নিজস্ব প্রতিবেদক

সাদা শাড়ির লাল পাড়ে নারীদের বৈশাখী পোশাক। আছে রং বেরঙের সেলোয়ার কামিজ। ছেলেদের সাদা পায়জামা ও নানা ধরণের পাঞ্জাবি। আছে টি শার্টও। নতুন পোশাক পরে ভোরের আলো ফোটার পর থেকে কুমিল্লায় বৈশাখী আয়োজন বাংলা নববর্ষ শুরু হয়। দিনটি উপলক্ষে কুমিল্লা উৎসবের নগরীতে রূপ নেয়। হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান, লালমাই পাহাড়ের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সবাই একসাথে বর্ষবরণ করে। ধর্মসাগরপাড়কে ঘিরে পহেলা বৈশাখের আনন্দে মেতে উঠে বাঙালি। আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ কে নানাভাবে বরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট, সচেতন নাগরিক ফোরাম, সংলাপ ও প্রতিবিম্ব থিয়েটার, কুমিল্লা ক্লাব ও কুমিল্লা প্রেসক্লাব পৃথক কর্মসূচি পালন করে। কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বসে মেলা। এছাড়া ভাষাসৈনিক অজিতগুহ কলেজ ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নানা অনুষ্ঠান হয়। বিবেকের উদ্যোগে গোমতী বাঁধে ম্যারাথন দৌঁড় হয়।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে শোভাযাত্রা বের করে জেলা প্রশাসন। এতে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল বাসার ভূঁঞা, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা নগর উদ্যানের জামতলায় কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট সকালে গানে গানে বৈশাখ করে। এরপর সকাল নয়টায় শোভাযাত্রা করে। বিকেলে রম্য বিতর্ক হয়। সংবর্ধনা দেওয়া হয় পরিবেশবিদ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে। সন্ধ্যায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় জোটের সমন্বয়ক শহীদুল হক স্বপন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু , কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম , ভাষাসৈনিক অজিতগুহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম, ছড়াকার জহিরুল হক দুলাল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল ও বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসীম ও বার্ডের যুগ্ম পরিচালক কাজী সোনিয়া রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল তিনটায় কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে সচেতন রাজনৈতিক ফোরাম শোভাযাত্রা বের করে। বিকেলে কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের কবি নজরুল ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভা ও গান, নাচ হয়। এতে কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ , লেখক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবু আয়ুব হামিদ, উৎসবের প্রধান সমন্বয়ক শাহ মো. সেলিম, সমন্বয়ক শেখ আবদুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা ক্লাবে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শোয়েব সোহেল।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবে পান্তা ইলিশ খাওয়া হয়। এতে অংশ নেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান।
এদিকে নববর্ষ উপলক্ষে তরুণ তরুণীরা মেতে উঠেন ধর্মসাগর পাড়ে। তারা নৌকা চড়েন। গলা ছেড়ে গান গান।

সাদা শাড়ির লাল পাড়ে নারীদের বৈশাখী পোশাক। আছে রং বেরঙের সেলোয়ার কামিজ। ছেলেদের সাদা পায়জামা ও নানা ধরণের পাঞ্জাবি। আছে টি শার্টও। নতুন পোশাক পরে ভোরের আলো ফোটার পর থেকে কুমিল্লায় বৈশাখী আয়োজন বাংলা নববর্ষ শুরু হয়। দিনটি উপলক্ষে কুমিল্লা উৎসবের নগরীতে রূপ নেয়। হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান, লালমাই পাহাড়ের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সবাই একসাথে বর্ষবরণ করে। ধর্মসাগরপাড়কে ঘিরে পহেলা বৈশাখের আনন্দে মেতে উঠে বাঙালি। আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ কে নানাভাবে বরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট, সচেতন নাগরিক ফোরাম, সংলাপ ও প্রতিবিম্ব থিয়েটার, কুমিল্লা ক্লাব ও কুমিল্লা প্রেসক্লাব পৃথক কর্মসূচি পালন করে। কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বসে মেলা। এছাড়া ভাষাসৈনিক অজিতগুহ কলেজ ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নানা অনুষ্ঠান হয়। বিবেকের উদ্যোগে গোমতী বাঁধে ম্যারাথন দৌঁড় হয়।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে শোভাযাত্রা বের করে জেলা প্রশাসন। এতে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল বাসার ভূঁঞা, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা নগর উদ্যানের জামতলায় কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোট সকালে গানে গানে বৈশাখ করে। এরপর সকাল নয়টায় শোভাযাত্রা করে। বিকেলে রম্য বিতর্ক হয়। সংবর্ধনা দেওয়া হয় পরিবেশবিদ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে। সন্ধ্যায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় জোটের সমন্বয়ক শহীদুল হক স্বপন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু , কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম , ভাষাসৈনিক অজিতগুহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম, ছড়াকার জহিরুল হক দুলাল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল ও বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসীম ও বার্ডের যুগ্ম পরিচালক কাজী সোনিয়া রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল তিনটায় কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে সচেতন রাজনৈতিক ফোরাম শোভাযাত্রা বের করে। বিকেলে কুমিল্লা নগরের ধর্মসাগরপাড়ের কবি নজরুল ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভা ও গান, নাচ হয়। এতে কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ , লেখক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবু আয়ুব হামিদ, উৎসবের প্রধান সমন্বয়ক শাহ মো. সেলিম, সমন্বয়ক শেখ আবদুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা ক্লাবে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শোয়েব সোহেল।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবে পান্তা ইলিশ খাওয়া হয়। এতে অংশ নেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান।
এদিকে নববর্ষ উপলক্ষে তরুণ তরুণীরা মেতে উঠেন ধর্মসাগর পাড়ে। তারা নৌকা চড়েন। গলা ছেড়ে গান গান।