নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির -এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, দেবীদ্বারে জনবল সংকট রয়েছে। পিআইও নাই। সাব রেজিস্ট্রার নাই। বন কর্মকর্তা নাই। ইঞ্জিনিয়ার কম। আমি দেবীদ্বারের পরিস্থিতি বিবেচনায় সমস্যগুলো তুলে ধরছি। গতকাল দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঠিকাদারী কাজ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মানুষ মনে করে এমপি টাকা খাইয়া ফালাইছে। একটা কাজ ১০০ টাকার, কিন্তু কাজ হয় না ৫০ টাকার। আমি বলতে চাই, যে কাজ পায়, সে যেন কাজটা করে। এখানে মাঝে যেন সাব কন্টাকটার কাজ না করে। প্রকৃত ঠিকাদারেরা যেন কাজ করে।
তিনি বলেন, আমার এলাকায় ৭০ হাজার টাকা নিয়ে আসামি ধরে আনছে। পুলিশ সিএনজি অটো রিকশা ব্যবহার করে। সারারাত খাটায়। সকালে ওই ব্যক্তির হাতে ২০০ টাকা ধরায় দেয়। পুলিশের গাড়ির অভাব রয়েছে।
তিনি বলেন, দেবীদ্বারে ৪০টা প্রাইভেট হাসপাতাল আছে। একটারও লাইসেন্স নাই। পাঁচ হাজার টাকা প্যাকেজে ডেলিভারি করানো হয়।
তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ নিয়ে দুইবার এসেছি। আবার ডাকলে আসবো।

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির -এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল হাসনাত ওরফে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, দেবীদ্বারে জনবল সংকট রয়েছে। পিআইও নাই। সাব রেজিস্ট্রার নাই। বন কর্মকর্তা নাই। ইঞ্জিনিয়ার কম। আমি দেবীদ্বারের পরিস্থিতি বিবেচনায় সমস্যগুলো তুলে ধরছি। গতকাল দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঠিকাদারী কাজ প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মানুষ মনে করে এমপি টাকা খাইয়া ফালাইছে। একটা কাজ ১০০ টাকার, কিন্তু কাজ হয় না ৫০ টাকার। আমি বলতে চাই, যে কাজ পায়, সে যেন কাজটা করে। এখানে মাঝে যেন সাব কন্টাকটার কাজ না করে। প্রকৃত ঠিকাদারেরা যেন কাজ করে।
তিনি বলেন, আমার এলাকায় ৭০ হাজার টাকা নিয়ে আসামি ধরে আনছে। পুলিশ সিএনজি অটো রিকশা ব্যবহার করে। সারারাত খাটায়। সকালে ওই ব্যক্তির হাতে ২০০ টাকা ধরায় দেয়। পুলিশের গাড়ির অভাব রয়েছে।
তিনি বলেন, দেবীদ্বারে ৪০টা প্রাইভেট হাসপাতাল আছে। একটারও লাইসেন্স নাই। পাঁচ হাজার টাকা প্যাকেজে ডেলিভারি করানো হয়।
তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ নিয়ে দুইবার এসেছি। আবার ডাকলে আসবো।