যে কারণে আমিরুজ্জামান এখনই সভাপতি হতে পারবেন না
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমবায় সমিতি আইন ২০০১ সংশোধিত ২০০২ ও ২০১৩ আইনের ১৯(গ) ধারায় বলা আছে, কোন ব্যক্তি যদি ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায় তাকে কমপক্ষে এক বছর পর্যন্ত সমবায়ী হিসেবে তার প্রাথমিক সমিতির সদস্য হতে হবে। অর্থাৎ এক বছর তাঁকে ওই সমিতির কাজ করতে হবে। যে প্রাথমিক সমিতির সদস্য বা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের নির্বাচনে অংশ নেবেন ওই প্রাথমিক সমিতিকে একাধারে তিন বছর পর্যন্ত ব্যাংকের সদস্য থাকতে হবে এবং তিনটি বার্ষিক সাধারণ সভার মধ্যে দুইটি ওই সমিতির প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করতে হবে।
কিন্তু মনোহরপুর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বহুমূখী সমিতি লিমিটেড একটি ডিফল্টার সমিতি। গত পাঁচ যাবৎ এই সমিতি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিতে পারেনি। মো. আমিরুজ্জামান ভূঁঞা মনোহরপুর সমিতির সদস্য হয়েছেন গত ৩১ আগস্ট। এর আগে তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের অধিভুক্ত কোন সমিতির সদস্য ছিলেন না।
অভিযোগ রয়েছে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য গত দুইমাস ধরে মরিয়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান।
ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান এডভোকেট কাজী নাজমুস সাদাত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, বর্তমানে বরুড়া উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা। তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন ২০১২ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত। তিনি কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির দুইবারের সাবেক সভাপতি ও একবারের সাধারণ সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা আইন কলেজের ভিপি ছিলেন। কুমিল্লার আদালতের পিপি ছিলেন।
কুমিল্লার আদালতে বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত এ কে আনোয়ার, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, কুমিল্লা-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর মামলার বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের প্যানেলে ছিলেন।

এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এডভোকেট কাজী নাজমুস সাদাত বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা যদি সত্য হয় আমি পদত্যাগ করব। অর্থও জরিমানা দেব। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য চিঠি দিয়েছি। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ভূঁঞা এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ দখলে নিতে চান। তিনি বহু আগ থেকেই চেষ্টা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক সভাপতি ও কুমিল্লা জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মো. সিরাজুল হক, আমড়াতলি সমবায় সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, জোড়কানন পূর্ব ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি খন্দকার সোহেল রেজা।
কুমিল্লা জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মো. সিরাজুল হক বলেন, আমিরুজ্জামান কোন সমবায়ী-ই না। আজকাল বিএনপির মধ্যে অনেকে পদ পেয়েছেন, তাঁকেও এটা দিতে চেষ্টা হচ্ছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আমিরুজ্জামান ভূঁঞা বলেন, উনি ( নাজমুস সাদাত) মুরুব্বি মানুষ। উনি যা বলেছেন তা সত্য নয়। আমি সমবায়ী।
১৯১৩ সালের ২০ জুন কুমিল্লা সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা হয়। ব্যাংকের বর্তমান মালিক কুমিল্লা জেলার নয়টি সংসদীয় আসনের ১৭৪ টি সমিতি ও সরকার। এর মধ্যে বেশির ভাগ সমিতি বরুড়া উপজেলার।

সমবায় সমিতি আইন ২০০১ সংশোধিত ২০০২ ও ২০১৩ আইনের ১৯(গ) ধারায় বলা আছে, কোন ব্যক্তি যদি ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায় তাকে কমপক্ষে এক বছর পর্যন্ত সমবায়ী হিসেবে তার প্রাথমিক সমিতির সদস্য হতে হবে। অর্থাৎ এক বছর তাঁকে ওই সমিতির কাজ করতে হবে। যে প্রাথমিক সমিতির সদস্য বা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের নির্বাচনে অংশ নেবেন ওই প্রাথমিক সমিতিকে একাধারে তিন বছর পর্যন্ত ব্যাংকের সদস্য থাকতে হবে এবং তিনটি বার্ষিক সাধারণ সভার মধ্যে দুইটি ওই সমিতির প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করতে হবে।
কিন্তু মনোহরপুর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বহুমূখী সমিতি লিমিটেড একটি ডিফল্টার সমিতি। গত পাঁচ যাবৎ এই সমিতি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিতে পারেনি। মো. আমিরুজ্জামান ভূঁঞা মনোহরপুর সমিতির সদস্য হয়েছেন গত ৩১ আগস্ট। এর আগে তিনি কুমিল্লা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের অধিভুক্ত কোন সমিতির সদস্য ছিলেন না।
অভিযোগ রয়েছে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য গত দুইমাস ধরে মরিয়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান।
ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান এডভোকেট কাজী নাজমুস সাদাত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, বর্তমানে বরুড়া উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা। তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন ২০১২ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত। তিনি কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির দুইবারের সাবেক সভাপতি ও একবারের সাধারণ সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা আইন কলেজের ভিপি ছিলেন। কুমিল্লার আদালতের পিপি ছিলেন।
কুমিল্লার আদালতে বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত এ কে আনোয়ার, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, কুমিল্লা-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর মামলার বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের প্যানেলে ছিলেন।

এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এডভোকেট কাজী নাজমুস সাদাত বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা যদি সত্য হয় আমি পদত্যাগ করব। অর্থও জরিমানা দেব। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য চিঠি দিয়েছি। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ভূঁঞা এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ দখলে নিতে চান। তিনি বহু আগ থেকেই চেষ্টা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক সভাপতি ও কুমিল্লা জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মো. সিরাজুল হক, আমড়াতলি সমবায় সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম, জোড়কানন পূর্ব ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি খন্দকার সোহেল রেজা।
কুমিল্লা জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মো. সিরাজুল হক বলেন, আমিরুজ্জামান কোন সমবায়ী-ই না। আজকাল বিএনপির মধ্যে অনেকে পদ পেয়েছেন, তাঁকেও এটা দিতে চেষ্টা হচ্ছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আমিরুজ্জামান ভূঁঞা বলেন, উনি ( নাজমুস সাদাত) মুরুব্বি মানুষ। উনি যা বলেছেন তা সত্য নয়। আমি সমবায়ী।
১৯১৩ সালের ২০ জুন কুমিল্লা সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা হয়। ব্যাংকের বর্তমান মালিক কুমিল্লা জেলার নয়টি সংসদীয় আসনের ১৭৪ টি সমিতি ও সরকার। এর মধ্যে বেশির ভাগ সমিতি বরুড়া উপজেলার।