প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কুমিল্লায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং কৃষিখাতকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রান্তিক কৃষকদের অংশগ্রহণে এক কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে কৃষক কার্ডের আওতায় প্রদত্ত ১০টি বিশেষ সুবিধা এবং কৃষি ঋণ মওকুফ সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরা হয়। আজ বুধবার জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নূরুল হক।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মোহাম্মদ রেজাউল করিম ভূঁঞা, অতিরিক্ত উপপরিচালক শেখ আজিজুর রহমান, আদর্শ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন এবং জেলা যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক ও ফ্লোভার ইন্টারন্যাশনালের সিইও মো. নাছির উদ্দিন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, কৃষিকে আধুনিক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ, প্রণোদনা, কৃষি বীমা এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ পাবেন। এসব সুবিধা নিশ্চিত হলে কৃষকের জীবনমান উন্নত হবে এবং দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারী-পুরুষ কৃষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া শুরুতে কৃষক সেবাবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

কুমিল্লায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং কৃষিখাতকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রান্তিক কৃষকদের অংশগ্রহণে এক কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে কৃষক কার্ডের আওতায় প্রদত্ত ১০টি বিশেষ সুবিধা এবং কৃষি ঋণ মওকুফ সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরা হয়। আজ বুধবার জেলা তথ্য অফিস, কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ নূরুল হক।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মোহাম্মদ রেজাউল করিম ভূঁঞা, অতিরিক্ত উপপরিচালক শেখ আজিজুর রহমান, আদর্শ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন এবং জেলা যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক ও ফ্লোভার ইন্টারন্যাশনালের সিইও মো. নাছির উদ্দিন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, কৃষিকে আধুনিক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ, প্রণোদনা, কৃষি বীমা এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ পাবেন। এসব সুবিধা নিশ্চিত হলে কৃষকের জীবনমান উন্নত হবে এবং দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় নারী-পুরুষ কৃষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া শুরুতে কৃষক সেবাবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।