আজ থেকে আইন ভাঙলেই হবে স্বয়ংক্রিয় জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যান চলাচল পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালানোসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করা হবে। আইন লঙ্ঘন ধরা পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার ব্যবস্থাও থাকবে।
আজ মঙ্গলবার থেকে মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি কার্যক্রম শুরু হবে। হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৯৯টি এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের গতি ও গতিপথ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোনো যানবাহন অতিরিক্ত গতিতে চললে বা বেপরোয়া চালানোসহ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে তা প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। পরে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশের অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চালানোর কারণে এ মহাসড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এআইভিত্তিক নজরদারি চালু হলে আইন লঙ্ঘনের প্রবণতা কমার পাশাপাশি চালকদের মধ্যে সচেতনতা ও শৃঙ্খলা বাড়বে।
নিয়মিত মহাসড়কে যানবাহন চালানো চালকরাও উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, ক্যামেরার নজরদারি থাকলে সড়কে আইন মানার প্রবণতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনাও কমতে পারে।
যাত্রীবাহী বাসচালক আব্দুল মতিন বলেন, ক্যামেরায় যানবাহনের ছবি ও সংশ্লিষ্ট তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে আইন ভঙ্গের পর তা অস্বীকার করা বা মিথ্যা তথ্য দেওয়ার সুযোগ কমে যাবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা পরিশোধের ব্যবস্থা থাকায় চালক ও গাড়ির মালিকÑদুজনই আরও সচেতন থাকবেন।
ট্রাকচালক আবু তাহের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বেশির ভাগ দুর্ঘটনার পেছনে চালকদের বেপরোয়া মনোভাব অন্যতম কারণ। এআই ক্যামেরার নজরদারি চালু হলে অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা কমবে। একই সঙ্গে চালকেরা ট্রাফিক আইন মানতে আরও বাধ্য হবেন।
সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব এক্সিডেন্টসের প্রতিষ্ঠাতা কাজী আবদুর রাজ্জাক (রাশেদ) বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও সরকার যুগোপযোগী একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। চালক ও সংশ্লিষ্টদের অসচেতনতার কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা চালু হলে চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসতে পারে।
কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোট ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে কুমিল্লা অংশে থাকবে ১৯৯টি। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালু হলে ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে চালকদের মধ্যে শৃঙ্খলা বাড়বে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।
তিনি বলেন, মহাসড়কে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ যান চলাচল নিশ্চিত করাই এআই ক্যামেরা স্থাপনের মূল লক্ষ্য।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যান চলাচল পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালানোসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত করা হবে। আইন লঙ্ঘন ধরা পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার ব্যবস্থাও থাকবে।
আজ মঙ্গলবার থেকে মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি কার্যক্রম শুরু হবে। হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার অংশে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৯৯টি এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের গতি ও গতিপথ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোনো যানবাহন অতিরিক্ত গতিতে চললে বা বেপরোয়া চালানোসহ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে তা প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। পরে আইন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশের অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চালানোর কারণে এ মহাসড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এআইভিত্তিক নজরদারি চালু হলে আইন লঙ্ঘনের প্রবণতা কমার পাশাপাশি চালকদের মধ্যে সচেতনতা ও শৃঙ্খলা বাড়বে।
নিয়মিত মহাসড়কে যানবাহন চালানো চালকরাও উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, ক্যামেরার নজরদারি থাকলে সড়কে আইন মানার প্রবণতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনাও কমতে পারে।
যাত্রীবাহী বাসচালক আব্দুল মতিন বলেন, ক্যামেরায় যানবাহনের ছবি ও সংশ্লিষ্ট তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে আইন ভঙ্গের পর তা অস্বীকার করা বা মিথ্যা তথ্য দেওয়ার সুযোগ কমে যাবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা পরিশোধের ব্যবস্থা থাকায় চালক ও গাড়ির মালিকÑদুজনই আরও সচেতন থাকবেন।
ট্রাকচালক আবু তাহের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বেশির ভাগ দুর্ঘটনার পেছনে চালকদের বেপরোয়া মনোভাব অন্যতম কারণ। এআই ক্যামেরার নজরদারি চালু হলে অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা কমবে। একই সঙ্গে চালকেরা ট্রাফিক আইন মানতে আরও বাধ্য হবেন।
সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব এক্সিডেন্টসের প্রতিষ্ঠাতা কাজী আবদুর রাজ্জাক (রাশেদ) বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও সরকার যুগোপযোগী একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে। চালক ও সংশ্লিষ্টদের অসচেতনতার কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা চালু হলে চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসতে পারে।
কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোট ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে কুমিল্লা অংশে থাকবে ১৯৯টি। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালু হলে ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে চালকদের মধ্যে শৃঙ্খলা বাড়বে। পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।
তিনি বলেন, মহাসড়কে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ যান চলাচল নিশ্চিত করাই এআই ক্যামেরা স্থাপনের মূল লক্ষ্য।