নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় ‘চুরির অভিযোগে’ দুই যুবককে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে ইলেকট্রিক শক দিয়ে নির্যাতন করেছে স্থানীয় লোকজন। গতকাল শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের মনশাসন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার মো. নাঈম (২৬) মনশাসন এলাকার বাসিন্দা। তাঁর সহযোগী যুবক (২৪) শহরতলীর শাসনগাছা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর নামপরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মনশাসন এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছিল। বাদ যায়নি স্থানীয় জামে মসজিদ। একই গ্রামের মো. নাঈম ও তাঁর সহযোগীদের দিকে সন্দেহ ছিল এলাকাবাসীর।
স্থানীয় বাসিন্দা তফাজ্জল হোসেন বলেন, গতকাল শুক্রবার ভোরে মনশাসন জামে মসজিদ থেকে মাইকের ব্যাটারি চুরির সময় নাঈম ও তাঁর এক সহযোগীকে আটক করে এলাকার লোকজন। এ সময় তাদের বেঁধে মারধর করা হয়।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, রশি দিয়ে দুই যুবককে বেঁধে মারধরসহ ইলেকট্রিক শক দিয়ে তাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এ সময় তারা বাঁচার জন্য চিৎকার করতে করতে কানে ধরে ক্ষমা চাইলেও রক্ষা পাননি। তাদের শরীর থেকে রক্ত ঝরতেও দেখা যায়। বেশ কিছু লোক তাদের ঘিরে থাকতে দেখা গেলেও কেউই নির্যাতনকারীদের নিবৃত করেনি।
নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সকালেই নির্যাতনের পর দুই যুবককে ছেড়ে দেওয়ায় তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। আত্মগোপনে থাকায় চেষ্টা করেও নির্যাতিত দুই যুবকের বক্তব্য জানা যায়নি।
রাতে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফারুক হোসেন জানান, দুই ভুক্তভোগী যুবক এখনও নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ না দিলেও একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে যান তারা।
স্থানীয় লোকজন দাবি করেছে, মসজিদের মাইকের ব্যাটারি চুরির সময় তাদের আটক করা হয়। নির্যাতনের পর তাদের ছেড়ে দেওয়ায় তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় ‘চুরির অভিযোগে’ দুই যুবককে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে ইলেকট্রিক শক দিয়ে নির্যাতন করেছে স্থানীয় লোকজন। গতকাল শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের মনশাসন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার মো. নাঈম (২৬) মনশাসন এলাকার বাসিন্দা। তাঁর সহযোগী যুবক (২৪) শহরতলীর শাসনগাছা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর নামপরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মনশাসন এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটছিল। বাদ যায়নি স্থানীয় জামে মসজিদ। একই গ্রামের মো. নাঈম ও তাঁর সহযোগীদের দিকে সন্দেহ ছিল এলাকাবাসীর।
স্থানীয় বাসিন্দা তফাজ্জল হোসেন বলেন, গতকাল শুক্রবার ভোরে মনশাসন জামে মসজিদ থেকে মাইকের ব্যাটারি চুরির সময় নাঈম ও তাঁর এক সহযোগীকে আটক করে এলাকার লোকজন। এ সময় তাদের বেঁধে মারধর করা হয়।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, রশি দিয়ে দুই যুবককে বেঁধে মারধরসহ ইলেকট্রিক শক দিয়ে তাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এ সময় তারা বাঁচার জন্য চিৎকার করতে করতে কানে ধরে ক্ষমা চাইলেও রক্ষা পাননি। তাদের শরীর থেকে রক্ত ঝরতেও দেখা যায়। বেশ কিছু লোক তাদের ঘিরে থাকতে দেখা গেলেও কেউই নির্যাতনকারীদের নিবৃত করেনি।
নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সকালেই নির্যাতনের পর দুই যুবককে ছেড়ে দেওয়ায় তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। আত্মগোপনে থাকায় চেষ্টা করেও নির্যাতিত দুই যুবকের বক্তব্য জানা যায়নি।
রাতে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ফারুক হোসেন জানান, দুই ভুক্তভোগী যুবক এখনও নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ না দিলেও একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে যান তারা।
স্থানীয় লোকজন দাবি করেছে, মসজিদের মাইকের ব্যাটারি চুরির সময় তাদের আটক করা হয়। নির্যাতনের পর তাদের ছেড়ে দেওয়ায় তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।