নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ এলাকার ওয়েসিস হোটেলে নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের ইফতারে পুলিশ হানা দিয়েছে। এ সময়ে কয়েকজন সেখান থেকে পালিয়ে যান। আরও কয়েকজনকে পুলিশ আটক করে। আজ রোববার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরের ওয়েসিস হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়। রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেয় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার দলীয় একজন সংসদ সদস্যের মধ্যস্ততায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়েসিস হোটেলে ইফতারের আয়োজন করে নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা। এদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত সর্বশেষ চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির, নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সাদেক হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এম এ করিম মজুমদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ ভূঁইয়াসহ বেশ কয়েকজন সদস্য। সূত্র জানায়, ওই বৈঠকে তাঁরা সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের মেয়ের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের নেতৃত্ব দেওয়া নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির ও তাঁর অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত উসকানিমূলক এবং সরকারবিরোধী বক্তব্য শেয়ার করেন। গুঞ্জন রয়েছে সরকার দলীয় একজন সংসদ সদস্য তাঁদের ছাড়িয়ে এনেছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, আমরা নাশকতার অভিযোগ শুনে অভিযান চালাই। সেখানে নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কয়েকজন নেতাকে ইফতার করতে দেখা যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো মামলা নেই। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাঁরা জামিনে আছেন। তাঁদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি সঠিক নয়। আমরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করি। গুরুতর অভিযোগ না থাকায় ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁদের ছেড়ে দিয়েছি।

কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ এলাকার ওয়েসিস হোটেলে নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের ইফতারে পুলিশ হানা দিয়েছে। এ সময়ে কয়েকজন সেখান থেকে পালিয়ে যান। আরও কয়েকজনকে পুলিশ আটক করে। আজ রোববার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরের ওয়েসিস হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়। রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেয় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার দলীয় একজন সংসদ সদস্যের মধ্যস্ততায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়েসিস হোটেলে ইফতারের আয়োজন করে নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা। এদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত সর্বশেষ চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির, নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ সাদেক হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এম এ করিম মজুমদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ ভূঁইয়াসহ বেশ কয়েকজন সদস্য। সূত্র জানায়, ওই বৈঠকে তাঁরা সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের মেয়ের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকের নেতৃত্ব দেওয়া নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির ও তাঁর অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত উসকানিমূলক এবং সরকারবিরোধী বক্তব্য শেয়ার করেন। গুঞ্জন রয়েছে সরকার দলীয় একজন সংসদ সদস্য তাঁদের ছাড়িয়ে এনেছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, আমরা নাশকতার অভিযোগ শুনে অভিযান চালাই। সেখানে নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কয়েকজন নেতাকে ইফতার করতে দেখা যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো মামলা নেই। যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাঁরা জামিনে আছেন। তাঁদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি সঠিক নয়। আমরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করি। গুরুতর অভিযোগ না থাকায় ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁদের ছেড়ে দিয়েছি।