নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্যকর্ম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বিদ্রোহী দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঠচক্র ও কুইজ প্রতিযোগিতা। অনিমা-রথীন্দ্র স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগে এবং গ্লোবাল ইউনিক একাডেমি ও উৎস খেলাঘর, কুমিল্লার সার্বিক সহযোগিতায় এ ব্যতিক্রমী শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান হয়।
আজ শনিবার বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা নগরের গর্জনখোলা এলাকায় অবস্থিত গ্লোবাল ইউনিক একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাহিত্যপ্রেমী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল পাঠচক্র, নজরুলের জীবন ও সাহিত্য ভিত্তিক উপস্থাপনা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং মুক্ত আলোচনা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনিমা-রথীন্দ্র স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও গেøাবাল ইউনিক একাডেমির অধ্যক্ষ উত্তম বহ্নি সেন। সঞ্চালনা করেন গ্লোবাল ইউনিক একাডেমির প্রভাষক মালবিকা দে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া আবদুল মতিন খসরু মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গৌরাঙ্গ দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জাহাঙ্গীর আলম হাজারী, অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এবং সোনালী ব্যাংক, কুমিল্লা জাঙ্গালিয়া ওয়াদা শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার অর্পণ পাল।
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে বিস্তারিত পাঠ উপস্থাপন করেন গ্লোবাল ইউনিক একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থী দেবোত্তম বহ্নি সেন।
তিনি নজরুলের শৈশবের সংগ্রাম, সাহিত্যজীবনের সূচনা, বিদ্রোহী চেতনা, সাম্যবাদী দর্শন, অসাম্প্রদায়িক আদর্শ এবং বাংলা সাহিত্য-সংগীতে তাঁর অসামান্য অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর উপস্থাপনায় শিক্ষার্থীরা গভীর আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করে এবং পরবর্তী কুইজ পর্বেও উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয়।
সভাপতির বক্তব্যে উত্তম বহ্নি সেন বলেন, একটি সমাজকে আলোকিত করতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে বের করে বইমুখী করতে নিয়মিত পাঠচক্র, সাহিত্যচর্চা ও জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন। কাজী নজরুল ইসলাম কেবল বিদ্রোহের কবি নন, তিনি মানবতা, সাম্য, প্রেম ও অসাম্প্রদায়িকতার কবি। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৌরাঙ্গ দাস বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর সাহিত্য শুধু কাব্যিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, মানবমুক্তি এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের এক শক্তিশালী ভাষা। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে নজরুলকে জানতে হবে এবং তাঁর আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হয়।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্যকর্ম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বিদ্রোহী দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঠচক্র ও কুইজ প্রতিযোগিতা। অনিমা-রথীন্দ্র স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগে এবং গ্লোবাল ইউনিক একাডেমি ও উৎস খেলাঘর, কুমিল্লার সার্বিক সহযোগিতায় এ ব্যতিক্রমী শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান হয়।
আজ শনিবার বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে কুমিল্লা নগরের গর্জনখোলা এলাকায় অবস্থিত গ্লোবাল ইউনিক একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাহিত্যপ্রেমী ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল পাঠচক্র, নজরুলের জীবন ও সাহিত্য ভিত্তিক উপস্থাপনা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং মুক্ত আলোচনা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনিমা-রথীন্দ্র স্মৃতি পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও গেøাবাল ইউনিক একাডেমির অধ্যক্ষ উত্তম বহ্নি সেন। সঞ্চালনা করেন গ্লোবাল ইউনিক একাডেমির প্রভাষক মালবিকা দে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া আবদুল মতিন খসরু মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ গৌরাঙ্গ দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জাহাঙ্গীর আলম হাজারী, অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এবং সোনালী ব্যাংক, কুমিল্লা জাঙ্গালিয়া ওয়াদা শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার অর্পণ পাল।
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে বিস্তারিত পাঠ উপস্থাপন করেন গ্লোবাল ইউনিক একাডেমির প্রাক্তন শিক্ষার্থী দেবোত্তম বহ্নি সেন।
তিনি নজরুলের শৈশবের সংগ্রাম, সাহিত্যজীবনের সূচনা, বিদ্রোহী চেতনা, সাম্যবাদী দর্শন, অসাম্প্রদায়িক আদর্শ এবং বাংলা সাহিত্য-সংগীতে তাঁর অসামান্য অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর উপস্থাপনায় শিক্ষার্থীরা গভীর আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করে এবং পরবর্তী কুইজ পর্বেও উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয়।
সভাপতির বক্তব্যে উত্তম বহ্নি সেন বলেন, একটি সমাজকে আলোকিত করতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত নির্ভরতা থেকে বের করে বইমুখী করতে নিয়মিত পাঠচক্র, সাহিত্যচর্চা ও জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন। কাজী নজরুল ইসলাম কেবল বিদ্রোহের কবি নন, তিনি মানবতা, সাম্য, প্রেম ও অসাম্প্রদায়িকতার কবি। তাঁর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৌরাঙ্গ দাস বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর সাহিত্য শুধু কাব্যিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, মানবমুক্তি এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের এক শক্তিশালী ভাষা। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে নজরুলকে জানতে হবে এবং তাঁর আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হয়।