নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩৪তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের এই কর্মকর্তা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি মা, চিকিৎসক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়।

আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা হাজীগঞ্জে তৃতীয় জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সাইফুল মালিক অসম্ভব বিনয়ী, মৃদুভাষী ও চরম ভদ্র মানুষ ছিলেন। অসম্ভব পয়মন্ত ছিলেন। মিটিমিটি হাসতেন।

তাঁর বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের সন্তান। তাঁর জন্ম ১৯৮১ সালে। ১৯৯৫ সালে তিনি দাখিল পাস করেন। ২০০৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় এমএসসি করেন। তিনি প্রাণিবিদ্যার ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, পাসপোর্টের সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পদে কাজ করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (অস্ট্রেলিয়াতে শিক্ষা ছুটিতে থাকা) মেহেদী হাসানের বড় ভাই সাইফুল মালিক।

আজ বাদ জোহর ঢাকার রাজার বাগ পুলিশ লাইনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা বিকেলে কুমিল্লা পুলিশ লাইন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, মহানগর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা।
সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সাইফুল মালিক ছিলেন নির্মোহ, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসার।
সাইফুল মালিক ২০ জুলাই ব্রেন স্ট্রোক করেছিলেন। এরপর তাঁকে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার গ্রীণ লাইফ হাসপাতাল হয়ে এভারকেয়ারে গতকাল বুধবার রাতে অপারেশন হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কানাডা থেকে খুব সকালে কুমিল্লা- বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক আমাদের আইনুল হক খোকন খবরটি নিশ্চিত করেন।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন)।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩৪তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের এই কর্মকর্তা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি মা, চিকিৎসক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়।

আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা হাজীগঞ্জে তৃতীয় জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
সাইফুল মালিক অসম্ভব বিনয়ী, মৃদুভাষী ও চরম ভদ্র মানুষ ছিলেন। অসম্ভব পয়মন্ত ছিলেন। মিটিমিটি হাসতেন।

তাঁর বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের সন্তান। তাঁর জন্ম ১৯৮১ সালে। ১৯৯৫ সালে তিনি দাখিল পাস করেন। ২০০৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় এমএসসি করেন। তিনি প্রাণিবিদ্যার ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, পাসপোর্টের সহকারী পরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পদে কাজ করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি বিয়ে করেন। ২০১৬ সালে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (অস্ট্রেলিয়াতে শিক্ষা ছুটিতে থাকা) মেহেদী হাসানের বড় ভাই সাইফুল মালিক।

আজ বাদ জোহর ঢাকার রাজার বাগ পুলিশ লাইনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা বিকেলে কুমিল্লা পুলিশ লাইন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান, মহানগর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা।
সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সাইফুল মালিক ছিলেন নির্মোহ, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসার।
সাইফুল মালিক ২০ জুলাই ব্রেন স্ট্রোক করেছিলেন। এরপর তাঁকে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার গ্রীণ লাইফ হাসপাতাল হয়ে এভারকেয়ারে গতকাল বুধবার রাতে অপারেশন হয়। আজ বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। কানাডা থেকে খুব সকালে কুমিল্লা- বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক আমাদের আইনুল হক খোকন খবরটি নিশ্চিত করেন।