প্রাণ গেছে চার শতাধিক, বেশি প্রাণহানি পদুয়ার বাজারে
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলার ১০২ কিলোমিটার অংশে বৈধ অবৈধ মিলিয়ে দেড় শতাধিক লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব স্থানে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এদিকে কুমিল্লায় গত ৫ বছরে চার শতাধিক মানুষ গেটে দুর্ঘটনা ও ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। এসব লেভেল ক্রসিং হয়ে উঠেছে মানুষখেকো।
সূত্রমতে, রেল লাইনে বাজার, পাশে জনবসতি, মানুষের অসতর্ক চলাচল, পরিবহন চালকদের বেপরোয়া ড্রাইভিং ও গেটম্যানদের দায়িত্ব অবহেলায় এসব ঘটনা ঘটছে।
সর্বশেষ গত ২১ মার্চ দিবাগত রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বৈধ লেভেল ক্রসিং এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপর দিকে যাওয়ার পথে মামুন স্পেশাল পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুসহ ১২ জনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন অন্তত ১৫ জন। এটি কুমিল্লা অঞ্চলের স্মরণকালের বড় দুর্ঘটনা বলে জানা গেছে।
এছাড়া ২০১১ সালে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল রেল স্টেশন সংলগ্ন অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সাথে বাসে সংঘর্ষে ৮জন মারা যান। ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর বুড়িচং উপজেলার কালিকাপুর অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে অটো রিকশায় ট্রেনের ধাক্কায় ৭জন মারা যান। ২০২৩ সালে মানোহরগঞ্জ উপজেলার তুগুরিয়া এলাকায় অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে সিএনজি অটো রিকশায় ট্রেনের ধাক্কায় ৫জন মারা যান। ২০২২সালের ৯ মার্চ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুরের রেল গেইট সংলগ্ন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে ৩জন স্কুল ছাত্রী মারা যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, কুমিল্লার লাকসাম-নোয়াখালী রেলপথের ২২ কিলোমিটার এলাকায় বৈধ ১৪টি ও অবৈধ ১৭টি, লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথের ১৪কিলোমিটারে বৈধ ৪টি ও অবৈধ ১৩টি এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লার ৬৬ কিলোমিটারে বৈধ ৬৬টি ও অবৈধ ৭৪টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে।
গত ৫ বছরে রেলপথের কুমিল্লা অঞ্চলে ট্রেনে কাটা পড়ে, ট্রেনের ধাক্কায় ও যানবাহনে করে অসতর্ক অবস্থায় পারাপারের সময় সংঘর্ষে ৩৪৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই হিসাবের বাইরেও অনেক মৃত্যুও ঘটনা রয়েছে। সব ঘটনা থানায় লিপিবদ্ধ হয় না বলে জানা গেছে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম হালিম মজুমদার বলেন, আমাদের সর্তক হওয়া ছাড়া রেল দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। যেখানে সেখানে অবৈধ লেভেল ক্রসিং দেয়া নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। যেগুলো হয়ে গেছে সেখানে গেট স্থাপন করতে হবে। এছাড়া তিনি পদুয়ার বাজারে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে রেলওভার পাসটি পল্লী বিদ্যুৎ পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং লাকসাম-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কেও একটি ওভারপাস নির্মাণের দাবি জানান।
লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ, লাকসাম-নোয়াখালী এবং লাকসাম চাঁদপুর রেলপথে বেশ কিছু অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব এলাকায় ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এখানে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব নয়।
কুমিল্লা এলাকার দুইজন ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মো. আনিসুজ্জামান ও গোলাম সারোয়ার বলেন, অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ের সংখ্যা কমাতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে সেগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া গেটম্যানদের দায়িত্ব অবহেলা কমাতে তৎপরতা চালাচ্ছি।

কুমিল্লা জেলার ১০২ কিলোমিটার অংশে বৈধ অবৈধ মিলিয়ে দেড় শতাধিক লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব স্থানে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এদিকে কুমিল্লায় গত ৫ বছরে চার শতাধিক মানুষ গেটে দুর্ঘটনা ও ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। এসব লেভেল ক্রসিং হয়ে উঠেছে মানুষখেকো।
সূত্রমতে, রেল লাইনে বাজার, পাশে জনবসতি, মানুষের অসতর্ক চলাচল, পরিবহন চালকদের বেপরোয়া ড্রাইভিং ও গেটম্যানদের দায়িত্ব অবহেলায় এসব ঘটনা ঘটছে।
সর্বশেষ গত ২১ মার্চ দিবাগত রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বৈধ লেভেল ক্রসিং এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপর দিকে যাওয়ার পথে মামুন স্পেশাল পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নারী ও শিশুসহ ১২ জনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন অন্তত ১৫ জন। এটি কুমিল্লা অঞ্চলের স্মরণকালের বড় দুর্ঘটনা বলে জানা গেছে।
এছাড়া ২০১১ সালে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল রেল স্টেশন সংলগ্ন অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সাথে বাসে সংঘর্ষে ৮জন মারা যান। ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর বুড়িচং উপজেলার কালিকাপুর অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে অটো রিকশায় ট্রেনের ধাক্কায় ৭জন মারা যান। ২০২৩ সালে মানোহরগঞ্জ উপজেলার তুগুরিয়া এলাকায় অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ে সিএনজি অটো রিকশায় ট্রেনের ধাক্কায় ৫জন মারা যান। ২০২২সালের ৯ মার্চ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুরের রেল গেইট সংলগ্ন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে ৩জন স্কুল ছাত্রী মারা যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, কুমিল্লার লাকসাম-নোয়াখালী রেলপথের ২২ কিলোমিটার এলাকায় বৈধ ১৪টি ও অবৈধ ১৭টি, লাকসাম-চাঁদপুর রেলপথের ১৪কিলোমিটারে বৈধ ৪টি ও অবৈধ ১৩টি এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লার ৬৬ কিলোমিটারে বৈধ ৬৬টি ও অবৈধ ৭৪টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে।
গত ৫ বছরে রেলপথের কুমিল্লা অঞ্চলে ট্রেনে কাটা পড়ে, ট্রেনের ধাক্কায় ও যানবাহনে করে অসতর্ক অবস্থায় পারাপারের সময় সংঘর্ষে ৩৪৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই হিসাবের বাইরেও অনেক মৃত্যুও ঘটনা রয়েছে। সব ঘটনা থানায় লিপিবদ্ধ হয় না বলে জানা গেছে।
কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম হালিম মজুমদার বলেন, আমাদের সর্তক হওয়া ছাড়া রেল দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। যেখানে সেখানে অবৈধ লেভেল ক্রসিং দেয়া নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। যেগুলো হয়ে গেছে সেখানে গেট স্থাপন করতে হবে। এছাড়া তিনি পদুয়ার বাজারে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে রেলওভার পাসটি পল্লী বিদ্যুৎ পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং লাকসাম-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কেও একটি ওভারপাস নির্মাণের দাবি জানান।
লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ, লাকসাম-নোয়াখালী এবং লাকসাম চাঁদপুর রেলপথে বেশ কিছু অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব এলাকায় ট্রেনের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এখানে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব নয়।
কুমিল্লা এলাকার দুইজন ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মো. আনিসুজ্জামান ও গোলাম সারোয়ার বলেন, অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ের সংখ্যা কমাতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে সেগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া গেটম্যানদের দায়িত্ব অবহেলা কমাতে তৎপরতা চালাচ্ছি।