কুমিল্লায় ১০২ মিমি বৃষ্টিপাত
টানা তিনদিন ধরে বিদ্যুৎ নেই অনেক উপজেলায়
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় দেড় ঘণ্টায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। আকস্মিক এই অতিভারী বর্ষণে নগরে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। এদিকে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় ৬৫-৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়। আজ মঙ্গলবারের ঝড়ো বাতাস ও গত রোববারের কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে কুমিল্লার বেশির ভাগ উপজেলায়।
কুমিল্লা আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টেলিপ্রিন্টার অপারেটর সৈয়দ আরিফুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় কুমিল্লায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এসময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার।
মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরের দুয়েকটি ব্যতীত প্রায় সবকটি সড়ক ডুবে যায়। সড়ক ডোবার পাশাপাশি বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে। আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ। এছাড়া চলমান ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কুমিল্লা নগরের ইশ্বর পাঠশালা কেন্দ্রে হাঁটুসমান পানিতে পরীক্ষা দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ সড়ক, ফৌজদারী, ছোটরা, কান্দিরপাড়-টমছমব্রিজ সড়ক, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আঙিনা, ধর্মপুর, দৌলতপুর, স্টেডিয়াম মার্কেট, আদালত সড়কসহ প্রায় সব সড়কেই জল থইথই করে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেনের ময়লা পানি প্রবাহিত হতে দেখা যায়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক লেবার নিয়োজিত করেছি। যেখানে যেখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লায় দেড় ঘণ্টায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। আকস্মিক এই অতিভারী বর্ষণে নগরে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। এদিকে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে সঙ্গে জেলায় ৬৫-৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়। আজ মঙ্গলবারের ঝড়ো বাতাস ও গত রোববারের কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে কুমিল্লার বেশির ভাগ উপজেলায়।
কুমিল্লা আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টেলিপ্রিন্টার অপারেটর সৈয়দ আরিফুর রহমান জানান, আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় কুমিল্লায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এসময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার।
মঙ্গলবারের বৃষ্টিতে কুমিল্লা নগরের দুয়েকটি ব্যতীত প্রায় সবকটি সড়ক ডুবে যায়। সড়ক ডোবার পাশাপাশি বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ে। আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় বিপাকে পড়েন সাধারণ মানুষ। এছাড়া চলমান ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কুমিল্লা নগরের ইশ্বর পাঠশালা কেন্দ্রে হাঁটুসমান পানিতে পরীক্ষা দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ সড়ক, ফৌজদারী, ছোটরা, কান্দিরপাড়-টমছমব্রিজ সড়ক, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আঙিনা, ধর্মপুর, দৌলতপুর, স্টেডিয়াম মার্কেট, আদালত সড়কসহ প্রায় সব সড়কেই জল থইথই করে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেনের ময়লা পানি প্রবাহিত হতে দেখা যায়।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা ওয়ার্ডভিত্তিক লেবার নিয়োজিত করেছি। যেখানে যেখানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।