বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে পাওয়া যাবে ৭১ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। নিজস্ব আয় থেকে আসবে ৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, প্রারম্ভিক জের হিসেবে ২ কোটি ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা এবং ঘাটতি বাজেট ধরা হয়েছে ৯০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
আজ সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বাজেট উপস্থাপন করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা ও আইন) মিজ শামিম সুলতানা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিন সাদ আবদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঔষধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত বাজেটের চাহিদা ছিল ১০৬ কোটি ৪ লাখ টাকা। তবে অনুমোদিত বাজেট হয়েছে ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ টাকার ঘাটতি থাকবে।
বাজেট উপস্থাপন শেষে সিন্ডিকেট সদস্যরা বিভিন্ন খাতের ওপর মতামত দেন। পরে বাজেটটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। একই সভায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সরকারি বরাদ্দের ভিত্তিতে ৮৬ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেটও অনুমোদন করা হয়।
৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেটে গবেষণা খাতে পৃথক কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এ খাতের অর্থ 'বিমক'-এর বরাদ্দের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। অনুমোদিত বাজেটের ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেতন-ভাতা ও পেনশন, ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ পণ্য ও সেবা বাবদ সহায়তা, ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ মূলধন অনুদান এবং শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ অন্যান্য অনুদান খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ছিল ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। সেখান থেকে আজ তা বেড়ে ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। আশার কথা হলো, ক্রমান্বয়ে সরকারি অনুদান বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক চাহিদা অনুযায়ী মোট বাজেট আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সাধারণ ও মেধাবৃত্তি প্রদানের জন্য সম্পূর্ণ রাজস্ব তহবিলের মাধ্যমে 'বিমক' খাতে দ্বিগুণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর ও ল্যাবের মেরামতযোগ্য কম্পিউটার বিশেষ সরকারি বরাদ্দ এনে মেরামত করা হয়েছে।
বাজেট অনুমোদন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে বাজেট ব্যয় করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আধুনিকায়নের জন্য সার্বিক চাহিদা বিবেচনায় যুগোপযোগী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আগামীতে বাজেট বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে পাওয়া যাবে ৭১ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। নিজস্ব আয় থেকে আসবে ৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, প্রারম্ভিক জের হিসেবে ২ কোটি ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা এবং ঘাটতি বাজেট ধরা হয়েছে ৯০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
আজ সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বাজেট উপস্থাপন করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা ও আইন) মিজ শামিম সুলতানা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মতিন সাদ আবদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঔষধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত বাজেটের চাহিদা ছিল ১০৬ কোটি ৪ লাখ টাকা। তবে অনুমোদিত বাজেট হয়েছে ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ টাকার ঘাটতি থাকবে।
বাজেট উপস্থাপন শেষে সিন্ডিকেট সদস্যরা বিভিন্ন খাতের ওপর মতামত দেন। পরে বাজেটটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। একই সভায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সরকারি বরাদ্দের ভিত্তিতে ৮৬ কোটি ৪২ লাখ ৭৮ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেটও অনুমোদন করা হয়।
৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেটে গবেষণা খাতে পৃথক কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এ খাতের অর্থ 'বিমক'-এর বরাদ্দের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। অনুমোদিত বাজেটের ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেতন-ভাতা ও পেনশন, ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ পণ্য ও সেবা বাবদ সহায়তা, ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ মূলধন অনুদান এবং শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ অন্যান্য অনুদান খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ছিল ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। সেখান থেকে আজ তা বেড়ে ৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। আশার কথা হলো, ক্রমান্বয়ে সরকারি অনুদান বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক চাহিদা অনুযায়ী মোট বাজেট আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সাধারণ ও মেধাবৃত্তি প্রদানের জন্য সম্পূর্ণ রাজস্ব তহবিলের মাধ্যমে 'বিমক' খাতে দ্বিগুণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর ও ল্যাবের মেরামতযোগ্য কম্পিউটার বিশেষ সরকারি বরাদ্দ এনে মেরামত করা হয়েছে।
বাজেট অনুমোদন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিন্ডিকেট সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে বাজেট ব্যয় করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আধুনিকায়নের জন্য সার্বিক চাহিদা বিবেচনায় যুগোপযোগী উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আগামীতে বাজেট বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।