গাছ উপড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন
বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় আজ মঙ্গলবার সকালে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ৮ থেকে ১০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৫ থেকে ৬টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং শতাধিক স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া অতিবৃষ্টিতে বোরো ধান ও শাক-সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বুড়িচং উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল কালবৈশাখী ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মোকাম ইউনিয়নের মিথলমা গ্রামে সিএনজি অটোরিকশাচালক রবিউল হাসানের একটি বসতঘর এবং বিল্লাল হোসেনের একটি ঘরের ওপর গাছ পড়ে ঘর দুটি ভেঙে যায়। এছাড়া আবিদপুর গ্রামের একটি ঘরও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হোসেন। তিনি জানান, ভারী বৃষ্টিতে বোরো ধান ও শাক-সবজির খেত তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের গক্ষুর গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল জানান, ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি, তার ও গাছপালা ভেঙে পড়ে অন্তত ৫টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শাহ আলমের দুটি ঘর, সুমন সরকারের একটি ঘর, রামু চন্দ্র শীলের একটি ঘর এবং শহীদের একটি ঘর ভেঙে গেছে।
বুড়িচং উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, কালবৈশাখীর তান্ডবে শতাধিক গাছ ভেঙে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে এবং অন্তত দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঝড় থেমে যাওয়ার পরপরই বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন ও লাইন সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। উপজেলার ৫৩ হাজার গ্রাহকের জন্য ১১টি বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩টি লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়েছে। বাকি লাইনে সংযোগ দিতে আরও দুই দিন সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।
এদিকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেন বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে মোকাম ইউনিয়নের মিথলমা, ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। গাছ পড়ে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আনন্দপুর গ্রামের শামসু মিয়া নামে একজন বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় আজ মঙ্গলবার সকালে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ৮ থেকে ১০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৫ থেকে ৬টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং শতাধিক স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া অতিবৃষ্টিতে বোরো ধান ও শাক-সবজির খেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বুড়িচং উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল কালবৈশাখী ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মোকাম ইউনিয়নের মিথলমা গ্রামে সিএনজি অটোরিকশাচালক রবিউল হাসানের একটি বসতঘর এবং বিল্লাল হোসেনের একটি ঘরের ওপর গাছ পড়ে ঘর দুটি ভেঙে যায়। এছাড়া আবিদপুর গ্রামের একটি ঘরও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হোসেন। তিনি জানান, ভারী বৃষ্টিতে বোরো ধান ও শাক-সবজির খেত তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের গক্ষুর গ্রামের ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল জানান, ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটি, তার ও গাছপালা ভেঙে পড়ে অন্তত ৫টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শাহ আলমের দুটি ঘর, সুমন সরকারের একটি ঘর, রামু চন্দ্র শীলের একটি ঘর এবং শহীদের একটি ঘর ভেঙে গেছে।
বুড়িচং উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, কালবৈশাখীর তান্ডবে শতাধিক গাছ ভেঙে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে এবং অন্তত দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ঝড় থেমে যাওয়ার পরপরই বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন ও লাইন সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। উপজেলার ৫৩ হাজার গ্রাহকের জন্য ১১টি বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩টি লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হয়েছে। বাকি লাইনে সংযোগ দিতে আরও দুই দিন সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান।
এদিকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হোসেন বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে মোকাম ইউনিয়নের মিথলমা, ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। গাছ পড়ে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আনন্দপুর গ্রামের শামসু মিয়া নামে একজন বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরকারি ত্রাণ তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।