নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক শেখর রঞ্জন সাহা আর নেই।
আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটা পাঁচ মিনিটে নানাবিধ রোগে তিনি রাজধানীর গ্রীণ লীফ হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী গৌরি দাসকে রেখে গেছে। রাত সাড়ে আটটায় কুমিল্লা নগরের ঠাকুরপাড়া মহাশ্মশানে তাঁর অন্তোষ্ট্রিক্রিয়া হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। তাঁর বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়। ১৯৫৯ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি সব পর্যায়ের পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৯ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। এরপর তিনি কুমিল্লা শহরে থিতু হন। পরে তিনি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন। সেখান থেকেই তিনি অবসরে যান। তিনি কিছুদিন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বেও ছিলেন। ১৯৮৪ সালে তিনি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের ফেনুয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী দাস বাড়ির গৌরি দাসকে বিয়ে করেন। গৌরি দাস শৈলরাণী দেবী পৌর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
কুমিল্লার প্রবীণ চিকিৎসক বাসুদেব দাসের ছোট বোনের স্বামী শেখর রঞ্জন সাহা। তিনি বলেন, তিনি অসংখ্য গ্রন্থপ্রণেতা। লেখক ছিলেন তিনি। প্রচারবিমুখ ছিলেন। আত্নপ্রচার করতেন না।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন লেখক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, গবেষক ড. আলী হোসেন চৌধুরী, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক অধ্যক্ষ নিখিল চন্দ্র রায়, বিধান চন্দ, অর্জুন চন্দ্র শীল , হরিপদ দাস, অধ্যক্ষ শিবতোষ নাথ, সমীর মজুমদার, অভিজিৎ সিনহা মিঠু, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক গোপা রাণী লোধ ও অধ্যাপক ডা. দীপংকর লোধ। তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ।

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক শেখর রঞ্জন সাহা আর নেই।
আজ মঙ্গলবার বেলা দুইটা পাঁচ মিনিটে নানাবিধ রোগে তিনি রাজধানীর গ্রীণ লীফ হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী গৌরি দাসকে রেখে গেছে। রাত সাড়ে আটটায় কুমিল্লা নগরের ঠাকুরপাড়া মহাশ্মশানে তাঁর অন্তোষ্ট্রিক্রিয়া হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। তাঁর বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায়। ১৯৫৯ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি সব পর্যায়ের পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬৯ সালে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। এরপর তিনি কুমিল্লা শহরে থিতু হন। পরে তিনি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে যোগ দেন। সেখান থেকেই তিনি অবসরে যান। তিনি কিছুদিন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বেও ছিলেন। ১৯৮৪ সালে তিনি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের ফেনুয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী দাস বাড়ির গৌরি দাসকে বিয়ে করেন। গৌরি দাস শৈলরাণী দেবী পৌর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
কুমিল্লার প্রবীণ চিকিৎসক বাসুদেব দাসের ছোট বোনের স্বামী শেখর রঞ্জন সাহা। তিনি বলেন, তিনি অসংখ্য গ্রন্থপ্রণেতা। লেখক ছিলেন তিনি। প্রচারবিমুখ ছিলেন। আত্নপ্রচার করতেন না।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন লেখক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক, গবেষক ড. আলী হোসেন চৌধুরী, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক অধ্যক্ষ নিখিল চন্দ্র রায়, বিধান চন্দ, অর্জুন চন্দ্র শীল , হরিপদ দাস, অধ্যক্ষ শিবতোষ নাথ, সমীর মজুমদার, অভিজিৎ সিনহা মিঠু, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক গোপা রাণী লোধ ও অধ্যাপক ডা. দীপংকর লোধ। তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ।