• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা

সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলেই তনু হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে: তনুর বাবা

গাজীউল হক সোহাগ
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ৪৩
logo

সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলেই তনু হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে: তনুর বাবা

গাজীউল হক সোহাগ

প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ৪৩
Photo

সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলেই তনু হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে। সার্জেন্ট জাহিদ এ হত্যাকাণ্ডের সবকিছু জানে। সবার আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা দরকার। সে যেন কোনোভাবেই দেশ ত্যাগ করতে না পারে। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। ১০ বছর আগে তনু হত্যার পরপরই আমি বলেছিলাম, সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কিন্তু সেই সময়ে সেনাবাহিনীর ঊর্ধতন কর্মকর্তারা তাঁদের আইনের আওতায় আনেন নি। আমাদের কখনো পুরো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল না। অভিযোগ ছিল যেসব সেনা সদস্য আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করেছে। এ হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে। ওই সময়ে সেনাবাহিনী চাইলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাজা দিয়ে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর কাছে বাহবা পেত। কিন্তু তৎকালীন ঊর্ধতন সেনাকর্মকর্তারা সেটি করতে পারেনি। এ হত্যাকাণ্ড দেশবাসীর মনে দাগ কেটেছিল। বর্তমান সরকার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বর্তমান সেনাপ্রধানের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে, এক দশক পর একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো। এখন আমার মনে হচ্ছে বিচারটা হবে। দেশবাসী ও আমাদের পরিবার কুৎসিত মুখগুলোকে দেখতে পাবে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার বাদী মো. ইয়ার হোসেন এসব কথা বলেন। ইয়ার হোসেন তনুর বাবা। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। অবসরের আগে তিনি বোর্ডের অফিস সহায়ক ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে। ওই গ্রামের খালের পাড়ের একটি কবরস্থানে শায়িত আছেন সোহাগী জাহান তনু।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার মাইয়াডারে বহুত কষ্ট দিয়ে মারছে তারা। আমি আগে কইছিলাম, গরীবের কেউ নেই। গরীব মাইনসের লাই বিচার নাই। অহন দেখি বিচার অইব। জাহিদ ও জাহিদের বউডারে গ্রেপ্তার করলে সব পরিস্কার হবে। এখন বিচার দেখার অপেক্ষায় আছি। খুনিদের ফাঁসি দেখার অপেক্ষায় আছি।’

সোহাগী জাহান তনু হত্যার ঘটনায় তনুর বাবা ও মা বারবার সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তনুর বাবা—মায়ের দাবি দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করা হোক।

তনুর পরিবারের ভাষ্য, তনু হত্যার বিচার হলে সেনাবাহিনীর সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। দেশের জনগণের আস্থা আরও বাড়বে। নিরাপদ এলাকায় সেনাবাহিনীর স্ত্রী ও সন্তানেরা নিরাপদ থাকবে না, এটা কোনোভাবেই মাথায় আসছে না। পরিবারটি এ মামলা নিয়ে এখন আশার আলো দেখছে।

কুমিল্লার সুশীল সমাজের অন্তত তিনজন ব্যক্তি বলেছেন, তনু হত্যার সময় কুমিল্লা সিআইডিতে একজন বিশেষ পুলিশ সুপার ছিলেন। তিনি ওই সময়ে অত্যন্ত গভীরে গিয়ে তদন্ত করেন। তিনিই প্রথম বিচার বিশ্লেষণ করে বলেছিলেন, তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ওই পুলিশ সুপারের জবানবন্দী নিলে এ মামলার তদন্তের গতি আরও বাড়বে।

তনু হত্যার সময় রাজপথে আন্দোলন করা প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ব্যক্তি খায়রুল আনাম রায়হান বলেন, তনুর পরিবারের বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আমরা চাই এ জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক।

তনুর নাট্য সংগঠন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থিয়েটারের কমীর্রা বলেছেন, ওই সময়ে (১০ বছর আগে) বহু চাপে থেকে আন্দোলন করতে হয়েছে। এখন চাপমুক্ত অবস্থায় বিচার চাই আমরা।

উল্লেখ, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে যান তনু। এরপর আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খেঁাজাখুঁজি করে কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তাঁর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই সময়ে তনুর বাবা কয়েকজনের নাম দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের মনিরুল নামের এক ব্যক্তি অজ্ঞাতনামা দিয়ে দরখাস্ত লিখেন। এরপর ইয়ার হোসেন সেটিতে সই করতে বাধ্য হন।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন দুই দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তনুর মৃত্যুর কারণ খুঁজে না পাওয়ার তথ্য জানায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের এক নারী চিকিৎসক। এখন এই হত্যাকাণ্ডের শেষ ভরসা ডিএনএ রিপোর্ট। ২০১৭ সালের মে মাসে তৎকালীন তদন্ত সংস্থা সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। এ ছাড়া তনুর মায়ের সন্দেহ করা তিনজনকে ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর সিআইডির একটি দল ঢাকা সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। তবে ওই সময়ে তাঁদের নাম গণমাধ্যমকে জানায়নি সিআইডি। দীর্ঘ ১০ বছরেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন বা জড়িত ব্যক্তিদের নাম সামনে জনসম্মুখে না আসায় এ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। ইতিমধ্যে ছয়বার তদন্ত কর্মকর্তা ও তদন্ত সংস্থা অদলবদল হয়।

মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গত ২১ এপ্রিল ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে কুমিল্লা সেনানিবাসের তৎকালীন সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান (৫২) কে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে হাফিজুর রিমান্ডে আছেন। ইতিমধ্যে হাফিজুরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিমান্ড চলছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা এই মামলা নিয়ে গবেষণা করছি। সবার সঙ্গে কথা বলব। আগের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলব।

Thumbnail image

সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলেই তনু হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে। সার্জেন্ট জাহিদ এ হত্যাকাণ্ডের সবকিছু জানে। সবার আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা দরকার। সে যেন কোনোভাবেই দেশ ত্যাগ করতে না পারে। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। ১০ বছর আগে তনু হত্যার পরপরই আমি বলেছিলাম, সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কিন্তু সেই সময়ে সেনাবাহিনীর ঊর্ধতন কর্মকর্তারা তাঁদের আইনের আওতায় আনেন নি। আমাদের কখনো পুরো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল না। অভিযোগ ছিল যেসব সেনা সদস্য আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করেছে। এ হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে। ওই সময়ে সেনাবাহিনী চাইলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাজা দিয়ে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর কাছে বাহবা পেত। কিন্তু তৎকালীন ঊর্ধতন সেনাকর্মকর্তারা সেটি করতে পারেনি। এ হত্যাকাণ্ড দেশবাসীর মনে দাগ কেটেছিল। বর্তমান সরকার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বর্তমান সেনাপ্রধানের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে, এক দশক পর একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো। এখন আমার মনে হচ্ছে বিচারটা হবে। দেশবাসী ও আমাদের পরিবার কুৎসিত মুখগুলোকে দেখতে পাবে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার বাদী মো. ইয়ার হোসেন এসব কথা বলেন। ইয়ার হোসেন তনুর বাবা। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। অবসরের আগে তিনি বোর্ডের অফিস সহায়ক ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে। ওই গ্রামের খালের পাড়ের একটি কবরস্থানে শায়িত আছেন সোহাগী জাহান তনু।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার মাইয়াডারে বহুত কষ্ট দিয়ে মারছে তারা। আমি আগে কইছিলাম, গরীবের কেউ নেই। গরীব মাইনসের লাই বিচার নাই। অহন দেখি বিচার অইব। জাহিদ ও জাহিদের বউডারে গ্রেপ্তার করলে সব পরিস্কার হবে। এখন বিচার দেখার অপেক্ষায় আছি। খুনিদের ফাঁসি দেখার অপেক্ষায় আছি।’

সোহাগী জাহান তনু হত্যার ঘটনায় তনুর বাবা ও মা বারবার সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তনুর বাবা—মায়ের দাবি দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তার করা হোক।

তনুর পরিবারের ভাষ্য, তনু হত্যার বিচার হলে সেনাবাহিনীর সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। দেশের জনগণের আস্থা আরও বাড়বে। নিরাপদ এলাকায় সেনাবাহিনীর স্ত্রী ও সন্তানেরা নিরাপদ থাকবে না, এটা কোনোভাবেই মাথায় আসছে না। পরিবারটি এ মামলা নিয়ে এখন আশার আলো দেখছে।

কুমিল্লার সুশীল সমাজের অন্তত তিনজন ব্যক্তি বলেছেন, তনু হত্যার সময় কুমিল্লা সিআইডিতে একজন বিশেষ পুলিশ সুপার ছিলেন। তিনি ওই সময়ে অত্যন্ত গভীরে গিয়ে তদন্ত করেন। তিনিই প্রথম বিচার বিশ্লেষণ করে বলেছিলেন, তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ওই পুলিশ সুপারের জবানবন্দী নিলে এ মামলার তদন্তের গতি আরও বাড়বে।

তনু হত্যার সময় রাজপথে আন্দোলন করা প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ব্যক্তি খায়রুল আনাম রায়হান বলেন, তনুর পরিবারের বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আমরা চাই এ জঘন্য হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক।

তনুর নাট্য সংগঠন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থিয়েটারের কমীর্রা বলেছেন, ওই সময়ে (১০ বছর আগে) বহু চাপে থেকে আন্দোলন করতে হয়েছে। এখন চাপমুক্ত অবস্থায় বিচার চাই আমরা।

উল্লেখ, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে যান তনু। এরপর আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খেঁাজাখুঁজি করে কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তাঁর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই সময়ে তনুর বাবা কয়েকজনের নাম দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের মনিরুল নামের এক ব্যক্তি অজ্ঞাতনামা দিয়ে দরখাস্ত লিখেন। এরপর ইয়ার হোসেন সেটিতে সই করতে বাধ্য হন।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন দুই দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তনুর মৃত্যুর কারণ খুঁজে না পাওয়ার তথ্য জানায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের এক নারী চিকিৎসক। এখন এই হত্যাকাণ্ডের শেষ ভরসা ডিএনএ রিপোর্ট। ২০১৭ সালের মে মাসে তৎকালীন তদন্ত সংস্থা সিআইডি তনুর পোশাক থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। এ ছাড়া তনুর মায়ের সন্দেহ করা তিনজনকে ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর সিআইডির একটি দল ঢাকা সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। তবে ওই সময়ে তাঁদের নাম গণমাধ্যমকে জানায়নি সিআইডি। দীর্ঘ ১০ বছরেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন বা জড়িত ব্যক্তিদের নাম সামনে জনসম্মুখে না আসায় এ নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। ইতিমধ্যে ছয়বার তদন্ত কর্মকর্তা ও তদন্ত সংস্থা অদলবদল হয়।

মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গত ২১ এপ্রিল ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে কুমিল্লা সেনানিবাসের তৎকালীন সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান (৫২) কে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে হাফিজুর রিমান্ডে আছেন। ইতিমধ্যে হাফিজুরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিমান্ড চলছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আমরা এই মামলা নিয়ে গবেষণা করছি। সবার সঙ্গে কথা বলব। আগের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলব।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

আধুনিক ও বাসযোগ্য কুমিল্লা নগর বিনির্মাণ নিয়ে কর্মপরিকল্পনা সভা কাল

২

সার্জেন্ট জাহিদ ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলেই তনু হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে: তনুর বাবা

৩

আসামি হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

৪

ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল ‘বহিরাগত’ শিবির নেতাকর্মীরা, আহত ১৫

৫

হাইকোর্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো সেই বিচারপতিকে

সম্পর্কিত

আধুনিক ও বাসযোগ্য কুমিল্লা নগর বিনির্মাণ নিয়ে কর্মপরিকল্পনা সভা কাল

আধুনিক ও বাসযোগ্য কুমিল্লা নগর বিনির্মাণ নিয়ে কর্মপরিকল্পনা সভা কাল

৩৯ মিনিট আগে
আসামি হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

আসামি হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ

৮ ঘণ্টা আগে
ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল ‘বহিরাগত’ শিবির নেতাকর্মীরা, আহত ১৫

ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াল ‘বহিরাগত’ শিবির নেতাকর্মীরা, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে
হাইকোর্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো সেই বিচারপতিকে

হাইকোর্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো সেই বিচারপতিকে

১ দিন আগে