পাভেল রহমান, নাঙ্গলকোট

নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণ ও সাধারণ সভা সফলভাবে সম্পন হয়েছে। প্রেসক্লাব সদস্যরা পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকতের বিশাল জলরাশিতে নিজেদের গা ভাসান। এছাড়া সমুদ্র সৈকতের জোয়ারের পানির ঢেউয়ের তালেও তারা নিজদের ভাসান। অন্যদিকে সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা এবং লাবনী বিচ পয়েন্টে সকালের নির্মল হাওয়া, বিকেলের সূর্যাস্ত দেখা এবং সন্ধা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সৈকত পাড়ের চেয়ারে শুয়ে-বসে ঘন্টার পর ঘন্টা সমুদ্রের গর্জন উপভোগ। প্রেসক্লাব সদস্যদের জন্য সবকিছু যেন ছিল উপভোগ্য। গত রোববার , সোমবার ও মঙ্গলবার ওই আয়োজন হয়।
আবার কখনো বিমানবন্দর এবং তার পাশে ফিসারী ঘাটে জেলেদের সমুদ্র থেকে মাছ এনে আড়তে পাইকারদের কাছে বিক্রি দেখা হয়। সাথে জাইকার অর্থায়নে অত্যাধুনিক ফিশারী ঘাটের নির্মাণ কাজ দেখা হয়। আবার কয়েকজন সদস্য একসাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে কক্সবাজার সদর উপজেলার বাকখালি নদীর খুরুশকুল উপক‚লে নির্মিত (টারবাইন) বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন দেখা হয়। পাশাপাশি লবন চাষীদের লবন উৎপাদন এবং বিশাল এলাকাজুড়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের ভবনগুলো দেখা হয়। আবার অনেক সদস্য মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে হিমছড়ি এবং পাথুরে ইনানী বিচের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে যান।
সোমবার রাতে হোটেল অভিসার লবিতে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সঞ্চলনায় এবং প্রেসক্লাব সভাপতি মজিবুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় প্রেসক্লাবের স্বকীয়তা বজায় রেখে তাদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল এবং সবার সহযোগিতায় আধুনিক নাঙ্গলকোট বিনির্মানে প্রেসক্লাব সদস্যরা দৃঢ প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেন ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন জনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল মাহমুদ ভূঁইয়া বাহার, অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু, অফিস সম্পাদক মেহেদি হাসান ভূঁইয়া আজিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শরীফ আহমেদ মজুমদার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অরবিন্দ দাস, ক্রীড়া সম্পাদক তোফায়েল হোসেন মজুমদার, সদস্য আবদুর রহিম বাবলু, মাওলানা ইউছুফ আলী।

নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী পর্যটন নগরী কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণ ও সাধারণ সভা সফলভাবে সম্পন হয়েছে। প্রেসক্লাব সদস্যরা পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকতের বিশাল জলরাশিতে নিজেদের গা ভাসান। এছাড়া সমুদ্র সৈকতের জোয়ারের পানির ঢেউয়ের তালেও তারা নিজদের ভাসান। অন্যদিকে সমুদ্র সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা এবং লাবনী বিচ পয়েন্টে সকালের নির্মল হাওয়া, বিকেলের সূর্যাস্ত দেখা এবং সন্ধা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সৈকত পাড়ের চেয়ারে শুয়ে-বসে ঘন্টার পর ঘন্টা সমুদ্রের গর্জন উপভোগ। প্রেসক্লাব সদস্যদের জন্য সবকিছু যেন ছিল উপভোগ্য। গত রোববার , সোমবার ও মঙ্গলবার ওই আয়োজন হয়।
আবার কখনো বিমানবন্দর এবং তার পাশে ফিসারী ঘাটে জেলেদের সমুদ্র থেকে মাছ এনে আড়তে পাইকারদের কাছে বিক্রি দেখা হয়। সাথে জাইকার অর্থায়নে অত্যাধুনিক ফিশারী ঘাটের নির্মাণ কাজ দেখা হয়। আবার কয়েকজন সদস্য একসাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে কক্সবাজার সদর উপজেলার বাকখালি নদীর খুরুশকুল উপক‚লে নির্মিত (টারবাইন) বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন দেখা হয়। পাশাপাশি লবন চাষীদের লবন উৎপাদন এবং বিশাল এলাকাজুড়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের ভবনগুলো দেখা হয়। আবার অনেক সদস্য মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে হিমছড়ি এবং পাথুরে ইনানী বিচের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে যান।
সোমবার রাতে হোটেল অভিসার লবিতে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সঞ্চলনায় এবং প্রেসক্লাব সভাপতি মজিবুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় প্রেসক্লাবের স্বকীয়তা বজায় রেখে তাদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল এবং সবার সহযোগিতায় আধুনিক নাঙ্গলকোট বিনির্মানে প্রেসক্লাব সদস্যরা দৃঢ প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেন ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন জনি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল মাহমুদ ভূঁইয়া বাহার, অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু, অফিস সম্পাদক মেহেদি হাসান ভূঁইয়া আজিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শরীফ আহমেদ মজুমদার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অরবিন্দ দাস, ক্রীড়া সম্পাদক তোফায়েল হোসেন মজুমদার, সদস্য আবদুর রহিম বাবলু, মাওলানা ইউছুফ আলী।