স্তম্ভের পাদদেশে ভুক্তভোগী পরিবার ও ভোষনা গ্রামবাসীর আয়োজনে ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাজী লোকমান, মো. আউয়াল খাঁন, মোঃ শাহজালাল, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ভুক্তভোগী পরিবারের আব্দুল আজিজ, আহতের স্ত্রী শাহিনা বেগম, কামরুল হাসান প্রমুখ।
জানা গেছে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ভোষনা গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে মো. শুভ (১৮) মাছ ধরছিলেন। এ সময় ওই বাড়ির প্রয়াত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ট্রাক্টর চালক নবী নেওয়াজ(৩৮) মাছ ধরতে যায় , এসময় শুভ ও নবী নেওয়াজের মধ্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
একইদিন বিকেলে নবী নেওয়াজ ৬টি সিএনজি যোগে অন্তত ৩০ জন বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে শুভদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর কুপিয়ে ভাঙচুর করে। শুভদের পরিবারের লোকদের বেধরক কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে শুভ (১৮) ও তাঁর পিতা আক্তার হোসেন (৩৮)কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং ৩ টি দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। তাছাড়া শুভ'র মা শাহিনা বেগম ও তার প্রতিবন্ধী বোনকেও বেধরক মারধর করে।
মানববন্ধনে গুরুতর আহত আক্তার হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম বলেন, সন্ত্রাসীদের বাবা বলে, হাতে পায়ে ধরেও প্রাণ ভিক্ষা চেয়েও রক্ষা পায়নি। এদিকে গ্রামবাসী খবর পেয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে। পরে উপজেলার ধামতী গ্রামের আব্দুল কাদের নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করে রাখে। সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আটক সন্ত্রাসী আ. কাদের(৪০)কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
ঘটনার পর দিন ২১ সেপ্টেম্বর আহত আক্তারের ছোট ভাই আল আমিন বাদী হয়ে নবী নেওয়াজ ও হামলাকারীদের নেতা আব্দুল কাদেরসহ ৬জনকে এজহার নামীয় ও অজ্ঞাতনামা অনেককে দেখিয়ে থানায় মামলা করেন।
অপরদিকে অভিযুক্ত নবী নেওয়াজও তাকে মারধরের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র থানায় দায়ের করেন।
গত ৬ অক্টোবর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা অজয় চক্রবর্তী মামলা তদন্তে ভূষণা গ্রামে যান। সেখানে আসামির বাড়িতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে। তাদের পক্ষ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি ধমকি ও বয়স হলে দাঁত এমনি পরে যায় বলে। উচ্চস্বরে কথা বললে বাদীর মা’ হাসনা বেগম ছেলেকে গ্রেপ্তারের ভয়ে স্ট্রোক করে, ৩দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, মাছ ধরা নিয়ে হাতাহাতি ও বাকবিতন্ডায় বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে একটি দরিদ্র পরিবারকে মারধর, হামলা ও ঘরবাড়ি ভাংচুর এবং লুটপাট করে নিঃস্ব করে দিয়েছে নবী নেওয়াজ ও তাহার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা।
এবিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার এজাহার ওনারা লিখে এনেছেন। আমরা মামলা রেকর্ড পূর্বক আসামি আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছি।