নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উদ্যােগে এসএসসিতে পাসের হার বৃদ্ধি ও শিক্ষার গুণগত মান্নোয়ন বিষয়ক সেমিনার আজ শনিবার সকালে বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো শফিকুল ইসলাম।
মূখ্য আলোচক ছিলেন বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. সিপন মিয়া।
আলোচক ছিলেন বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক আবু সালেহ মো. তারিক মাহমুদ
সেমিনারে নোয়াখালীর সেনবাগের নবীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান পারভীন বলেন, লজ্জায় আমি ঘর থেকে বের হই না। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক থেকে আমরা সবাই দায়ি ফল খারাপের জন্য। চারবার সিলেবাস পরিবর্তন হয়েছে। প্রশ্নের ধারা পরিবর্তন। শিক্ষানীতিতে সমস্যা। ইউএনওরা স্কুলের সভাপতি। অভিভাবকদের অসচেতনতা। বাড়িতে মোবাইল ব্যবহার।
তিনি বলেন, আমার মেয়ে ঢাকা মেডিকেলে পড়ে। আর আমার স্কুলের ছেলেমেয়েরা ফেল করে। এটা লজ্জার বিষয়।
তিনি বলেন, নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে ফরম পূরণ করা যাবে না। প্রশ্ন সহজ করেন, যেন ৬০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বোর্ডের উপবিদ্যালয় পরিদর্শক কাজী আপন তিবরানী।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উদ্যােগে এসএসসিতে পাসের হার বৃদ্ধি ও শিক্ষার গুণগত মান্নোয়ন বিষয়ক সেমিনার আজ শনিবার সকালে বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো শফিকুল ইসলাম।
মূখ্য আলোচক ছিলেন বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. সিপন মিয়া।
আলোচক ছিলেন বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক আবু সালেহ মো. তারিক মাহমুদ
সেমিনারে নোয়াখালীর সেনবাগের নবীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান পারভীন বলেন, লজ্জায় আমি ঘর থেকে বের হই না। বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক থেকে আমরা সবাই দায়ি ফল খারাপের জন্য। চারবার সিলেবাস পরিবর্তন হয়েছে। প্রশ্নের ধারা পরিবর্তন। শিক্ষানীতিতে সমস্যা। ইউএনওরা স্কুলের সভাপতি। অভিভাবকদের অসচেতনতা। বাড়িতে মোবাইল ব্যবহার।
তিনি বলেন, আমার মেয়ে ঢাকা মেডিকেলে পড়ে। আর আমার স্কুলের ছেলেমেয়েরা ফেল করে। এটা লজ্জার বিষয়।
তিনি বলেন, নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করলে ফরম পূরণ করা যাবে না। প্রশ্ন সহজ করেন, যেন ৬০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বোর্ডের উপবিদ্যালয় পরিদর্শক কাজী আপন তিবরানী।