আমার শহর ডেস্ক

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কায় নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে মা-মেয়েসহ এক পরিবারের তিন সদস্য এবং স্বামী-স্ত্রীসহ আরেক পরিবারের দুই সদস্য রয়েছেন।
আজ রোববার দুপুরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বই থেকে তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লার ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩), ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬), তার দুই মেয়ে খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৪), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬), যশোরের চৌগাছার ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫), নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩), লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজউদ্দৌলার মেয়ে সায়েদা (৯), ঝিনাইদহ সদরের মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে জোয়াদ বিশ্বাস (২০), মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬) এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮)।
এর আগে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিং এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন ‘মামুন পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসটি রেললাইনের ওপর দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রেনটি।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ায়। এ ঘটনায় আরো অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরপরই চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা দুই গেটম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি রেলওয়ের পক্ষ থেকে দুটি এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কায় নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে মা-মেয়েসহ এক পরিবারের তিন সদস্য এবং স্বামী-স্ত্রীসহ আরেক পরিবারের দুই সদস্য রয়েছেন।
আজ রোববার দুপুরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বই থেকে তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লার ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩), ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬), তার দুই মেয়ে খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৪), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬), যশোরের চৌগাছার ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫), নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩), লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজউদ্দৌলার মেয়ে সায়েদা (৯), ঝিনাইদহ সদরের মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে জোয়াদ বিশ্বাস (২০), মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬) এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮)।
এর আগে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে পদুয়ার বাজার লেভেলক্রসিং এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন ‘মামুন পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসটি রেললাইনের ওপর দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রেনটি।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ায়। এ ঘটনায় আরো অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনার পরপরই চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা দুই গেটম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি রেলওয়ের পক্ষ থেকে দুটি এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।