নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রাজমঙ্গলপুর গ্রামের যৌথ মালিকানাধীন তেলিয়া পুকুর ভরাটের পর এবার প্লট বানিয়ে বিক্রি করছেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা শফিকুল হাসান মজুমদার টুটুল। ইতিমধ্যে তিনি কয়েকটি প্লট বিক্রিও করেছেন। বর্তমানে সেখানে সীমানা প্রাচীর ও স্থাপনা নির্মাণ চলছে। গত ২০ দিন ধরে এ কাজ হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্যতা করে তিনি সেখানে কাজ করছেন। টুটুল আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ও জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনুসারী।
তবে ওই যুবলীগ নেতার ভাষ্য, তিনি পারিবারিক মালিকানাধীন পুকুর ভরাট করেছেন বহু আগেই। একটি মহল সুযোগ সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে অপতৎপতা চালাচ্ছে।
আদর্শ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস সূত্রে জানা গেছে, তেলিয়া পুকুরটি মোট ১২৩ শতক। এর মধ্যে রাজমঙ্গলপুর গ্রামের আবু আহমেদ মজুমদারের ৬১ শতক, কেরামত আলী চৌধুরীর ২২ শতক ও আলী আহমেদ মজুমদারের ১৬ শতক, বাকি ২৪ শতক সরকারের। ১৯৬২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সরকারি ২৪ শতক পুকুর কেরামত আলী চৌধুরী ও তাঁর ওয়ারিশদের কাছে ছিল। এরপর পুকুরের বড় একটি অংশ দখলে নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা টুটুল। টুটুল আলী আহমেদ মজুমদারের নাতি। ২০২৩ সালের জুন থেকে তিনি পুকুরের অন্য মালিক ও সরকারি অংশের ওপর চোখ রাখেন। তিনি তাঁদের পরিবারের ১৬ শতকের বাইরে সরকারি ২৪ শতক পুকুরও নিজের করে নেন। এরপর মাটি ভরাট শুরু করেন। এখন তিনি প্লট করে বিক্রি করছেন। ১২৩ শতক পুকুরের মধ্যে অন্তত ৫০ শতক ভরাট করেছেন। এ নিয়ে এ পুকুরের অন্যতম ও সিংহভাগ অংশের অংশীদার কেরামত আলী চৌধুরীর ওয়ারিশরা বাধা দেন। তাঁদেরও ভরাট অংশে ১৩ দশমিক ৫৮ শতক জায়গা আছে।
এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারের দক্ষিণ পাশে এ বড় পুকুরটি। তেলিয়া পুকুর এটি। ২০০ বছরের পুরানো পুকুর। ৫০ শতক নাই হয়ে গেছে, ভরাট হয়েছে। সেখানে ইট রাখা আছে। দেয়াল নির্মাণ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চৌধুরী ও মজুমদার পরিবারের মধ্যে তেলিয়া পুকুর নিয়ে দ্ব›দ্ব আছে। টুটুল সাবেক এমপির লোক। তিনি পুকুরের উত্তর দিক থেকে ভরাট শুরু করেছিলেন। ভরাটের একমাসের মধ্যে তিনি ওই জায়গা তাঁর সহধর্মিনী ফারজানা হককে হেরা দলিল করে দেন। এরপর প্লট করে বিক্রি করেন। সরকারি অংশও ২৪ শতক ভরাট করে দেন। এ নিয়ে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নালিশ করেও কোন লাভ হয়নি।
এ প্রসঙ্গে কেরামত আলী চৌধুরীর ছেলে মামুন চৌধুরী বলেন, জোরপূর্বক পুকুর ভরাট করা হয়েছে। এই পুকুরের সরকারি অংশ ভরাট করে বিক্রি করা হচ্ছে ও হয়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইউএনও মহোদয়ের কাছে এর প্রতিকার চাই।

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রাজমঙ্গলপুর গ্রামের যৌথ মালিকানাধীন তেলিয়া পুকুর ভরাটের পর এবার প্লট বানিয়ে বিক্রি করছেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা শফিকুল হাসান মজুমদার টুটুল। ইতিমধ্যে তিনি কয়েকটি প্লট বিক্রিও করেছেন। বর্তমানে সেখানে সীমানা প্রাচীর ও স্থাপনা নির্মাণ চলছে। গত ২০ দিন ধরে এ কাজ হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সখ্যতা করে তিনি সেখানে কাজ করছেন। টুটুল আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য ও জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনুসারী।
তবে ওই যুবলীগ নেতার ভাষ্য, তিনি পারিবারিক মালিকানাধীন পুকুর ভরাট করেছেন বহু আগেই। একটি মহল সুযোগ সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে অপতৎপতা চালাচ্ছে।
আদর্শ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস সূত্রে জানা গেছে, তেলিয়া পুকুরটি মোট ১২৩ শতক। এর মধ্যে রাজমঙ্গলপুর গ্রামের আবু আহমেদ মজুমদারের ৬১ শতক, কেরামত আলী চৌধুরীর ২২ শতক ও আলী আহমেদ মজুমদারের ১৬ শতক, বাকি ২৪ শতক সরকারের। ১৯৬২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সরকারি ২৪ শতক পুকুর কেরামত আলী চৌধুরী ও তাঁর ওয়ারিশদের কাছে ছিল। এরপর পুকুরের বড় একটি অংশ দখলে নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা টুটুল। টুটুল আলী আহমেদ মজুমদারের নাতি। ২০২৩ সালের জুন থেকে তিনি পুকুরের অন্য মালিক ও সরকারি অংশের ওপর চোখ রাখেন। তিনি তাঁদের পরিবারের ১৬ শতকের বাইরে সরকারি ২৪ শতক পুকুরও নিজের করে নেন। এরপর মাটি ভরাট শুরু করেন। এখন তিনি প্লট করে বিক্রি করছেন। ১২৩ শতক পুকুরের মধ্যে অন্তত ৫০ শতক ভরাট করেছেন। এ নিয়ে এ পুকুরের অন্যতম ও সিংহভাগ অংশের অংশীদার কেরামত আলী চৌধুরীর ওয়ারিশরা বাধা দেন। তাঁদেরও ভরাট অংশে ১৩ দশমিক ৫৮ শতক জায়গা আছে।
এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারের দক্ষিণ পাশে এ বড় পুকুরটি। তেলিয়া পুকুর এটি। ২০০ বছরের পুরানো পুকুর। ৫০ শতক নাই হয়ে গেছে, ভরাট হয়েছে। সেখানে ইট রাখা আছে। দেয়াল নির্মাণ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চৌধুরী ও মজুমদার পরিবারের মধ্যে তেলিয়া পুকুর নিয়ে দ্ব›দ্ব আছে। টুটুল সাবেক এমপির লোক। তিনি পুকুরের উত্তর দিক থেকে ভরাট শুরু করেছিলেন। ভরাটের একমাসের মধ্যে তিনি ওই জায়গা তাঁর সহধর্মিনী ফারজানা হককে হেরা দলিল করে দেন। এরপর প্লট করে বিক্রি করেন। সরকারি অংশও ২৪ শতক ভরাট করে দেন। এ নিয়ে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নালিশ করেও কোন লাভ হয়নি।
এ প্রসঙ্গে কেরামত আলী চৌধুরীর ছেলে মামুন চৌধুরী বলেন, জোরপূর্বক পুকুর ভরাট করা হয়েছে। এই পুকুরের সরকারি অংশ ভরাট করে বিক্রি করা হচ্ছে ও হয়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইউএনও মহোদয়ের কাছে এর প্রতিকার চাই।