কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। কুমিল্লা জেলা ড্যাবের স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে কেনাকাটার দরপত্র থেকে সোয়া দুই কোটি টাকা ভাগাভাগি করা হয়। এ নিয়ে খোদ ড্যাবের মহানগরের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ হায়দার ড্যাবের এক প্রতিবাদ সভায় মাছুমের বিরুদ্ধে ৮০ লাখ টাকা নেওয়ার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। ডা. মাছুমের উপস্থিতিতে আরিফ হায়দার ওই বক্তব্য দেন। এরপর এ নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার শহর পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ওইদিনই রাতেই
সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অসাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কুমিল্লা জেলা, কুমিল্লা মহানগর ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটিগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে (কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়ম) কেন্দ্রীয় ড্যাব তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এরপর ড্যাব নেতাদের ঢাকায় নিয়ে তাঁদের বক্তব্যও নেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত ড্যাব অভিযোগ ওঠা ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এদিকে ২৪ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম, সোয়া দুই কোটি টাকা ড্যাবের কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে ভাগাভাগির অভিযোগ ওঠায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশে তদন্ত কমিটি হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য বিভাগের চট্রগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি ওই তদন্ত করেন।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের চট্রগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন,‘ আমি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এর বাইরে কিছু বলতে পারব না।’
এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে অভিযান চালায়। দুদক হাসপাতালের কেনাকাটায় অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। দুদক কিছু নথিও জব্দ করে।
কুমিল্লা ড্যাবের সাধারণ নেতাদের ভাষ্য, ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজী বিভাগের প্রধান। হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজ তাঁকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ২০২৪-২০২৫ আর্থিক বছরের অন্যান্য ওষুধ ও ৬৩ জন আউটসোর্সিং জনবল সরবরাহের দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য পদে রেখেছেন। একই ব্যক্তিকে অর্থাৎ ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছানকে একই কাজের মালামাল ক্রয়/সরবরাহ, আউটসোর্সিং জনবল গ্রুপের দরপত্রসমূহ যাচাই বাছাই, পর্যালোচনা ও মতামত কমিটির সভাপতি করেন। এছাড়া গত ৩১ আগস্ট কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ক্যান্টিন ভাড়ার দরপত্র ও প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিবও করা হয়। যে কারণে পুরো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ক্ষুদ্ধ। জেলার নেতা হয়ে মাছুম হাছান কলেজ ও হাসপাতালে প্রভাব খাটাতেন।
ড্যাবের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, ড্যাব কুমিল্লা জেলা শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে হস্তক্ষেপ করেন। নিয়মানুযায়ী তিনি মেডিকেলে ড্যাবের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। এখন তিনি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটা থেকে টাকা নেন। ঠিকাদার তাঁর শ্বশুর বাড়ি গোপালগঞ্জের লোক। বালিশকাণ্ডের ঘটনায় সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। হাছানের ঝাউতলার ভবনে এক সভা করেন ছাত্রদলের মেডিকেলের সাবেক এক নেতা ও হাছান। সেখানে টাকা ভাগাভাগি হয়। ২৪ কোটি টাকা থেকে সোয়া দুই কোটি টাকা কমিশন নেওয়া হয়। এর বাইরে আরও দুই কোটি টাকা বিএনপির এক নেতার কাছে গেছে বলে কানাঘুষা চলছে।
অভিযোগ উঠেছে, কমিশনের টাকার মধ্যে ছাত্রদলের সাবেক চার নেতাকে ডা. হাছান ২৫ লাখ টাকা করে এক কোটি টাকা দেন। নিজে রাখেন ৮০ লাখ টাকা, ২০ লাখ টাকা ছাত্রদলের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক এক নেতাকে দেন। পরে ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঁচ লাখ টাকা দেবেন বলে, ওই নেতার কাছ থেকে নেন। এরপর ড্যাবের কিছু জুনিয়র নেতা ডা. হাছানের কাছে গিয়ে টাকা দাবি করেন। তখন হাছান ছাত্রদলের মেডিকেলের সাবেক নেতাকে আরও পাঁচ লাখ টাকা ফেরত দিতে বলেন। এরপরই থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় হাছানের উপস্থিতিতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর ড্যাবের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ হায়দার গত ২১ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ড্যাবের সভায় হাসানের সামনে বক্তব্য দেন। এতে ডা. হাছান ৮০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে তিনি বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। ওই সভার পুরো ভিডিও সংরক্ষণ আছে।
এছাড়া হাসপাতালের পরিচালককে ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়।
উল্লেখ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়মের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ১০১ টাকার ইনজেকশন ১২৯৯ টাকা ধরা হয়েছে। এ নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ঠিকাদার।
হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলছেন. দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। গরিব রোগীদের ওষুধের টাকা মেরে বিবেকবান ডাক্তারেরা খেতে পারেন না। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের পদ থেকে সরানো হোক। তাঁদের পদে রেখে সুষ্ঠু তদন্ত হতে পারে না। আশা করি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ড্যাব এ নিয়ে ব্যবস্থা নেবে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। কুমিল্লা জেলা ড্যাবের স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে কেনাকাটার দরপত্র থেকে সোয়া দুই কোটি টাকা ভাগাভাগি করা হয়। এ নিয়ে খোদ ড্যাবের মহানগরের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ হায়দার ড্যাবের এক প্রতিবাদ সভায় মাছুমের বিরুদ্ধে ৮০ লাখ টাকা নেওয়ার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। ডা. মাছুমের উপস্থিতিতে আরিফ হায়দার ওই বক্তব্য দেন। এরপর এ নিয়ে ২২ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার শহর পত্রিকায় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর ওইদিনই রাতেই
সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অসাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) কুমিল্লা জেলা, কুমিল্লা মহানগর ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। ড্যাবের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে কমিটিগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে (কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ কোটি টাকার কেনাকাটায় অনিয়ম) কেন্দ্রীয় ড্যাব তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এরপর ড্যাব নেতাদের ঢাকায় নিয়ে তাঁদের বক্তব্যও নেওয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত ড্যাব অভিযোগ ওঠা ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এদিকে ২৪ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম, সোয়া দুই কোটি টাকা ড্যাবের কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে ভাগাভাগির অভিযোগ ওঠায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশে তদন্ত কমিটি হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য বিভাগের চট্রগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি ওই তদন্ত করেন।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের চট্রগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন,‘ আমি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এর বাইরে কিছু বলতে পারব না।’
এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে অভিযান চালায়। দুদক হাসপাতালের কেনাকাটায় অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। দুদক কিছু নথিও জব্দ করে।
কুমিল্লা ড্যাবের সাধারণ নেতাদের ভাষ্য, ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজী বিভাগের প্রধান। হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মাসুদ পারভেজ তাঁকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ২০২৪-২০২৫ আর্থিক বছরের অন্যান্য ওষুধ ও ৬৩ জন আউটসোর্সিং জনবল সরবরাহের দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য পদে রেখেছেন। একই ব্যক্তিকে অর্থাৎ ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছানকে একই কাজের মালামাল ক্রয়/সরবরাহ, আউটসোর্সিং জনবল গ্রুপের দরপত্রসমূহ যাচাই বাছাই, পর্যালোচনা ও মতামত কমিটির সভাপতি করেন। এছাড়া গত ৩১ আগস্ট কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ক্যান্টিন ভাড়ার দরপত্র ও প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিবও করা হয়। যে কারণে পুরো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকেরা ক্ষুদ্ধ। জেলার নেতা হয়ে মাছুম হাছান কলেজ ও হাসপাতালে প্রভাব খাটাতেন।
ড্যাবের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, ড্যাব কুমিল্লা জেলা শাখার স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মাছুম হাছান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে হস্তক্ষেপ করেন। নিয়মানুযায়ী তিনি মেডিকেলে ড্যাবের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। এখন তিনি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেনাকাটা থেকে টাকা নেন। ঠিকাদার তাঁর শ্বশুর বাড়ি গোপালগঞ্জের লোক। বালিশকাণ্ডের ঘটনায় সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। হাছানের ঝাউতলার ভবনে এক সভা করেন ছাত্রদলের মেডিকেলের সাবেক এক নেতা ও হাছান। সেখানে টাকা ভাগাভাগি হয়। ২৪ কোটি টাকা থেকে সোয়া দুই কোটি টাকা কমিশন নেওয়া হয়। এর বাইরে আরও দুই কোটি টাকা বিএনপির এক নেতার কাছে গেছে বলে কানাঘুষা চলছে।
অভিযোগ উঠেছে, কমিশনের টাকার মধ্যে ছাত্রদলের সাবেক চার নেতাকে ডা. হাছান ২৫ লাখ টাকা করে এক কোটি টাকা দেন। নিজে রাখেন ৮০ লাখ টাকা, ২০ লাখ টাকা ছাত্রদলের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক এক নেতাকে দেন। পরে ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঁচ লাখ টাকা দেবেন বলে, ওই নেতার কাছ থেকে নেন। এরপর ড্যাবের কিছু জুনিয়র নেতা ডা. হাছানের কাছে গিয়ে টাকা দাবি করেন। তখন হাছান ছাত্রদলের মেডিকেলের সাবেক নেতাকে আরও পাঁচ লাখ টাকা ফেরত দিতে বলেন। এরপরই থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় হাছানের উপস্থিতিতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর ড্যাবের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফ হায়দার গত ২১ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ড্যাবের সভায় হাসানের সামনে বক্তব্য দেন। এতে ডা. হাছান ৮০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে তিনি বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। ওই সভার পুরো ভিডিও সংরক্ষণ আছে।
এছাড়া হাসপাতালের পরিচালককে ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়।
উল্লেখ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়মের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ১০১ টাকার ইনজেকশন ১২৯৯ টাকা ধরা হয়েছে। এ নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ঠিকাদার।
হাসপাতালের চিকিৎসকেরা বলছেন. দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। গরিব রোগীদের ওষুধের টাকা মেরে বিবেকবান ডাক্তারেরা খেতে পারেন না। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের পদ থেকে সরানো হোক। তাঁদের পদে রেখে সুষ্ঠু তদন্ত হতে পারে না। আশা করি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ড্যাব এ নিয়ে ব্যবস্থা নেবে।