যেতে পারবেন কুমিল্লা, লাকসাম ও নাঙ্গলকোটের যাত্রীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও লাভজনক রুট ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা। যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার বিপরীতে ট্রেনের সংখ্যা কম থাকায় এই রুটের টিকিট পাওয়া অনেকটা সোনার হরিণের মতো। চাহিদার কারণে অনেক যাত্রী অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও টিকিট সংগ্রহ করছেন।
এ পরিস্থিতিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও বাড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলতি মাসে অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ (৭২১/৭২২) ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০ দিনের মধ্যেই ট্রেনটি কক্সবাজার রুটে চলাচল শুরু করতে পারে। আর ট্রেনটির রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে কুমিল্লার তিন স্টেশন-কুমিল্লা, লাকসাম ও নাঙ্গলকোটের যাত্রীরা সরাসরি কক্সবাজার যেতে পারবেন। এতে সময় কমে আসার পাশাপাশি ঝুঁকিও কমে আসবে।
যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়টি কয়েক মাস ধরেই আলোচনায় ছিল। তবে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে লোকোমোটিভ ও কোচ সংকট থাকায় নতুন ট্রেন চালু করা সম্ভব হচ্ছিল না।
পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর সময়সূচি পর্যালোচনা করে কোনো ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বাড়ানো যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। এতে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর সময়সূচি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন পর্যন্ত সম্প্রসারণের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়।
রেলওয়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে এটি হবে পঞ্চম ট্রেন। ৪৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হলে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার অতিরিক্ত যাত্রীর যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। তবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রচলিত আন্তঃনগর ট্রেনের ভাড়াই বহাল থাকবে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অংশে ট্রেনটি বিরতিহীন হওয়ায় ওই অংশের ভাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো নির্ধারণ করা হবে।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ চালুর পর থেকেই এই রুটে যাত্রীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ দিয়ে প্রথমবার ঢাকা থেকে কক্সবাজারে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। প্রথম দিনই ১ হাজার ১০ জন যাত্রী ঢাকা থেকে কক্সবাজার যান।
এরপর ট্রেনটির আসন প্রায় নিয়মিতই পূর্ণ থাকায় মাত্র ৪০ দিনের ব্যবধানে ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ নামে আরও একটি ট্রেন চালু করা হয়। বর্তমানে ঢাকা থেকে দুটি এবং চট্টগ্রাম থেকে দুটি ট্রেন কক্সবাজার রুটে চলাচল করছে।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, এই দুটি ট্রেনে বছরে গড়ে ৩৬৫ দিনের মধ্যে প্রায় ৩৬০ দিনই শতভাগ যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছাড়ে। অর্থাৎ প্রায় ৯৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ দিন ট্রেন দুটি পূর্ণ আসনে চলাচল করে। ফলে ঢাকা-কক্সবাজার রুটটি বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম লাভজনক রুটে পরিণত হয়েছে।
রেলওয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) ঢাকা থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পথে ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে রাত সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়। প্রস্তাব অনুযায়ী, সেখানে ইঞ্জিন ঘুরানোর জন্য ২০ মিনিট বিরতি দিয়ে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। এরপর টানা তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছাবে।
সেখানে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট বিরতির পর মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কক্সবাজার স্টেশন থেকে ছেড়ে আসবে। তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে। সেখানে ইঞ্জিন ঘুরানোর জন্য ২০ মিনিট বিরতি দিয়ে আগের মতোই দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। পথে ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে। এই সময়টা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও লাভজনক রুট ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা। যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার বিপরীতে ট্রেনের সংখ্যা কম থাকায় এই রুটের টিকিট পাওয়া অনেকটা সোনার হরিণের মতো। চাহিদার কারণে অনেক যাত্রী অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও টিকিট সংগ্রহ করছেন।
এ পরিস্থিতিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও বাড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলতি মাসে অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ (৭২১/৭২২) ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০ দিনের মধ্যেই ট্রেনটি কক্সবাজার রুটে চলাচল শুরু করতে পারে। আর ট্রেনটির রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে কুমিল্লার তিন স্টেশন-কুমিল্লা, লাকসাম ও নাঙ্গলকোটের যাত্রীরা সরাসরি কক্সবাজার যেতে পারবেন। এতে সময় কমে আসার পাশাপাশি ঝুঁকিও কমে আসবে।
যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়টি কয়েক মাস ধরেই আলোচনায় ছিল। তবে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে লোকোমোটিভ ও কোচ সংকট থাকায় নতুন ট্রেন চালু করা সম্ভব হচ্ছিল না।
পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর সময়সূচি পর্যালোচনা করে কোনো ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বাড়ানো যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। এতে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর সময়সূচি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন পর্যন্ত সম্প্রসারণের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়।
রেলওয়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে এটি হবে পঞ্চম ট্রেন। ৪৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হলে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার অতিরিক্ত যাত্রীর যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হবে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। তবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রচলিত আন্তঃনগর ট্রেনের ভাড়াই বহাল থাকবে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অংশে ট্রেনটি বিরতিহীন হওয়ায় ওই অংশের ভাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসের মতো নির্ধারণ করা হবে।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ চালুর পর থেকেই এই রুটে যাত্রীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ দিয়ে প্রথমবার ঢাকা থেকে কক্সবাজারে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। প্রথম দিনই ১ হাজার ১০ জন যাত্রী ঢাকা থেকে কক্সবাজার যান।
এরপর ট্রেনটির আসন প্রায় নিয়মিতই পূর্ণ থাকায় মাত্র ৪০ দিনের ব্যবধানে ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ নামে আরও একটি ট্রেন চালু করা হয়। বর্তমানে ঢাকা থেকে দুটি এবং চট্টগ্রাম থেকে দুটি ট্রেন কক্সবাজার রুটে চলাচল করছে।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের একটি সূত্র জানায়, এই দুটি ট্রেনে বছরে গড়ে ৩৬৫ দিনের মধ্যে প্রায় ৩৬০ দিনই শতভাগ যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছাড়ে। অর্থাৎ প্রায় ৯৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ দিন ট্রেন দুটি পূর্ণ আসনে চলাচল করে। ফলে ঢাকা-কক্সবাজার রুটটি বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের অন্যতম লাভজনক রুটে পরিণত হয়েছে।
রেলওয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) ঢাকা থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পথে ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে রাত সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়। প্রস্তাব অনুযায়ী, সেখানে ইঞ্জিন ঘুরানোর জন্য ২০ মিনিট বিরতি দিয়ে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। এরপর টানা তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছাবে।
সেখানে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট বিরতির পর মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কক্সবাজার স্টেশন থেকে ছেড়ে আসবে। তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে। সেখানে ইঞ্জিন ঘুরানোর জন্য ২০ মিনিট বিরতি দিয়ে আগের মতোই দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। পথে ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে। এই সময়টা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।