অনুমোদনের আবেদন করেই নির্মাণ শেষ!
মোহাম্মদ শরীফ

কুমিল্লায় অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণের যেন হিড়িক লেগেছে। ইমারত নির্মাণে মানা হচ্ছে না নির্দিষ্ট নকশা ও ভবন নির্মাণের কোনো নিয়ম। সড়ক ঘেঁষে নির্মিত হচ্ছে অনেক ভবন। যাতে করে চলাচল সমস্যা, অগ্নির্নিবাপণ ব্যবস্থায় বাধা ও যানজট তৈরি হবে সহজে। এছাড়া অনুমোদন না নিয়ে বাঁগিচাগাওয়ে সাত তলা একটি ভবনের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলা হয়েছে। নির্মাণাধীন ভবনের বেসমেন্টে দীর্ঘদিন পানি জমাট বেঁধে সৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা। যাতে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। এতে আক্রান্ত হচ্ছেন নির্মাণ শ্রমিকসহ কাজের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও স্থানীয় মানুষজন।
গতকাল বুধবার দিনব্যাপী কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কুউক) এক বিশেষ অভিযানে বেরিয়ে আসে এমন সব তথ্য। গতকাল বেলা ১১টা থেকে নগরের পুলিশ লাইনস্ থেকে পশ্চিম বাঁগিচাগাও, রাণীর বাজার ও ঠাকুরপাড়া এলাকায় এই অভিাযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু। ১৫টি ভবন পরির্দশন করে নানা অভিযোগে ৯টি ভবনের কাজ বন্ধ করে দেয় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। কাজ বন্ধ হওয়া ভবনগুলো হলো- পুলিশ লাইনসের হাইবার টাওয়ার, বাগিচাগাঁওয়ের এমএ জাহের লিমিটেড, ডেলমন, এমআরসি প্রতীক, এমআরসি আল্পনা, এমআরসি কুরাইসি, রাণীর বাজার এলাকার বন্ধন টাওয়ার, মম রোকেয়া প্যালেস, প্যারামেডিকেলে পাশে মোহাম্মদীয় এমএস টাওয়ার।
এ নিয়ে মোট তিন দিনের অভিযানে নিয়মে মেনে ভবন নির্মাণ না করার কারণে ১৬টি নির্মাণাধীন ভবনের কাজ বন্ধ করল কুউক। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের বেসমেন্টে জমাট পানিতে ডেঙ্গু রোগের এডিস মশার সৃষ্টি হচ্ছে। পশ্চিম বাঁগিচাগাও ও রাণীর বাজার এলাকায় ডেলমনের নির্মাণাধীন দু’টি ভবনের বেসমেন্টে বিষাক্ত পানি জমাট বেঁধেছে। কাজ বন্ধ রেখে দ্রæত বিষাক্ত পানি নিষ্কাশনের আদেশ দেওয়া হয়। এসব পানি থেকে সৃষ্ট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন কোম্পানিটির চিফ ইঞ্জিনয়িার ইমরান। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আশেপাশের প্রতিবেশী আরও ৪-৫জন এখানের সৃষ্ট এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে।
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু বলেন, আমরা আজ (গতকাল) ১৫টি নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করেছি। নিয়ম না মানায় ৯টি ভবনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। অনেক ভবন অনুমোদন না নিয়েই নির্মাণ হচ্ছে। আবার অনেক ভবন অনুমোদন নিলেও সে নিয়মের বাইরে গিয়ে নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণ হচ্ছে। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের সরঞ্জামে রাস্তাগুলো নষ্ট হচ্ছে। এসব কারণে আমরা নিয়ম না মানা নির্মাণাধীন ভবনগুলোর কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। এরপরও যদি তারা নিয়ম না মানে আমরা পরবর্তীতে আবারও নোটিশ পাঠাব। নোটিশ অমান্য করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ভবন মালিক/প্রতিষ্ঠানকে জরমিানার আওতায় নিয়ে আসা হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের বেসমেন্টে ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর আবাস তৈরি হয়ে আছে। আমরা এসব বিষয়ে সতর্ক করেছি।
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. সিরিফুল হক বলেন, প্রায় সবার মধ্যে একই সমস্যা আমরা বেশি পেয়েছি। যেটুকু অংশ জায়গা ছেড়ে দিয়ে ভবন নির্মাণ করার কথা সেটি অনেকেই করছেন না। ১৫-২০ ফুট রাস্তা যে হাইড পাবে সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। পেছনে, ডানে, বামে যে পরিমাণ স্পেস রাখার কথা সেরকম আমরা পাইনি। আমরা বলব, যারা ভবন নির্মাণ করছেন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করুন।
প্রসঙ্গত, ৩০ আগস্ট অনিয়মের অভিযোগে চারটি এবং ৮ সেপ্টেম্বর তিনটি ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

কুমিল্লায় অনুমোদনহীন ভবন নির্মাণের যেন হিড়িক লেগেছে। ইমারত নির্মাণে মানা হচ্ছে না নির্দিষ্ট নকশা ও ভবন নির্মাণের কোনো নিয়ম। সড়ক ঘেঁষে নির্মিত হচ্ছে অনেক ভবন। যাতে করে চলাচল সমস্যা, অগ্নির্নিবাপণ ব্যবস্থায় বাধা ও যানজট তৈরি হবে সহজে। এছাড়া অনুমোদন না নিয়ে বাঁগিচাগাওয়ে সাত তলা একটি ভবনের কাজ প্রায় শেষ করে ফেলা হয়েছে। নির্মাণাধীন ভবনের বেসমেন্টে দীর্ঘদিন পানি জমাট বেঁধে সৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা। যাতে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। এতে আক্রান্ত হচ্ছেন নির্মাণ শ্রমিকসহ কাজের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও স্থানীয় মানুষজন।
গতকাল বুধবার দিনব্যাপী কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কুউক) এক বিশেষ অভিযানে বেরিয়ে আসে এমন সব তথ্য। গতকাল বেলা ১১টা থেকে নগরের পুলিশ লাইনস্ থেকে পশ্চিম বাঁগিচাগাও, রাণীর বাজার ও ঠাকুরপাড়া এলাকায় এই অভিাযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু। ১৫টি ভবন পরির্দশন করে নানা অভিযোগে ৯টি ভবনের কাজ বন্ধ করে দেয় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। কাজ বন্ধ হওয়া ভবনগুলো হলো- পুলিশ লাইনসের হাইবার টাওয়ার, বাগিচাগাঁওয়ের এমএ জাহের লিমিটেড, ডেলমন, এমআরসি প্রতীক, এমআরসি আল্পনা, এমআরসি কুরাইসি, রাণীর বাজার এলাকার বন্ধন টাওয়ার, মম রোকেয়া প্যালেস, প্যারামেডিকেলে পাশে মোহাম্মদীয় এমএস টাওয়ার।
এ নিয়ে মোট তিন দিনের অভিযানে নিয়মে মেনে ভবন নির্মাণ না করার কারণে ১৬টি নির্মাণাধীন ভবনের কাজ বন্ধ করল কুউক। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের বেসমেন্টে জমাট পানিতে ডেঙ্গু রোগের এডিস মশার সৃষ্টি হচ্ছে। পশ্চিম বাঁগিচাগাও ও রাণীর বাজার এলাকায় ডেলমনের নির্মাণাধীন দু’টি ভবনের বেসমেন্টে বিষাক্ত পানি জমাট বেঁধেছে। কাজ বন্ধ রেখে দ্রæত বিষাক্ত পানি নিষ্কাশনের আদেশ দেওয়া হয়। এসব পানি থেকে সৃষ্ট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন কোম্পানিটির চিফ ইঞ্জিনয়িার ইমরান। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আশেপাশের প্রতিবেশী আরও ৪-৫জন এখানের সৃষ্ট এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে।
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু বলেন, আমরা আজ (গতকাল) ১৫টি নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করেছি। নিয়ম না মানায় ৯টি ভবনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। অনেক ভবন অনুমোদন না নিয়েই নির্মাণ হচ্ছে। আবার অনেক ভবন অনুমোদন নিলেও সে নিয়মের বাইরে গিয়ে নকশা পরিবর্তন করে নির্মাণ হচ্ছে। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের সরঞ্জামে রাস্তাগুলো নষ্ট হচ্ছে। এসব কারণে আমরা নিয়ম না মানা নির্মাণাধীন ভবনগুলোর কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। এরপরও যদি তারা নিয়ম না মানে আমরা পরবর্তীতে আবারও নোটিশ পাঠাব। নোটিশ অমান্য করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ভবন মালিক/প্রতিষ্ঠানকে জরমিানার আওতায় নিয়ে আসা হবে। এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের বেসমেন্টে ডেঙ্গু রোগ ছড়ানোর আবাস তৈরি হয়ে আছে। আমরা এসব বিষয়ে সতর্ক করেছি।
কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. সিরিফুল হক বলেন, প্রায় সবার মধ্যে একই সমস্যা আমরা বেশি পেয়েছি। যেটুকু অংশ জায়গা ছেড়ে দিয়ে ভবন নির্মাণ করার কথা সেটি অনেকেই করছেন না। ১৫-২০ ফুট রাস্তা যে হাইড পাবে সেটি পাওয়া যাচ্ছে না। পেছনে, ডানে, বামে যে পরিমাণ স্পেস রাখার কথা সেরকম আমরা পাইনি। আমরা বলব, যারা ভবন নির্মাণ করছেন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করুন।
প্রসঙ্গত, ৩০ আগস্ট অনিয়মের অভিযোগে চারটি এবং ৮ সেপ্টেম্বর তিনটি ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।