নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদকে গুলিবিদ্ধের আলোচিত ঘটনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাটাবিল এলাকার আসিফ (২৬), আশিক (৩৫), ইমন (১৯) এবং শ্রাবণ (২২)।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুন রাত থেকে কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপের’ মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এর জের ধরে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবিনিময় ঘটে। এ সময় রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির পথচারী শিক্ষার্থী ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়।
ঘটনার পরপরই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা ও থানা পুলিশের তৎপরতায় ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে জামসেদ হোসেন শ্রাবণকে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৬ রাউন্ড বুলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত অন্য ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, কাটাবিল এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের আওতায় আনা হবে। সেখানে মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজি নির্ম‚লে পুলিশ কাজ করছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী অপু ও সাব্বিরসহ ওই এলাকার সব আলোচিত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হবে।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদকে গুলিবিদ্ধের আলোচিত ঘটনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাটাবিল এলাকার আসিফ (২৬), আশিক (৩৫), ইমন (১৯) এবং শ্রাবণ (২২)।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুন রাত থেকে কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপের’ মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এর জের ধরে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবিনিময় ঘটে। এ সময় রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির পথচারী শিক্ষার্থী ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়।
ঘটনার পরপরই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা ও থানা পুলিশের তৎপরতায় ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে জামসেদ হোসেন শ্রাবণকে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৬ রাউন্ড বুলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত অন্য ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, কাটাবিল এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত সব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের আওতায় আনা হবে। সেখানে মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজি নির্ম‚লে পুলিশ কাজ করছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী অপু ও সাব্বিরসহ ওই এলাকার সব আলোচিত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হবে।