নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের অশোকতলা এলাকায় এক ভিক্ষুকের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার এ ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর গ্যাংয়ের এক নেতাকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। গত ৩১ মে অশোকতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে কিশোর গ্যাংয়ের এ সদস্যরা গত ২৬ মে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে অশোকতলা ফুড অফিসের সামনে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্র ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অষ্টম শ্রেণির আরেক ছাত্রের গতিরোধ করেন। দুইজন সম্পর্কে মামাতো ফুপাতো ভাই। এ সময় তারা দুইজনকে গাঁজা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেবেন বলে হুমকি দেন। এক পর্যায়ে দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে চড় দিয়ে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। অপর শিক্ষার্থীর মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাদের ওই এলাকা থেকে বাসায় নিয়ে যান।

জানা গেছে, ৩১ মে সন্ধ্যায় ওঁৎ পেতে থাকা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এক ভিক্ষুকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং তার সারাদিনের ভিক্ষায় প্রাপ্ত ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশিকসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে আশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’-কে শনাক্ত করা হয়। আজ বুধবার তাকে আটক করার পর বিষয়টি প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুকে জানানো হলে তিনি দ্রæত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি কুমিল্লা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাথে সাথেই পুলিশ ফোর্স পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। পরে আটককৃত অভিযুক্তকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নগরে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, কিশোর গ্যাং ঠেকাতে পুলিশ কাজ করছে।


কুমিল্লা নগরের অশোকতলা এলাকায় এক ভিক্ষুকের ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার এ ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর গ্যাংয়ের এক নেতাকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। গত ৩১ মে অশোকতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে কিশোর গ্যাংয়ের এ সদস্যরা গত ২৬ মে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে অশোকতলা ফুড অফিসের সামনে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্র ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজের অষ্টম শ্রেণির আরেক ছাত্রের গতিরোধ করেন। দুইজন সম্পর্কে মামাতো ফুপাতো ভাই। এ সময় তারা দুইজনকে গাঁজা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেবেন বলে হুমকি দেন। এক পর্যায়ে দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে চড় দিয়ে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। অপর শিক্ষার্থীর মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাদের ওই এলাকা থেকে বাসায় নিয়ে যান।

জানা গেছে, ৩১ মে সন্ধ্যায় ওঁৎ পেতে থাকা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এক ভিক্ষুকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং তার সারাদিনের ভিক্ষায় প্রাপ্ত ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশিকসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে আশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’-কে শনাক্ত করা হয়। আজ বুধবার তাকে আটক করার পর বিষয়টি প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুকে জানানো হলে তিনি দ্রæত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি কুমিল্লা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাথে সাথেই পুলিশ ফোর্স পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। পরে আটককৃত অভিযুক্তকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নগরে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, কিশোর গ্যাং ঠেকাতে পুলিশ কাজ করছে।
