নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যেও উজানের পাহাড়ি ঢল আর কয়েক দিনের বৃষ্টিতে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে কুমিল্লার আদর্শ সদও, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোমতী নদীর চরাঞ্চলের নিচু জমিগুলোর কোথাও কোথাও পানি ঢুকতে শুরু করেছে। আবার কোথাও কোথাও তলিয়ে গেছে চরের ফসল। ফলে ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। নষ্ট হচ্ছে সবজি খেত।
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর, ঝাকুনিপাড়া, টিক্কারচর, আমতলি, দুর্গাপুর, বাবু বাজার, বুড়িচং উপজেলার গোবিন্দপুর, বুড়বুড়িয়া, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের গোমতী নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু জমিগুলোর কোথাও কোথাও পানি প্রবেশ করেছে। পানি আরও বাড়তে থাকলে চরাঞ্চলে আবাদকৃত আগাম মৌসুমের বিভিন্ন ফসল পুরোপুরি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে অনেক কৃষক অপরিপক্ক সবজি তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার কোথাও কোথাও ফসল তোলার মতো পরিস্থিতিও নেই।
চরাঞ্চলের কৃষকদের ভাষ্য, আগাম সবজি চাষে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ নদীর পানি বাড়তে থাকায় সে বিনিয়োগ এখন ঝুঁকির মুখে। নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে কৃষকদের কাক্সিক্ষত ফসল পুরোপুরি তলিয়ে গিয়ে লোকসান গোনার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে চরের অধিকাংশ ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, গোমতীর বাড়তি পানিতে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার সবজি ক্ষেত পুরোপুরিভাবে তলিয়ে গেলে শত শত কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ফসল বাঁচাতে বিভিন্নভাবে কৃষকরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগও তাদের নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের কৃষকদের সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু এখন খরিপ-১ মৌসুম চলমান এই সময়ে মাঠে সবজি জাতীয় ফসলের পরিমাণ কম থাকে, আশা করছি সামান্য বৃদ্ধি পানিতে কৃষকদের ফসলের তেমন একটা ক্ষতি হবে না। তবে, দীর্ঘমেয়াদি পানি বৃদ্ধি পেলে এমন মৌসুমে বীজতলা তৈরি করতে সমস্যা হতে পারে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, গোমতী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি আমরা।

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যেও উজানের পাহাড়ি ঢল আর কয়েক দিনের বৃষ্টিতে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে কুমিল্লার আদর্শ সদও, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোমতী নদীর চরাঞ্চলের নিচু জমিগুলোর কোথাও কোথাও পানি ঢুকতে শুরু করেছে। আবার কোথাও কোথাও তলিয়ে গেছে চরের ফসল। ফলে ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। নষ্ট হচ্ছে সবজি খেত।
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর, ঝাকুনিপাড়া, টিক্কারচর, আমতলি, দুর্গাপুর, বাবু বাজার, বুড়িচং উপজেলার গোবিন্দপুর, বুড়বুড়িয়া, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের গোমতী নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলের নিচু জমিগুলোর কোথাও কোথাও পানি প্রবেশ করেছে। পানি আরও বাড়তে থাকলে চরাঞ্চলে আবাদকৃত আগাম মৌসুমের বিভিন্ন ফসল পুরোপুরি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে অনেক কৃষক অপরিপক্ক সবজি তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আবার কোথাও কোথাও ফসল তোলার মতো পরিস্থিতিও নেই।
চরাঞ্চলের কৃষকদের ভাষ্য, আগাম সবজি চাষে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ নদীর পানি বাড়তে থাকায় সে বিনিয়োগ এখন ঝুঁকির মুখে। নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে কৃষকদের কাক্সিক্ষত ফসল পুরোপুরি তলিয়ে গিয়ে লোকসান গোনার আশঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে চরের অধিকাংশ ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, গোমতীর বাড়তি পানিতে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার সবজি ক্ষেত পুরোপুরিভাবে তলিয়ে গেলে শত শত কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ফসল বাঁচাতে বিভিন্নভাবে কৃষকরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগও তাদের নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের কৃষকদের সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু এখন খরিপ-১ মৌসুম চলমান এই সময়ে মাঠে সবজি জাতীয় ফসলের পরিমাণ কম থাকে, আশা করছি সামান্য বৃদ্ধি পানিতে কৃষকদের ফসলের তেমন একটা ক্ষতি হবে না। তবে, দীর্ঘমেয়াদি পানি বৃদ্ধি পেলে এমন মৌসুমে বীজতলা তৈরি করতে সমস্যা হতে পারে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, গোমতী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি আমরা।