নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি কান্দিরপাড় সিটি মার্কেটের অনিবার্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ আহবায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।
খন্দকার হক টাওয়ারের চেয়ারম্যান জামাল খন্দকার সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।
চকবাজার শাপলা মার্কেটের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (ভিপি নজরুল) সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সর্বশেষ আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক।
শুধু এই তিন শীর্ষ পদে নয়, কুমিল্লা জেলা দোকান মালিক সমিতির ৮১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির বেশির ভাগ পদেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বিভিন্ন পদ পদবিতে আছেন। গত রোববার কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পদপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও তাঁদের অনুসারীরা অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেন। দলীয় লোকে ঠাসা কমিটি দেখে ক্ষুব্ধ কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ী ও ভিন্ন মতের ব্যবসায়ীরা।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, এটি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার কমিটি নয়, এটি কুমিল্লার বিএনপির ব্যবসায়ী ও মাকের্টের মালিক নেতাদের কমিটি। অনেকটা বিএনপির দোকান কমিটি। অতীতে কখনোও এভাবে এক তরফা কমিটি হয়নি। সব দল মিলিয়ে কমিটি হয়েছে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে। ব্যবসায়ীরাই ছিলেন কমিটির প্রাণ।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ী বলেন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে। তাঁদের কেউ কেউ পদ পেয়েছে। এতে করে কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। কাউকে মোটা অংকের টাকা দিতে হতে পারে। কাউকে ধাপে ধাপে চাঁদা দিতে পারে। কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকান হারানোর আশংকাও রয়েছে।
মনোহরপুর এলাকার একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে সোনালী স্কয়ার বহুতল বিপনী বিতান ও আবাসন ভবন করতে গিয়ে এক ব্যবসায়ী দোকানের জায়গা দেননি। এরপর তিনি আর দোকান খুলতে পারেননি। ওই ব্যবসায়ীর শ্বশুর একটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আরও ব্যবসায়ী ও মার্কেটের মালিকেরা দোকান করা নিয়ে ঝামেলায় পড়েন। বিএনপির সময়ে এটা হলে খুবই দুঃখজনক। আওয়ামী লীগ আমলে বছরের পর বছর কমিটি হয়নি।
কিছু দোকানদার কয়েকজন চাঁদাবাজকে কমিটিতে দেখে হতাশ হয়েছেন। আবার কিছু ভালো মানুষকে দেখে খুশি হয়েছেন। এ নিয়ে তাঁরা উৎকন্ঠায় আছেন।
জানা গেছে, ২০২৬-২০২৮ সালের জন্য ৮১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি করা হয়। ওই কমিটির জন্য সুপারিশ করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি । পরে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহাসচিব ওই কমিটির অনুমোদন দেন।
কুমিল্লা জেলা দোকান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (ভিপি নজরুল) বলেন, যাঁরা পদ পেয়েছেন প্রত্যেকে ব্যবসায়ী ও তাঁদের দোকান আছে। তাঁরা দলীয় পরিচয়ে নয়, ব্যবসায়ী ও দোকানের মালিক হিসেবে পদ পেয়েছেন। বহু বছর কমিটি হয় না। আমরা এবার সেই প্রথা ভেঙে কমিটি করেছি। ব্যবসায়ীরা শান্তিতে, নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবেন।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি কান্দিরপাড় সিটি মার্কেটের অনিবার্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ আহবায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।
খন্দকার হক টাওয়ারের চেয়ারম্যান জামাল খন্দকার সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সর্বশেষ আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন।
চকবাজার শাপলা মার্কেটের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (ভিপি নজরুল) সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সর্বশেষ আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক।
শুধু এই তিন শীর্ষ পদে নয়, কুমিল্লা জেলা দোকান মালিক সমিতির ৮১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির বেশির ভাগ পদেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বিভিন্ন পদ পদবিতে আছেন। গত রোববার কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পদপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও তাঁদের অনুসারীরা অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেন। দলীয় লোকে ঠাসা কমিটি দেখে ক্ষুব্ধ কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন মার্কেটের সাধারণ ব্যবসায়ী ও ভিন্ন মতের ব্যবসায়ীরা।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, এটি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার কমিটি নয়, এটি কুমিল্লার বিএনপির ব্যবসায়ী ও মাকের্টের মালিক নেতাদের কমিটি। অনেকটা বিএনপির দোকান কমিটি। অতীতে কখনোও এভাবে এক তরফা কমিটি হয়নি। সব দল মিলিয়ে কমিটি হয়েছে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে। ব্যবসায়ীরাই ছিলেন কমিটির প্রাণ।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে অন্তত ১০ জন ব্যবসায়ী বলেন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে। তাঁদের কেউ কেউ পদ পেয়েছে। এতে করে কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। কাউকে মোটা অংকের টাকা দিতে হতে পারে। কাউকে ধাপে ধাপে চাঁদা দিতে পারে। কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকান হারানোর আশংকাও রয়েছে।
মনোহরপুর এলাকার একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে সোনালী স্কয়ার বহুতল বিপনী বিতান ও আবাসন ভবন করতে গিয়ে এক ব্যবসায়ী দোকানের জায়গা দেননি। এরপর তিনি আর দোকান খুলতে পারেননি। ওই ব্যবসায়ীর শ্বশুর একটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আরও ব্যবসায়ী ও মার্কেটের মালিকেরা দোকান করা নিয়ে ঝামেলায় পড়েন। বিএনপির সময়ে এটা হলে খুবই দুঃখজনক। আওয়ামী লীগ আমলে বছরের পর বছর কমিটি হয়নি।
কিছু দোকানদার কয়েকজন চাঁদাবাজকে কমিটিতে দেখে হতাশ হয়েছেন। আবার কিছু ভালো মানুষকে দেখে খুশি হয়েছেন। এ নিয়ে তাঁরা উৎকন্ঠায় আছেন।
জানা গেছে, ২০২৬-২০২৮ সালের জন্য ৮১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি করা হয়। ওই কমিটির জন্য সুপারিশ করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি । পরে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মহাসচিব ওই কমিটির অনুমোদন দেন।
কুমিল্লা জেলা দোকান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (ভিপি নজরুল) বলেন, যাঁরা পদ পেয়েছেন প্রত্যেকে ব্যবসায়ী ও তাঁদের দোকান আছে। তাঁরা দলীয় পরিচয়ে নয়, ব্যবসায়ী ও দোকানের মালিক হিসেবে পদ পেয়েছেন। বহু বছর কমিটি হয় না। আমরা এবার সেই প্রথা ভেঙে কমিটি করেছি। ব্যবসায়ীরা শান্তিতে, নিরাপদে ব্যবসা করতে পারবেন।