নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ কুমিল্লায় আদালতের এক সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) এ কে এম মাসুদুল হক ওরফে মাসুমকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১০টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের টমছমব্রিজ এলাকা থেকে প্রথমে আরিফুল ইসলাম (৩৬) নামের এক যুবককে পাঁচটি গুলি, একটি ছুরিসহ আটক করে পুলিশ। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে এজিপি এ কে এম মাসুদুল হক ওরফে মাসুমের (৫১) বাসা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

মাসুদুল হক জামায়াতপন্থী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। তিনি কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুনের ছোট ভাই। এ ঘটনায় আটক আরিফুল ইসলাম কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা। এ কে এম এমদাদুল হক মামুন আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই দুজনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, আজ সকাল ছয়টার পর টমছমব্রিজ এলাকা থেকে আরিফুলকে পাঁচটি গুলি, একটি ছুরিসহ আটক করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে তাঁর মুঠোফোন তল্লাশি করে অস্ত্রের ছবি পাওয়া যায়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে জানান, মাসুদুল হকের বাসায় আছে অস্ত্রটি। তাঁর দেওয়া তথ্যে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাসুদুল হকের বাসায় ওয়ার্ডরোব থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও পাঁচটি গুলি উদ্ধার করা হয়। মাসুদুল ও আরিফুলকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হকের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) কাইমুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে তিনি বিষয়টি জেনেছেন। থানা থেকে মামলার নথিপত্র পেলে সরকারি কৌঁসুলির (জিপি) সঙ্গে মিলে এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে লিখবেন। এরপর মন্ত্রণালয় তাঁর এজিপি দায়িত্বের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ কুমিল্লায় আদালতের এক সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) এ কে এম মাসুদুল হক ওরফে মাসুমকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ১০টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নগরের টমছমব্রিজ এলাকা থেকে প্রথমে আরিফুল ইসলাম (৩৬) নামের এক যুবককে পাঁচটি গুলি, একটি ছুরিসহ আটক করে পুলিশ। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে এজিপি এ কে এম মাসুদুল হক ওরফে মাসুমের (৫১) বাসা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

মাসুদুল হক জামায়াতপন্থী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। তিনি কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুনের ছোট ভাই। এ ঘটনায় আটক আরিফুল ইসলাম কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা। এ কে এম এমদাদুল হক মামুন আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই দুজনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, আজ সকাল ছয়টার পর টমছমব্রিজ এলাকা থেকে আরিফুলকে পাঁচটি গুলি, একটি ছুরিসহ আটক করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে তাঁর মুঠোফোন তল্লাশি করে অস্ত্রের ছবি পাওয়া যায়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে জানান, মাসুদুল হকের বাসায় আছে অস্ত্রটি। তাঁর দেওয়া তথ্যে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাসুদুল হকের বাসায় ওয়ার্ডরোব থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও পাঁচটি গুলি উদ্ধার করা হয়। মাসুদুল ও আরিফুলকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হকের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) কাইমুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে তিনি বিষয়টি জেনেছেন। থানা থেকে মামলার নথিপত্র পেলে সরকারি কৌঁসুলির (জিপি) সঙ্গে মিলে এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে লিখবেন। এরপর মন্ত্রণালয় তাঁর এজিপি দায়িত্বের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।