দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লায় মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, খামারিদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রায় ১০০ জন অগ্রগামী মৎস্যচাষী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এতে অংশগ্রহণকারীদের মাছ চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পুকুর প্রস্তুতি, পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রোবায়োটিকের প্রয়োগ, এয়ারেটরের সঠিক ব্যবহার এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়া মানসম্মত পোনা নির্বাচন, সুষম খাদ্যের সঠিক বণ্টন এবং মাছের সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কেও চাষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজের রিজিওনাল ম্যানেজার মো. সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের এজিএম (সেলস) এ কে এম রবিউল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হিজবুল বাহার।
প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন কৃষিবিদ গিয়াস উদ্দিন। পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের মান ব্যবস্থাপক মনজুরুল এ মাহবুব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের অফিসার (সেলস) মো. রিমন চৌধুরী এবং সার্বিক তত্ত¡াবধানে ছিলেন ব্র্যাক জেলা সমন্বয়ক জিয়া উদ্দিন আহম্মদ। এ সময় কুমিল্লা জেলার অফিসার (সেলস) মো. সোহেল রানাও উপস্থিত ছিলেন।
তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি কর্মশালায় হাতে-কলমে শেখার সুযোগ রাখা হয়। উন্মুক্ত আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চাষীরা তাঁদের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে এসব সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।
আয়োজকেরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।
কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ জানায়, দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং খামারিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লায় মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, খামারিদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রায় ১০০ জন অগ্রগামী মৎস্যচাষী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এতে অংশগ্রহণকারীদের মাছ চাষের আধুনিক ও লাভজনক পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পুকুর প্রস্তুতি, পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রোবায়োটিকের প্রয়োগ, এয়ারেটরের সঠিক ব্যবহার এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়া মানসম্মত পোনা নির্বাচন, সুষম খাদ্যের সঠিক বণ্টন এবং মাছের সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কেও চাষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজের রিজিওনাল ম্যানেজার মো. সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের এজিএম (সেলস) এ কে এম রবিউল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. হিজবুল বাহার।
প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন কৃষিবিদ গিয়াস উদ্দিন। পরিদর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের মান ব্যবস্থাপক মনজুরুল এ মাহবুব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের অফিসার (সেলস) মো. রিমন চৌধুরী এবং সার্বিক তত্ত¡াবধানে ছিলেন ব্র্যাক জেলা সমন্বয়ক জিয়া উদ্দিন আহম্মদ। এ সময় কুমিল্লা জেলার অফিসার (সেলস) মো. সোহেল রানাও উপস্থিত ছিলেন।
তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি কর্মশালায় হাতে-কলমে শেখার সুযোগ রাখা হয়। উন্মুক্ত আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চাষীরা তাঁদের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে এসব সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।
আয়োজকেরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে।
কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ জানায়, দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং খামারিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।